সিলেট ভ্রমণ (পর্ব-০৩)। || by @kazi-raihan
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@kazi-raihan বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -২৮শে চৈত্র | ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | শনিবার | বসন্তকাল |
আমি কাজী রায়হান,আমার ইউজার নাম @kazi-raihan।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
গত সপ্তাহে সিলেট ভ্রমণ কেন্দ্র করে দ্বিতীয় পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। আর আজকে সিলেট ভ্রমণের তৃতীয় পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করব। দ্বিতীয় পর্বে শেয়ার করেছিলাম মাঝরাতে আমরা ট্রেনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলাম কেননা ঢাকা থেকে সকাল বেলায় সিলেটের উদ্দেশ্যে ট্রেন ছেড়ে যাবে। ট্রেনের ভোররাত্রে আমরা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে গেলাম। সবাই ট্রেন থেকে নেমে হোটেল থেকে কিছু খাবার কিনে নিয়ে আসলাম কারণ ট্রেন থেকে নামার পরে আমাদের হাতে আর খুব বেশি সময় ছিল না। যদি হোটেলে বসে খেতে যাই সে ক্ষেত্রে হয়তো বা আমরা ট্রেন মিস করবো তাই খুব বেশি দেরি না করে হোটেল থেকে খাবার গুলো পার্সেল করে নিয়ে ট্রেনে উঠে পড়লাম।
যখন আমরা সিলেটগামী ট্রেনে উঠে পড়লাম তখন তুলনামূলক সবাই কিছুটা ক্লান্ত ছিলাম তাই আর খুব বেশি সময় না নিয়ে সবাই ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা কমপ্লিট করলাম। সকালের নাস্তা কমপ্লিট করতেই আমরা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে গেলাম। বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর পরে তুলনামূলক ট্রেনের সবগুলো সিট পুরোপুরি পরিপূর্ণ হয়ে গেল। বুঝলাম হয়তো বা ট্রেন আর তাড়াতাড়ি আশপাশের স্টেশনে থামবে না। যেহেতু মাঝরাতে আমরা ট্রেনে উঠেছি আবার ট্রেনে ওঠার পরে একজন ব্যক্তিকে একটি সিট ছেড়ে দিয়েছিলাম কারণ সে ব্যক্তি টা অসুস্থ ছিল যার কারণে সবাই গল্প করেই রাত পার করেছি। সকাল বেলার ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া টা বেশ ভালই লাগছিল রাতের বেলায় একটু গরম গরম অনুভব হলেও সকালবেলা ঠান্ডা আবহাওয়াটা দারুন লাগছিল তাই সকালের নাস্তা কমপ্লিট করেই সবাই ঘুমে আক্রান্ত হয়ে গেলাম। বেশ ভালোই ঘুম হলো যদিও এর মাঝে একটা মজার কাহিনী ঘটেছিল সেটা সিক্রেট রাখার জন্য শেয়ার করিনি।
মজার বিষয় লম্বা ঘুম দেওয়ার পরে দেখলাম ট্রেনের যাত্রী সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে এমন অবস্থা যেন মনে হচ্ছিল এটা একটা লোকাল ট্রেন। হয়তোবা বিশেষ কোনো দিনের কারণে ট্রেনে এতটা ভিড় হয়েছিল যাইহোক বেশি ভিড় থাকার কারণে আর বাইরে যাওয়া হয়নি আর তেমন কোন ছবি তোলা হয়নি কানে হেডফোন লাগিয়ে আবার লম্বা ঘুম দিয়ে সোজা সিলেট পৌঁছলাম। আমরাও যখন সিলেট পৌঁছালাম তখন দুপুর একটা বাজে। সেখান থেকে আমাদের পরবর্তী গন্তব্য স্থল ছিল সিলেট ক্যান্টনমেন্ট। সাগর ভাইয়ের ফুফা সেখানে চাকরি করে এবং তারা সপরিবারে সেখানেই থাকে আর আমরা সবাই মিলে তাদের বাসায় উঠবো। সেখানে নামার পরে বাসায় যাওয়ার বিস্তারিত লোকেশন আমাদেরকে জানিয়ে দিলেন আর আমরা সেই লোকেশনে অনুযায়ী যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে স্টেশন থেকে রওনা হলাম। স্বাভাবিকভাবেই পৌঁছে গেলাম বেশ ভালই লাগছিল সিলেটের পরিবেশটা দারুন।
ক্যান্টনমেন্ট থেকে সোজা আমরা এখানকার সেনাবাহিনীর কোয়ার্টারে গিয়ে উঠলাম। গিয়ে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া শেষ করলাম। মোটামুটি সবাই জার্নি করেছে সেই সাথে ফ্রেশ হয়ে দুপুরবেলায় ভর পেট খাওয়া দাওয়ার পরে সবার প্রচন্ড ঘুম চেপেছে সত্যি বলতে তুলনামূলক আমার যেন বেশি ঘুম পাচ্ছিল তাই আর নিজের চোখ ভরে রাখতে পারলাম না সোজা ঘুমের দেশে হারিয়ে গেলাম। প্রথম দিন বলা চলে ঘুমিয়ে শেষ করে দিলাম রাতের বেলায় ঘুম থেকে উঠে সবাই ছাদে গিয়ে নিজেদের মতো আড্ডা দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম।
