ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সহজ জয় বাংলার!
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো ও সুস্থ্য আছেন। তো সুস্থ্য থাকাটাই সবচেয়ে গুুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি সুস্থ্য না থাকলে কোনো কিছুতেই আপনার ভালো লাগবে না। আপনারা যারা খেলাপ্রেমী মানুষ আছেন তারা নিশ্চয় খেলাধুলার খবর রাখেন নিয়মিত! ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিম বাংলাদেশে এসেছে খেলার জন্য! তো খেলাধুলা দেখলে ভালো লাগে। তবে বাংলাদেশ টিম হতাশ করে বেশি। হতাশ করলেও নির্লজ্জের মতো বাংলাদেশের খেলা দেখতে বসে যায়! তো তিন ম্যাচের ওয়ানডে দিয়ে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার সিরিজ শুরু হয়েছে। অনেকদিন পর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তো ৫০ ওভারের খেলায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফর্মেন্স বেশ খারাপ যাচ্ছে। কারণ আফগানিস্তান এর সাথে শেষ তিনটি ওয়ানডেতেই হেরেছে বাংলাদেশ। খুবই বাজে ছিল খেলার অবস্থা!
তো ঘরের মাটিতে আবার বাংলাদেশ ভালো পারফর্মেন্স করে। এটা একটা সুবিধা বলা যায়। টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তো বাংলাদেশের একাদশে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। দলে নেয়া হয় সৌম্য সরকারকে। সৌম্য সরকার অনেকদিন হলো দলে সুযোগ পায়না। তার পারফর্মেন্সের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছিল। তো শুরুতেই ওপেনিং এ নামে সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান। বাংলাদেশের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। দলীয় সংগ্রহ যখন ৮ রান তখন সাইফ হাসান শেফার্ড এর বলে আউট হয়ে সাজঘরে চলে যায়। তারপর মাঠে আসে শান্ত! শান্ত আসার পর সৌম্য সরকারও আউট হয়ে যায়। অনেকদিন পর সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেনি। তারপর মাঠে আসে তৌহিদ হৃদয়। তৌহিদ হৃদয় ও শান্ত মিলে একটা পার্টনারশিপ বিল্ড আপ করার চেষ্টা করে।
তবে বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহ যখন ৭৯ রান তখন শান্ত আউট হয়ে সাজঘরে চলে যায়। ওয়ানডেতে পার্টনারশিপ খুবই গুুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু ৫০ ওভারের খেলা। লং একটা টাইম ব্যাটিং করতে হয়। তারপর মাঠে আসে মাহিদুল অঙ্কন! অঙ্কন এবারই ওয়ানডেতে সুযোগ পেল। তো নামার পর একটা পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করে দুজন! হৃদয় ব্যক্তিগত অর্ধশত রান সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়। তারপর বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহ যখন ১১৫ রান তখন তৌহিদ হৃদয় আউট হয়ে সাজঘরে চলে যায়। তারপর মাঠে আসে ক্যাপ্টেন মিরাজ। তারপর থেকে শুধু যাওয়া আসার খেলায় চলে। শেষের দিকে রিশাদ হাসানের ২৬ রানের সুবাধে বাংলাদেশ ২০৬ রান সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়। তো মিরপুরে নরমালি বোলিং পিচেই হয়ে থাকে।
তো ২০৬ রান চেইস করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য সহজই বলা যায়। কারণ ৫০ ওভারে এটা অনেক কম রান! তো দেখার বিষয় ছিল বাংলাদেশ কেমন বোলিং করে! তো শুরুটা ভালোই করেছিল ক্যারিবীয় দুই ওপেনার কিং ও আথানেইজ! দেখে মনে হচ্ছিল ৩০ ওভারের আগেই খেলা জিতে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ! দলীয় সংগ্রহ যখন ৫১ রান তখন আথানজি আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে। মাঠে নামে কার্থি! সেও নেমে ভালো করতে পারেনি তেমন! তারপর ৭৯ রানে তখন কার্থিও আউট হয়ে সাজঘরে চলে যায়! তারপর থেকে ক্যারিবীয় কোনো ব্যাটার দাড়াঁতে পারেনি। রিশাদ হাসান একাই ছয়টি উইকেট নিয়ে নেয়। শেষ অবধি তারা ১৩৩ রান করতে পারে। সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ! প্লেয়ার অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হয় রিশাদ হাসান।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। বর্তমানে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর বিএসসি করছি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয় (ডুয়েট) থেকে । পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত চার বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,কবিতা লেখা,গল্প লেখা ,রিভিউ,ডাই এবং আর্ট করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।







আপনি খুব সুন্দর ভাবে বাংলাদেশের খেলাটির রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।তবে বাংলাদেশ যেইটুকু রান টার্গেট দিয়েছে আমি মনে করছিলাম এইটুকু রান তারা নিয়ে ফেলবে।তবে রিশাদের বলে যেমন ঝড় তুলে উঠছিল আসলেই এটা দেখার মতো ছিলো।যাইহোক বাংলাদেশ টিমের জন্য সব সময় শুভকামনা থাকবে। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।