ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎসব২০২৫

in আমার বাংলা ব্লগ11 months ago (edited)

আজ--১৯ মাঘ | ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |রবিবার | শীতকাল|



আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।


আজ আমি আপনাদের মাঝে আমার ভার্সিটিতে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও তারুণ্য উৎসব এর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে আমি খুবই সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলাম সেই ব্যাপারটা নিয়েই নতুন একটা পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আশা করছি আমার এই পোস্ট আপনাদের সবার ভালো লাগবে।



  • প্রিয় কমিউনিটি,আমার বাংলা ব্লগ
  • ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎস-২০২৫
  • আজ--১৯মাঘ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  • রবিবার


তো চলুন শুরু করা যাক...!


শুভ দুপুর সবাইকে......!!


Picsart_25-02-01_11-57-35-366.jpg

কভার ফটো তৈরিতে--@jibon47



বছরের নির্দিষ্ট একটা সময়ে প্রায় প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই অনেক রকমের উৎসব আয়োজন করা হয়। এই উৎসবের মধ্যে অনেকেই নিজের মধ্যে থাকা লুকায়িত প্রতিভা গুলো অন্যের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করে। আমি মনে করি প্রত্যেকটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এরকম ভাবে ছোট ছোট উৎসবের আয়োজন করাটা অত্যন্ত জরুরী এতে করে নিজের ভেতরের লুকায়িত প্রতিভা সহ অন্যদের অনেক রকমের প্রচেষ্টার ফলে যেই সকল নতুন জিনিসের উদ্ভাবন ঘটে সেটা দিয়ে অনেকেই অনেক কিছু শিখতে পারে জানতে পারে এবং বুঝতে পারে। মাঝে মাঝে নিজের মনের ভেতরে অনেকেরই অনেক রকম প্রতিভা লুকায়িত থাকে এগুলো হয়তোবা তারা সে রকম ভাবে প্রকাশ করতে পারে না আবার প্রকাশ করলেও সে রকম ভালো কোন মাধ্যম নেই যেই মাধ্যমে তারা সেটা প্রকাশ করে বিশ্ব দরবারে কিছুটা হলেও আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারবে। বাংলাদেশের ভার্সিটিগুলোতে এরকম অনেক রকমের প্রক্রিয়া রয়েছে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেকেই অনেক রকমের সৃজনশীলতা এবং কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিজ এর মাধ্যমে নিজের মেধাবীকাসকে জাগ্রত করছে এটা আমার কাছে বরাবরই অনেক বেশি ভালো লাগে এবং আমি এটা করতেও অনেক বেশি ভালোবাসি। নতুন কোন কিছু শেখা সেই সাথে নতুন কোন কিছু করার মাঝে অনেক আনন্দ রয়েছে।

কিছুদিন আগেই আমাদের ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎসব মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। সেটা দুদিন ব্যাপী হয়েছিল, তারুণ্য বলতে আমরা আসলে কি বুঝি সে ব্যাপারে একটু জেনে নেওয়া যাক, তারুণ্য হল এমন একটা জিনিস যার মাধ্যমে মানুষেরা নিজের সৃজনশীলতা অন্যদের মাঝে খুব সহজেই তুলে ধরতে পারে এবং অন্যের মাঝে তুলে ধরে নিজের মেধাবী বিকাশকে জাগ্রত করতে পারে। তারুণ্য উৎসবের ফলে অনেক শিক্ষার্থী নিজের ইচ্ছাই অনেক কিছু তৈরি করে নিজেকে কিছুটা হলেও উপস্থাপন করতে পারে এতে করে তার মনের ভেতরের সংশয় অনেকটাই দূর হয়ে যায়। যাইহোক গত বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার এই দুদিনব্যাপী আমাদের ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎসব মেলার আয়োজন করা হয়েছিল প্রত্যেক বছরেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয় তবে এবারের উৎসব টা একটু ভিন্ন ধরনের ছিল মানে আগের থেকে অনেকটাই জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল যেটা ভার্সিটিতে গিয়েই বুঝেছিলাম। যাইহোক অনেকদিন ধরেই শুনছিলাম যে ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎসব মেলা হবে তবে খুব ইচ্ছে ছিল শুক্রবারে যদি মেলাটা হয় তাহলে অনেক বেশি মজা হবে।