পরবর্তী দিন সকালবেলা উঠে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল জাফলং। আমরা ক্যান্টনমেন্ট থেকে একটি ইজিবাইকে সোজা মেইন গেটের সামনে গেলাম আর ইজি বাইকের যে ড্রাইভার ছিল তিনি আমাদেরকে আবার আলাদা একটি গাড়ি ঠিক করে দিলেন আর সেই গাড়িতে করেই আমরা জাফলং এর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। হ্যাঁ জাফলং এর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর আরও কিছু মজার ঘটনা আছে তবে সেই মজার ঘটনাটা যদি জানার ইচ্ছা থাকে সেক্ষেত্রে একটু ধৈর্য ধরতে হবে হ্যাঁ পরবর্তী পর্ব পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
| ⬇️📥 | ⬇️📥 |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung galaxy A52 |
| ফটোগ্রাফার | @kazi-raihan |
| লোকেশন | |
| সময় | এপ্রিল,২০২৫ |
এই ছিল আমার আজকের আয়োজনে।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
ভালো থাকবেন সবাই , আল্লাহ হাফেজ👋।
সবাই ভালোবাসা নিবেন 💚🌹
ইতি,
@kazi-raihan
আমার পরিচয়
আমি কাজী রায়হান। আমি একজন ছাত্র। আমি বাংলাদেশে বাস করি। আমি কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে লেখাপড়া করছি। আমি ফটোগ্রাফি করতে, গল্প লিখতে ও বাইক নিয়ে ঘুরতে খুবই ভালোবাসি। মনের অনুভূতির ডাকে সাড়া দিয়ে কবিতা লিখতে পছন্দ করি। সেই সাথে যে কোনো নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে পছন্দ করি। আমি ভালোবাসি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করতে।


VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |






















Daily Tasks.
Link 🔗
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910615795396469176?t=UoW0nDX4jmo7BenH3ZrY0A&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910616138163298719?t=a_tWlO47M6kYC4W4vjK9HA&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910616473028223204?t=ISCDqJNMTKUkHj64IrU0bA&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910616825735586083?t=Wa1w9Jahzsw01lx-Hu_BGg&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910617225779962343?t=1689FtNlU-MNVHOGh6K9rw&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910617729192649069?t=HM7ub95-_BSBf4uJd7r28g&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910618997160370635?t=AIMio18CHtbyWx3vQydU6A&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910619418629202033?t=L1ujRP1QTdR-bXWCNLUvVg&s=19
https://x.com/KaziRai39057271/status/1910697824939086190?t=RTrsuRU7jnWiIJ2UUQMaBg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ভ্রমণ জাতীয় পোস্টগুলো সব সময় আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। আমি জানি ভ্রমণ করলেও অনেক কিছু সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় এবং সেই অভিজ্ঞতার বিষয়গুলো অন্যদের মাঝে উপস্থাপন করা যায়। ঠিক সেভাবেই আপনি সিলেট ভ্রমণের বিষয়গুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এই পোষ্টের মধ্য থেকে অনেক কিছু দেখার ও জানার সুযোগ পেয়ে গেলাম।
অসাধারণভাবে বর্ণনা করেছেন আপনার সিলেট ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। লেখার মধ্যে যেন এক ধরনের জীবন্ত ছবি ভেসে উঠছে—কমলাপুর রেলস্টেশনের কোলাহল, ভোরের হালকা ঠান্ডা, পার্সেল করা নাস্তার তাড়াহুড়া, আর ট্রেনের জানালার পাশ দিয়ে দৌড়ানো দৃশ্যগুলো যেন চোখের সামনে চলে আসে। বিশেষ করে অসুস্থ যাত্রীকে সিট ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাটি আপনার দলের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে, যা খুবই প্রশংসনীয়।