ধুন্দল দিয়ে পাঙ্গাস মাছ রান্না রেসিপি
আজ - বুধবার
| আপনারা কেমন আছেন? আশা করি, মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছেন। 'আমার বাংলা ব্লগ' কে ভালোবেসে এবং সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে উপস্থিত হলাম মজাদার এক রেসিপি নিয়ে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে সুস্বাদু রেসিপি তৈরি করে দেখাবো। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে কার্যপ্রণালী শুরু করি। |
|---|
| ১. | ধুন্দল | হাফ কেজি |
| ২. | মাছ | ৩ পিস |
| ৩. | পেঁয়াজ কুচি | দুই পিস |
| ৪. | কাঁচা মরিচ | ৪ পিস |
| ৫. | সয়াবিন তেল | পরিমাণ মতো |
| ৬. | লবণ | পরিমাণ মতো |
| ৭. | মরিচের গুঁড়া | হাফ চা চামচ |
| ৮. | হলুদের গুঁড়া | এক চামচ |
| ৯. | ধনিয়া গুড়া | হাফ চা চামচ |
| ১০. | জিরা গুঁড়া | হাফ চা চামচ |
| ১১. | পানি | পরিমাণ মতো |
শুরুতে আমি এখানে হাফ কেজি ধুন্দল সুন্দর করে কেটে ধুয়ে নিয়েছি।
তারপর আমি তিন পিস পাঙ্গাস মাছ নিয়েছি। মাছগুলো অনেক ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়েছি। তারপর লবণ দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিয়েছিলাম। তারপর আবার পানি দিয়ে সুন্দর করে ধুয়ে নেই। লবণ দিয়ে মাছ মাখিয়ে ধুলে অনেক ভালো পরিষ্কার হয়। তাই আমি সব সময় মাছ লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখি তারপর সুন্দর করে ধুয়ে ফেলি। মাছ ধোয়া শেষ করে লবণ মরিচ এবং হলুদের গুঁড়া মাখিয়ে নিলাম। তারপর কড়াইতে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে মাছগুলো ভাঁজতে দিলাম।
তারপর আমি পেঁয়াজ এবং মরিচ কুচি করে নিয়েছি। তারপর যেই কড়াইতে মাছ ভাজি করেছি একই তেলের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি এবং মরিচ কুচি দিয়ে দিলাম। আমার মনে হয় মাছ ভাজি তেলের মধ্যেই তরকারি রান্না করলে বেশি মজা হয়। তাই আমি সব সময় মাছ ভাজির তেলের মধ্যেই তরকারিটা রান্না করি।
তারপর এখানে আমি লবণ, হলুদ গুঁড়ো,মরিচের গুঁড়া,ধনিয়া গুঁড়া, জিরার গুড়া নিয়েছি এবং সেগুলা পেঁয়াজ ভাজি করা হলে পেঁয়াজের মধ্যে পানি দিয়ে এই উপকরণগুলো দিয়ে দিয়েছি।
তারপর বেশ কিছুক্ষণ কষানো হলে ধুন্দল দিয়ে দিলাম।
ধুন্দল রান্না করতে পানি তেমন লাগে না তাই আমি পানি ছাড়া সুন্দর করে কষিয়ে নিয়েছি। তরকারি যত সুন্দর করে কষানো যাই টেস্ট অনেক বেশি বেড়ে যায়। তাই আমি অনেক বেশি করে কষিয়ে নেই। শেষ আছে অল্প পরিমাণে পানি দিয়ে দিন।
বেশ কিছুক্ষণ পর ধুন্দুলের তরকারির মধ্যে মাছও দিয়ে দিই। তারপর বেশ কিছুক্ষণ ফুটানোর পর নামিয়ে নিই।
পরিবেশন
ধুন্দুল দিয়ে পাঙ্গাস মাছ রান্না আমি রাতের বেলায় করেছিলাম। রান্না শেষ করে সবাইকে সুন্দর করে পরিবেশন করে দিয়। নিজ হাতে রান্না করে নিজের হাতে বেড়ে সবাইকে খাওয়াতে খুবই ভালো লাগে। আমি নিজে হাতে রান্না করলে এবং সেই খাবার পরিবেশন করে খাওয়াতে খুবই পছন্দ করি। ঠিক তেমনি করে সেই খাবারগুলো যদি কেউ প্রশংসা করে তাহলে রান্না করার ইচ্ছা আরো দ্বিগুণ বেড়ে যায়। আমার হাজব্যান্ড আমার রান্না করা ধুন্দল দিয়ে পাঙ্গাস মাছ রান্না হয়েছে অনেক প্রশংসা করেছিল যে আমার খুবই ভালো লেগেছে।
| বিষয় | সুস্বাদু রেসিপি |
|---|---|
| ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল ফোন |
| ক্যামেরা | realme note50-13mp |
| আমার লোকেশন | ঢাকা সাভার |
| ফটোগ্রাফার | @sumiya23 |
| ধর্ম | ইসলাম |
| দেশ | বাংলাদেশ |
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি মোছাঃ সুমাইয়া, আমি একজন বাংলাদেশী মুসলিম নাগরিক। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুরে। আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা সাভার, বিশ-মাইল। আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা সাভার। ভ্রমণ করতে আমি পছন্দ করি এবং সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করা আমার একটা শখের কাজ। আমার রান্না করতে অনেক ভালো লাগে নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে খুবই ভালো লাগে সেই সাথে অবসর সময় ছবি আঁকতেও পছন্দ করি।আমার @sumiya23 স্টিমিট আইডির নাম।

















Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনি তো মজার রেসিপি বানিয়েছেন। ধুন্দল এবং পাঙ্গাস মাছের রেসিপি খুব সুন্দর করে তৈরি করেছেন। পাঙ্গাস মাছ খেতে কিন্তু ভালো লাগে এই মাছের মধ্যে কাঁটা কম। এবং আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ ধুন্দল এবং পাঙ্গাস মাছ দিয়ে রেসিপি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
পাঙ্গাস মাছ আমারও অনেক পছন্দের একটি মাছ। তবে সবজি দিয়ে রান্না করলে সেটা আরো বেশি মজা লাগে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
ওয়াও আপু আপনি দারুন একটি রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। পাঙ্গাস মাছ আমার অনেক ভালো লাগে খেতে। তবে এইভাবে আপনার মত করে ধুন্দল দিয়ে পাঙ্গাস মাছ খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে রান্নাটি অনেক সুস্বাদু হয়েছে।ধন্যবাদ আপু পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।