কর্তৃপক্ষ ঠিক সে রকম ভাবেই বৃহস্পতি এবং শুক্রবার এই দুদিন মেলার টাইম দেওয়া হয়। শুক্রবার খুব সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই ভার্সিটিতে চলে গিয়েছিলাম। ভার্সিটিতে গিয়ে দেখি পুরো গ্রাউন্ড ফ্লোর খুবই চমৎকারভাবে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন রকমের আলোকসজ্জা সহ পুরো গ্রাউন্ড ফ্লোর বেলুন দিয়ে ডেকোরেশন করা হয়েছে সেই সাথে মনে হচ্ছে ব্যাকগ্রাউন্ড ফ্লোরটা আগের থেকে অনেক বেশি সুন্দর লাগছে। আর ছোট একটা কম্পিউটার বক্সে অনেক সুন্দর সুন্দর গান বাজছে তবে বুঝতেই পারছিলাম না যে আসলে কোন পাশ থেকে গানের আওয়াজ আসছে। ভার্সিটির গেটের সামনে গিয়েই বুঝতে পারি আয়োজনটা অনেক বেশি জাকজমক অন্যভাবেই করা হচ্ছে। ভেতরে প্রবেশ করাতেই মনটা অনেক বেশি ভালো হয়ে গেল কারণ পুরো গ্রাউন্ড ফ্লোরে ছোট ছোট করে প্রায় ৭ থেকে ৮ টা দোকান বসেছে দোকান বলতে এটা শিক্ষার্থীরা তৈরি করেছে। এক এক দোকানের এক এক রকম নাম নাম গুলো বেশ সুন্দর ছিল এবং নামগুলো একদমই আলাদা একে অন্যের থেকে।

IMG20250124065807.jpg

IMG20250124065721.jpg

IMG20250124131120.jpg

IMG20250124131323.jpg

IMG20250124151633.jpg

IMG20250124151733.jpg

যে যেরকম জিনিস তৈরি করেছে তার দোকানের নাম সেরকম ভাবেই রাখা হয়েছে। সত্যি বলতে এর আগে তারুণ্য উৎসব মেলায় এসেছি তবে এবারের মতো এরকম ভাবে জাঁকজমকপূর্ণভাবে কখনোই মেলার আয়োজন করা হয়নি আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগছিল। এরপরে আমরা যথারীতি ক্লাসে চলে গিয়েছিলাম কারণ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে আমাদের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল আবার শেষ হবার কথা ছিল দুপুর সাড়ে বারোটায় আমরা একটানা তিনটা ক্লাস করে সাড়ে বারোটায় বের হয়ে আসি রুম থেকে। কখনো অনুষ্ঠানের আয়োজনটা সেইরকম ভাবে শুরু হয়নি মূলত অনুষ্ঠান শুরু হবে শুক্রবার নামাজের পর থেকে অর্থাৎ দুপুর দুইটা থেকে পুরোদমে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। দুপুরের পরও আমাদের আরেকটা ক্লাস ছিল আমরা ক্লাস শেষ করে বিকেল সাড়ে চারটার সময় গ্রাউন্ড ফ্লোরে এসে জড়ো হই মূলত শুক্রবার ব্যাচের সকলেরই বিকেলের দিকেই ক্লাসের টাইম শেষ হয় যখন চারটা বেজে গেল তখন পুরো গ্রাউন্ড ফ্লোরে লোকে ভরে গিয়েছিল কোথাও দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না, এত বেশি জ্যাম হয়ে গিয়েছিল।

