দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি মানুষ, বেড়েছে মানুষরুপি মুখোশ।

in আমার বাংলা ব্লগlast year

হ্যালো সবাইকে

কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি মানুষ, বেড়েছে মানুষরুপি মুখোশ আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।

1000044888.jpg

আজকে আরেকটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম আসলে মাঝেমধ্যে অনেক বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করে থাকি এবং বিভিন্ন ধরনের কথা শেয়ার করে থাকি সে রকম একটি পোস্ট হচ্ছে আজকের এই পোস্টটি আমি আজকে আপনাদের মাঝে যে বিষয়টি নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করব সেই বিষয়টি হচ্ছে দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি মানুষ, বেড়েছে মানুষরুপি মুখোশ। আর এই কথাটা টা সে চিরন্তন একটি সত্য কথা। আগের তুলনায় বর্তমানে আমার দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি বেড়েছে। অনেক অনেক মানুষ আমাদের আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু তারা কি আসলেই মানুষ তাদেরকে আসলে মানুষ বলা যায়।

মানুষ নামে অনেক পশুর আমাদের সমাজে রয়েছে। তারা মানুষ হিসেবে জন্মালেও তাদের কর্মকান্ড মানুষের আওতায় পড়ে না। অমানবিক আচরণ করে তারা মানুষই মানুষের সাথে। মানুষের সাথে অন্যায় অত্যাচার করে মানুষ হয়ে মানুষকে অনেক কষ্ট দেয়। অবশ্যই মানুষের উপর এত অন্যায় অত্যাচার করা কি স্বাভাবিক। তাদেরকে কি আসলেই মানুষ বলে। আসলে মানুষ বর্তমানে পশুর চেয়েও খারাপ হয়ে গিয়েছে মানুষরূপী মানুষগুলো। টাকা পয়সা গাড়ি-বাড়ি ক্ষমতার লোভ হিংসা সবকিছু মানুষকে তার মানবিকতা মনুষত্ব থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়েছে। যার কারনে মানুষ একজন আরেকজনকে পেছনে ফেলে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে সেটাই চিন্তা করছে।

এগিয়ে যাবার পথে যদি বাধা সৃষ্টি হয় তাহলে মানুষ হয়ে আর একটা মানুষের প্রতি অন্যায় অত্যাচার করতে যে মানুষটার খুব ক্ষতি করতে দুবারো চিন্তা করে না। সে যে মানুষ হয়ে পশুর মতো আচরণ করছে সেটাও সে তখন বুঝতে পারে না। এরকম অনেকে মানুষ আমাদের চোখের সামনে রয়েছে। একটা মানুষ তার নিজের কথা ভাবতে গিয়ে অন্য মানুষদের প্রতি কতটা নির্মম আচরণ করেছে। মানুষের কম বেশি এরকম খারাপ কাজের কথা আমরা সবাই জানি। আমাদের আশেপাশে প্রায় অনেক মানুষই এরকম খারাপ কাজ করে থাকে নিজেদের জন্য। নিজেকে ভালো থাকার জন্য এরকম দৃষ্টান্ত আমরা সবাই দেখতে পাই। কিন্তু মানুষের কাজ কি আসলেই এটা ছিল।

মানুষ হচ্ছে সৃষ্টির সেরা জীব। সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে সবথেকে বেশি নিকৃষ্টতম কাজ মানুষেরা করে থাকে। প্রত্যেকটা মানুষই খুবই সুন্দরভাবে পৃথিবীর এই জীবনটা কাটিয়ে দিতে। পরিবার পরিজন নিয়ে সবকিছু নিয়ে তারা সুন্দরভাবে জীবনটা কাটাতে চায়। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ রয়েছে যে সুন্দরভাবে থাকার নেশা তাদেরকে এত বেশি আসক্ত করে ফেলেছে সেই স্বাধীনভাবে সুন্দরভাবে চলতে গিয়ে অন্য মানুষের স্বাধীনতায় এবং ভালো থাকে যে হস্তক্ষেপ করছে সেটা সেটা জেনেও সেরকমটাই করতে থাকে। এবং অন্যায় করতে থাকা মানুষগুলো যদি সরল মনের হয় এবং দুর্বল হয়ে থাকে তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। খারাপ আচরণ করতে করতে একটা সময় পশুর রূপ ধারণ করে।

