জেনারেল রাইটিং - আমাদের অসচেতনতার কারণে জমে ওঠা আবর্জনার স্তুপ
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসি, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং নিয়ে হাজির হয়েছি। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, আমাদের অসচেতনতার কারণে জমে ওঠা আবর্জনার স্তুপ নিয়ে।

ডাটাবেজ অনুযায়ী ঢাকা, অর্থাৎ, আমাদের বাংলাদেশের পরিবেশ খুবই খারাপ দিকে রয়েছে। একটি দেশের পরিবেশ প্রাকৃতিক ভাবে কখনোই খারাপ হতে পারে না। অর্থাৎ, পরিবেশ খারাপ, পরিবেশ দূষিত; এর একটিমাত্র কারণ। আর সেটি হচ্ছে মানুষ সৃষ্ট কারণ। আমাদের অসচেতনতা, আমাদের অবহেলার কারণেই দিন দিন আমাদের পরিবেশ দূষণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।
পরিবেশ দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাওয়া। এতে করে আমরা নানারকম রোগ ব্যাধি এবং জটিলতায় ভুগি। বিষয়টি দিনদিন উদ্বেগ জনক হারে বাড়ছে। এই মুহূর্তেই যদি আমরা সচেতন না হই এবং দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেই, তাহলে খুবই শীঘ্রই আমাদের প্রিয় শহর ঢাকা, এমনকি সারা বাংলাদেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।
কিন্তু দুর্ভাগ্য জনক ভাবে, আমরা সেই পদক্ষেপ কতটুকু নিতে পারব তা কল্পনা করতে পারছিনা। আমাদের দেশের প্রত্যেকটা মানুষ এই দিক থেকে খুবই বেখেয়ালি। নিজেরা নিজেদের ঘর দুয়ার পরিষ্কার করলেও, পরিবেশ কিভাবে সুন্দর রাখা যায় সেই বিষয়ে কেউ ভাবেনা। ঘর দুয়ার পরিষ্কার করে ময়লাগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। অনেকে তো আরো এক কাঠি সরেস। তারা নিজেদের ঘরের সামনেই তাদের আবর্জনা স্তুপ করে। সেখান দিয়ে হাঁটাও যায় না দুর্গন্ধের কারণে। কিন্তু তারা দিব্যি বসবাস করছে। অর্থাৎ এই থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধ এবং নিঃসৃত দূষণ তাদের কোন ভাবান্তর সৃষ্টি করছে না।
তাদের এমন হেয়ালিপনা, বেখেয়ালিপনা দিনদিন পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়াচ্ছে। কলকারখানার কথা আর কি বলব! সেখান থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, মিথেন গ্যাস পরিশোধনের যেমন কোন ব্যবস্থা নেই; তেমনি সেখান থেকে নির্গত কেমিক্যাল যুক্ত পানি পরিশোধনেরও কোন ব্যবস্থা নেই। সেই পানি সরাসরি ড্রেনে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে সেই পানি সরাসরি নদীতে পড়ে। এভাবে আমাদের পরিবেশ দূষণের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। এভাবে চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই অতিরিক্ত দূষণের কারণে এই শহর আমাদের ছাড়তে হবে, না হয় এখানে মরতে হবে।