প্রত্যেকটা দোকানের সামনে এত বেশি ভিড় ছিল যে কোন কিছু যে গিয়ে দেখবো সেটা দেখার মত কোন অবস্থায় ছিলাম না একই জায়গাতে একদম স্ট্যাচুর মত দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ। এরপরে ভাবলাম যে এরকম ভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে হয়তো বা সব সময় দাঁড়িয়েই থাকা হবে কোথাও যাওয়া হবে না আস্তে আস্তে আমরা তিন থেকে চার জন এদিকে ওদিকে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু কোনোভাবেই যেতে পারছিলাম না সেই সাথে শীতের তীব্রতা থাকলেও তখন এত বেশি গরম লাগছিল যে আপনাদেরকে বলে বোঝাতে পারবো না একদম ঘেমে গিয়েছিলাম। এরপরেও আস্তে আস্তে এদিকে ওদিকে বিভিন্ন দোকানে গিয়েছিলাম গিয়ে দেখেছিলাম অনেকেই অনেক মজাদার মজাদার খাবারের রেসিপি তৈরি করেছে মূলত এই তারুণ্য মেলায় বেশিরভাগ দোকানেই অনেক মজাদার মজাদার রেসিপি পিঠা তৈরি করে নিয়ে আসা হয়েছে এবং সেগুলো তারা বিক্রি করছে শিক্ষার্থীদের নিকট।

IMG20250124130829.jpg

IMG20250124130834.jpg

IMG20250124130938.jpg

IMG20250124131039.jpg

IMG20250124131051.jpg

IMG20250124131217.jpg

এই খাবারগুলো যে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীরা কিনছে তা কিন্তু নয় শিক্ষকেরা ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য হলেও তাদের কাছে আসছে তাদের সঙ্গে কথা বলছে এবং তাদের খাবার খাচ্ছে সেই সাথে তাদের প্রশংসাও করছে বটে। এই খাবারগুলো সবথেকে বেশি কারা পছন্দ করছে শুনবেন...?? যারা আমার মত ব্যাচেলর যারা কিনা মাসের পর মাস ঢাকায় থাকে বাসায় যাওয়ার মত সময় হয়ে ওঠে না আর এখানে যেই পিঠাগুলো তৈরি করা হয়েছে এগুলো মূলত বাসায় তৈরি করা হয় অনেক রকমের চিতই পিঠা পুলি পিঠা সারা পিঠা পাটিসাপটা সহ অন্যান্য অনেক রকমের নাম না জানা যত মজাদার পিঠা রয়েছে, সেই পিঠাগুলোই তারা তৈরি করে নিয়ে এসেছে এবং তারা পিঠা বিক্রির মাধ্যমে তারুণ্য উৎসব মেলায় এটেন্ড করেছে। এই ব্যাপারটা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে যে সকলেই নিজের জায়গা থেকে সাধ্যমত চেষ্টা করেছে ভিন্ন কিছু নিয়ে উপস্থিত হওয়ার।

যেহেতু অনেকদিন হলো বাসায় যাওয়া হয় না আর বাসায় না গেলে এরকম মজাদার মজাদার পিঠা খাওয়াও হয় না। আর সত্যি বলতে শহরে এরকম মজাদার পিঠা একসাথে আপনি কখনোই পাবেন না শহরে শুধুমাত্র তেলে ভাজি পিঠা ভাপা পিঠা এগুলোই পাওয়া যায় কিন্তু এমন কিছু কিছু পিঠা আছে যেগুলো আসলে শহরে খুব একটা বেশি পাওয়া যায় না আর যেহেতু বিকেল হয়ে গিয়েছিল যার কারণে আমার অনেকটাই ক্ষুধা পেয়েছিল, আমি কিছু ইউনিক ধরনের পিঠার স্বাদ গ্রহণ করেছিলাম সেই সাথে বন্ধুদেরও খাইয়ে ছিলাম ভীষণ ভালো লেগেছিল এবং পিঠাগুলো আসলেই অনেক বেশি সুস্বাদু ছিল। সন্ধ্যা হবার সঙ্গে সঙ্গেই ভার্সিটি থেকে বের হয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেই সেদিন আসলেই অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলাম ভার্সিটিতে। এটাই ছিল আমার আজকের পোস্ট আশা করছি আমার এই পোস্ট আপনাদের অনেক বেশি ভালো লেগেছে, আজ আর নয় এখানেই শেষ করছি, সকলেই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ধন্যবাদ সকলকে...!!



সমাপ্ত


আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্ট খুবই ভালো লেগেছে। আমার এই পোস্ট পরে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন বলে আশা রাখি। আপনার সুন্দর মন্তব্যই আমার কাজ করার অনুপ্রেরণা

বিবরণ
বিভাগজেনারেল রাইটিং
বিষয়ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎস-২০২৫।
পোস্ট এর কারিগর@jibon47
অবস্থান[সংযুক্তি]source


এটাই আমি..!!

