বর্তমানে বাংলাদেশে হাম রোগে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি: আমাদের সচেতনতা জরুরি
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আপনারা সবাই বেশ ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি নতুন এটি ব্লগ নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আমার ব্লগের বিষয় হলো ভ্রমণ। ভ্রমন করতে আমি বেশ পছন্দ করি। যদিও ব্যস্ততার কারনে সময় হয়ে উঠে না কোথাও বেড়াতে যাওয়ার। তবুও এরই ফাঁকে যতটুকু সময় পাই তখনই চেষ্টা করি কোথাও না কোথা বেড়াতে যাওয়ার। কারন ভ্রমন করলে যেমন মনটা শান্ত হয়ে যায় তেমন করে ভ্রমন করলে আবার প্রকৃতির কাছ থেকে অনেক কিছুই শেখা যায়। আর এই জন্যই আমাদের সবার উচিত মাঝে মাঝে ভ্রমনে বেড়িয়ে পড়া। আর তাই তো ভাবছি আমার ভ্রমনের ইতিহাস গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।

বর্তমানে বাংলাদেশে আবারও হাম রোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের মধ্যে হাম আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা অভিভাবকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও জনবহুল এলাকায় এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতার অভাব এবং অনেক শিশুর নিয়মিত টিকা না নেওয়ার কারণে হাম রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত শিশুর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে খুব সহজেই অন্য শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং পরে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেক সময় অভিভাবকরা এটিকে সাধারণ জ্বর ভেবে অবহেলা করেন। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা না হলে হাম ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি ও শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতা তৈরি হয়ে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
বাংলাদেশে যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে অথবা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারা হাম রোগে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার ও দুর্গম এলাকার শিশুরা অনেক সময় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া কিছু অভিভাবকের মধ্যে টিকা নিয়ে ভুল ধারণা থাকায় অনেক শিশু এখনো হাম প্রতিরোধী টিকা পায় না। এর ফলে রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের হাম ও রুবেলা টিকা প্রদান করছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের টিকা দেওয়ার জন্য কাজ করছেন। তারপরও কিছু পরিবার অসচেতনতার কারণে শিশুদের টিকা দিতে আগ্রহ দেখায় না। অথচ চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা নিলে হাম রোগ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
হাম প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, পরিবারের সচেতনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো এবং অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখা প্রয়োজন। কোনো শিশুর শরীরে হাম রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে এখনই সবাইকে সচেতন হতে হবে। কারণ একটি ছোট ভুল বা অবহেলা একটি শিশুর জীবন কেড়ে নিতে পারে। তাই প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব হলো শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করা এবং হাম রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই পারে বাংলাদেশে হাম রোগে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে।
জানিনা আমার আজকের ভ্রমন পোস্টটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে। আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | জেনারেল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Vivo y22s |
| পোস্ট তৈরি | @kawsar7731 |
| লোকেশন | ঢাকা , বাংলাদেশ |
পরিচিতি
আমি কাউছার আহমেদ। আমার ইউজার নাম @kawsar7731। আমি পেশায় একজন চাকুরী জীবি। ঘুরে বেড়াতে আর প্রিয় মানুষের সাথে হাসি মুখে কথা বলতে আমি বেশ পছন্দ করি। তবে সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের মজার মাজার গল্পের বই পড়তে, ফটোগ্রাফি করতে এবং গল্প করতে। নতুন কে আবিস্কার করা এবং নতুন কে নিয়ে এগিয়ে চলতেও আমি বেশ পছন্দ করি।
.png)
