ক্রিয়েটিভ রাইটিং || নক্ষত্রহীন রাতের পৃথিবী
আমার বাংলা ব্লগ
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সকলে খুব ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আসলাম। আজকে আপনাদের মাঝে আমি একটি ক্রিয়েটিভ রাইটিং পোস্ট শেয়ার করবো। আজকে আপনাদের সাথে ভবিষ্যতের শহর শেয়ার করবো। পূর্ববর্তী সময়ে আমি আপনাদের মাঝে ক্রিয়েটিভ রাইটিং শেয়ার করেছিলাম যা আপনাদের অনেক ভালো লেগেছিল৷ তাই আজকে আরো একটি ক্রিয়েটিভ রাইটিং আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
আমরা সকলেই জানি যে আমরা যেখানে বাস করি সেটি হচ্ছে নয় পৃথিবী৷ পৃথিবীর বাইরেও অনেকগুলো গ্রহ-নক্ষত্র রয়েছে যেগুলো মানুষের বাসযোগ্য নয়৷ তবে মানুষের বাসযোগ্য কোন কিছু বোঝার জন্য সবসময়ই বিজ্ঞানীরা তাদের কাজ চালু রেখেছে৷ তারা সবসময় তাদের কাজ চালাতে চালাতে মঙ্গল গ্রহ মানুষের বাসযোগ্য কিনা সেটা দেখার জন্য পরীক্ষা করছে৷ সব সময় তারা পরীক্ষা করে যাচ্ছে৷ আরো অনেকগুলো সফল হওয়ার কাজে তারা এগিয়ে যাচ্ছে৷ চাঁদেও অনেকবার গিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন কিছু তারা উদ্ভাবন করার চেষ্টা করছে৷ আর আজকের যে বিষয়টি আমি আপনার মাঝে শেয়ার করব আশা করি ভবিষ্যতের একটা সময় এটি হতে যাচ্ছে।
আর আমাদের এই পৃথিবীর এখন যে পরিস্থিতি এটি যেভাবে প্রথম অবস্থাতে ছিল সেটি যেভাবে ভালো ছিল৷ এখন এর অবস্থা একেবারে খারাপ হয়ে গিয়েছে অর্থাৎ পৃথিবীতে আগে যেভাবে মানুষজন বসবাস করত৷ যেভাবে সবকিছু খুব সুন্দরভাবে ছিল৷ পাখি পশু পাখি ও অনেক কিছুই ছিল৷ তবে ধীরে ধীরে সব কিছুই বিলুপ্ত হতে শুরু করেছে। প্রযুক্তির এই উন্নয়নের কারণে অনেক ধরনের সমস্যা প্রকৃতির মধ্যে পড়েছে৷ যার ফলে প্রকৃতির অনেক কিছুই ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে চলে গিয়েছে৷ আর প্রকৃতির এই ধ্বংস যদি আমরা দেখতে না চাই তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই সবকিছু খুব ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে৷ আমরা যত বেশি পরিমাণে প্রকৃতির ক্ষতি করব তত বেশি পরিমাণে আমরাই ক্ষতি সম্মুখীন হব।
আর এক্ষেত্রে পৃথিবী একটা সময় যেভাবে অনেক বেশি সুন্দর ছিল এবং পাখি সহ শুরু করে প্রকৃতির মধ্যে অনেক কিছুই ছিল যা এখনকার সময়ে কিছুই দেখা যায় না৷ শত শত বছর আগে যা কিছু অনেক বিপুল পরিমাণে ছিল সেগুলো এখন যেন একেবারেই নেই৷ একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে৷ আবার এমন কিছু জিনিস এবং কিছু স্মৃতি তৈরি হয়ে গিয়েছে যেগুলো আর কখনো ফিরে পাবার নয়। অতীতের যে সময় গুলো আমরা অতিবাহিত করেছিলাম সুন্দর প্রকৃতি ও সুন্দর সময় গুলো আমরা দেখেছিলাম সেগুলো এখন আর কোনভাবে যেন পাওয়ার নয়৷ সে ক্ষেত্রে আমরা যে সকল সময় অতিবাহিত করার পাশাপাশি সব কিছু করেছিলাম সবকিছুই যেন এখন একেবারে স্মৃতির মতো হয়ে গিয়েছে।
আর এভাবেই চলতে থাকলে পৃথিবী একটা সময় ধ্বংস হয়ে যাবে। পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার পেছনে একমাত্র দায়ী থাকবে মানুষ৷ মানুষের কারণে অনেক কিছু হয়ে থাকে৷ মানুষের কারণে যেভাবে অনেক উন্নতি সাধন হয়েছে তেমনি পৃথিবীর পশু পাখিরা যেরকম বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছে এবং প্রযুক্তির যেভাবে উন্নয়নের কারণে অনেক খারাপ সাইড ইফেক্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে সেটিও তারা বুঝতে পারছে৷ ধীরে ধীরে এগুলো তারা সুবিধা অর্জন করার পাশাপাশি যেসকল অসুবিধা থাকে সেটি পরীক্ষামূলকভাবে চেষ্টা করে থাকে৷ যার ফলে পরীক্ষা করতেই অনেক কিছুই ধ্বংস হয়ে যায়৷ আর পৃথিবীর যে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটিও বিভিন্ন ধরনের উন্নতির সাইড ইফেক্ট এর মতোই।
