ঐতিহ্যবাহি বেতের তৈরি দোলনা
আসসালামুয়ালাইকুম আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক ভালো আছি আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি ঐতিহ্যবাহি বেতের তৈরি দোলনা সম্পর্কে উপস্থাপন করবো।
![]() |
|---|
যখন ছোট ছিলাম তখন কতই না কিছু আমরা দেখেছি কিন্তু দিন দিন সেই জিনিস গুলো হারিয়ে যাচ্ছে। যেমন আমরা ছোটবেলায় দোলনায় দোল খেয়েছিলাম। বেতের তৈরি অনেক বছর আগে এই দোলনাগুলো বেতের তৈরি অনেক পরিশ্রম করে মানুষ শ্রম দিয়ে তৈরি করেছে। এবং দোলনা বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রয় করে মানুষ টাকা উপার্জন করে সংসার চালিয়েছে। কিন্তু এখন আর দেখা যাচ্ছে না কিন্তু খুব কম পরিমাণ দেখা যায়।
বেতের তৈরী দোলনায় অনেক সুন্দর ছিল এবং অনেক আরামদায়ক ছিল। গরম কালে যখনি বাচ্চাদের দোলনায় শুয়ে রেখে দেয়। তখনই অনেক ঠাণ্ডা অনুভূতি পেয়ে অনেক ভালোভাবে ঘুমাইতো। কিন্তু এখন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সেই পুরোনো দিনের জিনিস পণ্যগুলো ঐতিহ্যবাহী। পুরনোগুলো জিনিস আমাদের ধরে রাখা উচিত। তাহলে অনেক স্মৃতি গুলো মনে রাখতে পারবা।
যে মানুষগুলো বেতের তৈরি দোলনা বানায় আর এই গ্রামের এখনো সৌন্দর্য রয়েছে। কারণ যদি পুরনো জিনিস বাজারে দেখা যায় তাহলে বাজারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। কারণ সেই জিনিস গুলো দেখলে আমাদের সেই পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যায়। আমরা চাই এরকম পুরনো জিনিসে আরও সুন্দরভাবে তৈরি হতে থাকে তাহলে আরো ভাল লাগবে।
এখনো অনেক ধরনের পণ্য গুলো পাওয়া যায় এই বেতের তৈরী যা আমি অনেক আগেও দেখেছি। যে ছোট পরিমানে ডালি রয়েছে যেগুলো দিয়ে চাল বা অন্য কিছু মাটির ডাবর থেকে উঠানোর জন্য।আমি দাদির বাড়িতে আমি এরকম জিনিস দেখেছিলাম। কিন্তু কয়েকদিন আগেই এই পণ্যটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
আমার দাদার বাড়িতে ডাবর রয়েছে কয়েকটি মাটির এখনো অনেক সৌন্দর্য রয়েছে। তা ছাড়াও আরো অনেক কিছু ছিল আমাদের এই পুরনো জিনিসে ঐতিহ্যবাহি গুলো ধরে রাখতে হবে বাড়িতে। এবং সুন্দর যত্ন করে রেখে দেবো তবে সারা জীবনে অনেক সৌন্দর্য দেখাবে নিজ বাড়িত। সে জিনিস গুলো দেখলে অনেক পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যাবে। সত্যিই অসাধারণ ছিল সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহি জিনিস




বেতের তৈরি দুলানা, বা মোড়া, অনেক আকর্ষণীয়, যুগ যুগ ধরে মানুষ এগুলো ব্যবহার করে আসছে। আমাদের বাড়িতে বেতের তৈরি মোড়া ছিল।, তবে এখন তেমন একটা দেখা যায় না। অনেক সুন্দর লিখছেন অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
বাশ ও বেতের তৈরি এসব ছোট বাচ্চাদের দোলনা গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্য। তবে দিনদিন এইগুলো বিলুপ্তির পথে।বিশেষ করে বাঁশ বা বেঁতের তৈরি এসব জিনিসগুলো দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।খুব সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন আপনি ধন্যবাদ আপনাকে।
এই জিনিসগুলোর চাহিদা একসময় ব্যাপক আকারে ছিল। বর্তমানে এগুলো দেখা যায় তবে চাহিদা কম। আপনি লিখেছেন মোটামুটি ভালো কিন্তু লেখাগুলো সাজানো গোছানো না। পোস্ট কোয়ালিটি বৃদ্ধি করতে হবে। পোস্টে ছবির ব্যবহার গুলো ঠিকঠাক মতো করতে পারেননি। কমিউনিটি রুলস ফলো করেন।
বেতের তৈরি দোলনা নিয়ে অনেক সুন্দর একটা পোস্ট লিখেছেন। এই বেতের তৈরি দোলনা আমাদের গ্রাম অঞ্চলে তেমন একটা দেখা যায় না। এই দোলনা আমাদের ঐতিহ্য। সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
ঐতিহ্যেবাহী বেতের দোলানা আমাদের দিনাজপুর শহরে দেখা যায়। তবে গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার গুলোতে দেখতে পাওয়া। আপনার পোস্টে মার্কডাউন ব্যবহার করুন। জাস্টিফাই মার্কডাউন কোড ব্যবহার করবেন। পোস্ট অন্তত ৩০০ শব্দের হতে হবে। আপনার পোস্টের ছবিগুলো সব একই রকমের।