আর প্রত্যেকটা মানুষের বর্তমানে মুখোশ পড়ে থাকি। ভালো মানুষ হওয়ার মুখোশ পড়ে থাকে। সবার কাছেই সে ভালো হয়ে থাকতে চায় কিন্তু কাজকর্ম সবই খারাপ। কিন্তু মানুষের তো মুখোশ করার প্রয়োজন পড়ে না। সে তো চাইলেই সুন্দরভাবে চলাফেরা করে সঠিকভাবে জীবন যাপন করে নিজেকে মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতে পারে। যাইহোক মানুষেরই ভালো থাকার মুখোশ করে থাকা নিয়ে যত কথাই বলবো ততই কম হয়ে যাবে। আজকে এই পর্যন্তই আপনাদের মাঝে কিছু কথা শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার আজকের এই পোস্টটি ভাল লাগবে।

পোস্ট বিবরণ

শ্রেণীজেনারেল
ফটোগ্রাফার@fasoniya
ডিভাইসVivo Y15s
লোকেশনবাংলাদেশ


আমার পরিচয়

1664774022741.jpg

আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।


1 (1).png

IMG-20221013-WA0015.jpg

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 last year 

আমার দেখা বেশিরভাগ মানুষ যখন গরিব থেকে বড়লোক হয়ে যায় তখন তারা নিজেদেরকে আর মানুষ ভাবে না মনে হয় কত বড় কিছু হয়ে গেছে। কিন্তু তারা এটাই বুঝতে পারে না যে তাদের আচরণ দেখে অন্য মানুষরা পছন্দ করেনা। আপনি ঠিকই বলেছেন আপু দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও সরল সঠিক মানুষ খুব কমই বেড়েছে। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করতে করতে পুরোটাই অমানুষ হয়ে গেছে। আপনার পোস্ট পড়ে বেশ ভালো লাগলো আপু অনেক সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন আজকে। ধন্যবাদ আপু।

 last year 

হাজার মানুষের ভিড়েও সঠিক মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যি অনেক মুশকিল। আসলে মুখোশের আড়ালে মানুষরূপী কিছু পশু লুকিয়ে থাকে। তাদেরকে চেনা খুবই কঠিন। আপু আপনি দারুন ভাবে এই বিষয়গুলো নিয়ে লিখেছেন। অনেক ভালো লাগলো আপনার পোস্ট পড়ে।

 last year 

আসলে প্রকৃতপক্ষে মানুষ এক জিনিস আর জনসংখ্যা আরেক জিনিস। প্রকৃতপক্ষে মানুষ সব সময় সঠিক পথে চলে মানুষকে সঠিক পথ দেখায়। কিন্তু সকল জনগণ এর মধ্যে সেই বোধশক্তি থাকে না।

 last year 

দেশে জনসংখ্যা বাড়লেওমানুষ বাড়েনি, বেড়েছে মানুষরূপী মুখোশ,কথাটি ১০০০% সত্য এবং সঠিক।আমাদের চারপাশে মানুষরূপী পশুর আনাগোনা বেড়ে গেছে।তারা সব সময় অন্যের ক্ষতি করার জন্যই প্রস্তুত হয়ে থাকে।কেউ উপরে উঠতে চাইলে পা টেনে নিচে নামিয়ে ফেলে।অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন তাদের দ্বারাই সংঘটিত হয়।আমরা সবাই যদি মানুষ হতে পারতাম তাহলে অনেক সুন্দর একটি পৃথিবী আমরা পেতাম।কিন্তু আফসোস খুব অল্প সংখ্যকই আমরা মানুষ হতে পেরেছি।যাইহোক এত সুন্দর একটি টপিক নিয়ে আমাদের মাঝে এত সুন্দর আলোচনা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

 last year 

আসলেই দিন দিন জনসংখ্যার বৃদ্ধি হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত মানুষের সংখ্যা নয় বরং অমানুষের সংখ্যা বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চারদিকে যেন মানুষ রুপী মুখোশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রত্যেকটা মানুষ এখন মুখোশ পড়ে থাকে। একটা মানুষ আসলে কি রকম এটাই এখন আর কেউ বুঝতে পারে না। বাস্তবিক একটা টপিক তুলে ধরেছেন আপনি এটার মধ্যে।

 last year 

জি আপু ঠিক বলেছেন, দিন দিন পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু মানুষ বাড়ছে কয়জন। আমাদের দেশেও জনসংখ্যার অভাব নেই। তবে আমাদের দেশে খাঁটি মানুষের খুবই অভাব। যাই হোক আপনার ব্লগটি পড়ে ভালোই লেগেছে। ধন্যবাদ।