কারণ পৃথিবীতে এমন অনেক কিছুই রয়েছে যেগুলো প্রতিনিয়তই পৃথিবীকে উষ্ণ করে তুলছে৷ পৃথিবীকে উষ্ণ করার একমাত্র ক্ষতিকর দিক হচ্ছে যেসকল বরফের অঞ্চলগুলো রয়েছে সে থেকে বরফ গলে যাওয়া৷ বরফ যতো বেশি পরিমাণে গলতে শুরু করবে পৃথিবীর উষ্ণতা তত বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পেতেই থাকবে৷ পৃথিবীর উষ্ণতা একসময় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়ে যাবে যে পৃথিবী এতটাই উত্তপ্ত হয়ে থাকবে যে পৃথিবী আর বাসযোগ্য কোন কিছুই থাকবে না। আর এই থেকে এক সময় যদি এমন কিছু ঘটে যায় যে পৃথিবী একেবারেই বাসযোগ্য থাকবে না। পৃথিবীর এমন কিছু ঘটে যাবে যা হয়তো আর কখনোই কোন মানুষের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। পৃথিবীতে যদি কোন খারাপ ঘটনা বা এমন কোন বিস্ফোরণ ঘটে যায় পৃথিবী আর কোনোভাবেই পৃথিবী নামক কিছুতে থাকবে না।
আর পৃথিবীর এই যে আকাশ বাতাস রয়েছে সেগুলো যদি একেবারে বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং সব কিছু যদি একেবারে ধ্বংসের দিকে হয়ে পড়ে তখন এই পৃথিবী নামক কোন কিছুই আর থাকবে না৷ পৃথিবীতে যারা ছিল সব কিছুই যেন এক নিমিষে ধ্বংস হয়ে যাবে৷ আর আকাশের মত এত সুন্দর একটি জিনিস যখন কালো হয়ে যায় তখনই আমাদেরকে বুঝে নিতে হবে যে সবকিছু একেবারে ধ্বংসের দিকে চলে গিয়েছে৷ এই আকাশ যেরকম সুন্দর বাতাসও সুন্দর৷ আর এই সুন্দর আকাশ বাতাসের মধ্যে যখন সবকিছু ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে চলে যায় তখন আর কিছুই করার থাকে না৷ শুধু মাত্র ধ্বংসের অপেক্ষা করা৷ আর এই থেকেই বলা হলো যে নক্ষত্রহীন তারার সেই পৃথিবী।
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | ক্রিয়েটিভ রাইটিং |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @bijoy1 |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M34 5g |
| লোকেশন | ফেনী,বাংলাদেশ |
আজকে এই পর্যন্তই। আশাকরি আপনাদের সবার কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। নিজের যত্ন নিবেন। আপনাদের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রইল। ইনশা আল্লাহ দেখা হবে নতুন একটি পোস্টে।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ও ভালোবাসা রইল।
আমি কে?
🤍🖤আমি বাংলাদেশ থেকে আবদুল্লাহ আল সাইমুন। আমার ডাক নাম বিজয়। আমি একজন ছাত্র। আমি ফেনী জেলায় বসবাস করি। আমি এই প্ল্যাটফর্মের নিয়মিত ব্যবহারকারী। আমি এই প্ল্যাটফর্মে আমার কাজগুলো সবার সাথে শেয়ার করতে পছন্দ করি। আমি আশা করি ভবিষ্যতে এই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবো। আমি ঘুরতে পছন্দ করি। তার পাশাপাশি বাইক চালানো, ফটোগ্রাফি করা, বই পড়া, নতুন নতুন কাজ করা ইত্যাদি আমার অনেক ভালো লাগে। আমার স্টিমিট আইডির নাম @bijoy1 এবং আমার একই নামের একটি ডিসকর্ড অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সর্বশেষ একটাই কথা,বাঙালী হিসেবে আমি গর্বিত। তাই আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে সবসময় আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।❤️🌹







https://x.com/i/status/2000047359016018344
https://x.com/i/status/1999776420239933909
https://x.com/i/status/1999776676860068134
https://x.com/i/status/1999776688864149653