আর্টঃপুরাতন ট্রাঙ্ক এ রিক্সা পেইন্ট।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন। প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ১২ই জ্যৈষ্ঠ , ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , গ্রীষ্মকাল,২৬শে মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। আজ একটি রিক্সা পেইন্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ আর একটি নতুন ব্লগ নিয়ে হাজি্র হয়েছি। আজ একটি রিক্রা পেইন্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এই প্রথম আমি রিক্সা পেইন্ট করেছি।আর তা করেছি পুরাতন একটি ট্রাঙ্ক এ। অনেক পুরাতন এই ট্রাঙ্কটি। আমার বোন চাচ্ছিল সুন্দর ডিজাইন করে ট্রাঙ্কটিকে একটি শোপিস করার। যেহেতু আমি কিছুটা আঁকতে পারি তাই সেই দায়িত্ব পরলো আমার উপর। আর আমিও চেস্টা করলাম সুন্দরভাবে করার। অনেক ঘেটে এই ডিজাইনটি করেছি। তবে করার পর সবার বেশ পছন্দ হয়েছে। আমি প্রথমবার করেছি রিক্সা পেইন্টটি কেউ বিশ্বাসই করতে পারছে না। সবার প্রশংসা শুনে আমার বেশ ভালই লেগেছে। আশাকরি আপনাদেরো পছন্দ হবে রিক্সা পেইন্টটি।আজকের আর্টটি করতে ব্যবহার করেছি বিভিন্ন শেডের রং ও বিভিন্ন সাইজের তুলি সহ আরও কিছু উপকরণ হ। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক,আর্টটি করার বিভিন্ন ধাপ গুলো।
উপকরণ
১।পুরাতন ট্রাঙ্ক
২।বিভিন্ন সাইজের ব্রাশ
৩।বিভিন্ন শেডের রং
৪।সেন্ড পেপার
৫। বিভিন্ন সাইজের তুলি
অংকনের ধাপ সমুহ
ধাপ-১
প্রথমে পুরাতন ট্রাঙ্কটিকে সেন্ড পেপার দিয়ে ঘষে পরিস্কার করে মুছে সাদা রং করে নিয়েছি। এরপর পেন্সিল দিয়ে হালকা করে টিয়া পাখি ও ফুল এঁকে নিয়েছি। এরপর আকাঁর উপর রং করে নিয়েছি।
ধাপ-২
সম্পূর্ণ ডিজাইনটি রং করে নিয়েছি বিভিন্ন রং ব্যবহার করে।
ধাপ-৩
এরপর ট্রাঙ্ক এর চারপাশে ডিজাইনগুলো রং করে নিয়েছি বিভিন্ন রং ব্যবহার করে।
উপস্থাপন
আশাকরি ,আজকে পুরাতন ট্রাঙ্কে করা রিক্সা পেইন্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমার সবসময় চেষ্টা থাকে নতুন নতুন আর্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। আজ এই পর্যন্তই। আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন-নিরাপদে থাকুন।শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | আর্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Redmi Note A5 |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ২৬শে মে, ২০২৬ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ। |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।









Thanks.