IMG_5290-01.jpeg

আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নেম @jibon47। আমি মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আব্বু আম্মু আর ছোট বোনকে নিয়েই আমার পরিবার। এই তিনজন মানুষকে কেন্দ্র করেই আমার পৃথিবী।একসাথে সবাইকে খুশি করা তো সম্ভব নয়, তারপরও আমি চেষ্টা করি পরিবারের সবাইকে খুশি রাখার। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে।আমি বর্তমানে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং লেখাপড়া করছি। আমি গান গাইতে, কবিতা লিখতে, এবং ভাই ব্রাদারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে অনেক বেশি ভালোবাসি। সত্যি বলতে আমি প্রচন্ড রকমের অভিমানী, হতে পারে এটা আমার একটা বদ অভ্যাস। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব,"আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি।



সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
@jibon47



VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

Sort:  
 11 months ago 
Screenshot_2025-02-02-13-22-18-93_0b2fce7a16bf2b728d6ffa28c8d60efb.jpgScreenshot_2025-02-02-13-29-06-90_40deb401b9ffe8e1df2f1cc5ba480b12.jpgScreenshot_2025-02-02-13-30-05-51_40deb401b9ffe8e1df2f1cc5ba480b12.jpg
 11 months ago 

@jibon47, আপনার টাইটেলে ছোট একটি বানান ভুল আছে। উৎসবের জায়গায় উৎস হয়ে গিয়েছে। বানানটা ঠিক করে নেবেন এডিট করে দ্রুত।

 11 months ago 

কিছুদিন আগে আমাদের ক্যাম্পাসে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে এরকম বিভিন্ন পিঠার মজার খাবারের স্টল দিয়েছিলাম। তবে এরকম তারুণ্য মেলায় কখনো যাওয়া হয়নি। আপনাদের ভার্সিটিতে খুব সুন্দরভাবে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ভালো লাগলো ডেকোরেশন গুলো দেখে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।

 11 months ago 

কয়েকদিন আগে আমারও কলেজে তারুণ্যের উৎসব হয়েছে। আসলে কলেজে কোন প্রোগ্রাম হলে সেখানে উপস্থিত থাকলে অনেক কিছুর অভিজ্ঞতা এবং আনন্দময় মুহূর্ত কাটানো যায়। আপনাদের কলেজের মতই আমরাও পিঠার স্টল দিয়েছিলাম। শীতকালীন পিঠা খেতে অবশ্য ভালই লাগে। আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া।

 11 months ago 

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের উৎসব ও মেলা লক্ষ্য করা যায়। আপনাদের ভার্সিটিতে ঠিক তেমনি তারুণ্য উৎসব। যেখানে বিভিন্ন ধরনের রেসিপির আয়োজন। তবে এটা সত্য এমন উৎসব হলে বিভিন্ন ধরনের পিঠা খেতে পারা যায়। একটা জিনিস আমার দৃষ্টিতে বাধলো ফটোগ্রাফির ওখানে মুরুব্বী মুরুব্বী লেখা রয়েছে। বর্তমান সময়ের ভাইরাল একটা শব্দ।

 11 months ago 

কয়েকদিন আগে লালমনিরহাট স্কুলে তারুণ্যের উৎসব হয়েছিল।আমি দেখতে গিয়েছিলাম বেশ ভালো লেগেছিল আমার।এই ধরনের উৎসব দেখতে গেলে অনেক কিছুই দেখা হয় অনেক কিছুর অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় বেশ ভালোই লাগে।আপনাদের ভার্সিটিতে খুব সুন্দরভাবে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে দেখে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে

 11 months ago 

ভার্সিটিতে তারুণ্য উৎসবে বেশ সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করেছেন ভাই। আপনাদের ভার্সিটিতে খুব সুন্দর ভাবে তারুণ্য উৎসবের এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। দেখে খুব ভালো লাগলো ভাই। পিঠার স্টল, ফানি কথাবার্তায় লেখা দেখে দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।