Movie review:- ফিল্ম-থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার! || 22/05/2021||
হেলোওও!!আসসালামু আলাইকুম।ভালো আছেন আপনারা সবাই?আশা করছি সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় সবাই খুব খুব ভালো আছেন।
আজকের স্টিম-বাংলাদেশ কমিউনিটির ডেইলি কনটেস্ট এর জন্য নির্বাচিত টপ পোস্ট হলো "মুভি রিভিও"।
🔘 " থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার"🔘
sourceকিছু আলাপচারিতাঃ
এই মুভি বা টেলিফিল্ম টি হলো একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।এবং এই টেলিফিল্ম এর পরিচালক হলেন, স্বনামধন্য 'মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী'।আমার সবাই ই জানি উনি কোন মাপের পরিচালক।আসলে আমি অন্তত ছোটো বেলা থেকেই দেখেই খুব কম চলচ্চিত্র ই ফ্লপ হয়। বেশিরভাগ ছবিই ন্যাশনাল/ইন্টারন্যাশনাল এওয়ার্ড প্রাপ্ত।
তাহলে আজকের রিভিউটি শুরু করা যায়,
টেলিফিল্মটির তথ্যাদিঃ
- ১. পরিচালকঃ মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী।
- ২. প্রযোজকঃ ইবনে হাসান খান
ফরিদুর রেজা সাগর - ৩. মেইন অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ তিশা,তপু,মোশাররফ করিম,আবুল হায়াত,রানী সরকার,শুভেচ্ছা,এশা।
- ৪. রচয়িতাঃমোস্তফা সরওয়ার ফারুকী
- ৫. সুরকারঃ রেজাউল করিম লিমন
- ৬. সম্পাদকঃ তিতাস সাহা
- ৭. চিত্রগ্রাহকঃ সুব্রত রিপন
- ৮. পরিবেশকঃ ইম্প্রেস টেলিফিল্ম
- ৯. মুক্তিঃ ২০০৯,ডিসেম্বর ১১
- ১০. ভাষাঃ বাংলা ভাষা
- ১১. ফিল্মটির দৈর্ঘ্যঃ ১০৯ মিনিট
- ১২. দেশঃবাংলাদেশ
টেলিফিল্মটির কাহিনীচিত্রঃ
source‼️ওয়ার্নিংঃকাহিনীর সম্পূর্ণ বর্ণনা নিম্নে রয়েছে।
প্রথম দৃশ্যে দেখায় রুবা ও মুন্না লিভ টুগেদার করছিলো পরে মুন্নার ফ্যামিলি ব্যাপারটা জানলে তারা মুন্নার ফ্যামিলির সাথেই থাকা শুরু করে দেয়।এরপরের দৃশ্যে দেখায় মুন্না মদ্যপ অবস্থায় এক বন্ধুকে খুন করে ফেলে যার ফলে তার যাবৎজীবন সাজা হয়।তাই রুবা কে মুন্নার বাবা ঘরে রাখেনি।
এদিকে রুবা মায়ের সাথেও থাকবে না কারণ তার মা প্রেম করে পালিয়ে গিয়েছিলো,রুবার বিশ্বাস তাই তার বাবা মারা গেছে।তাই সে মাকে ঘৃণা করে।
একটা সময় রুবা তার খালাতো বোনের বাসায় উঠলেও,বোনের শাশুড়ির জন্য ওই বাসা ও ছাড়তে হয়।তাই রুবা ঢাকায় এসে চাকরি ও বাসা খুজতে থাকে।এতে সে বুঝে শহরের অলিগলিতে একটি মেয়ে কতটা অনিরাপদ।
এই টানাপোড়ন এ রুবার ছোট্ট বেলার বন্ধু তপুর কথা মনে পড়ে।টুইস্ট হলো আমাদের বাস্তব জীবনের " এক পায়ে নুপুর" গানের গায়ক তপুই হলো সিনেমার তপু।পরে কোনোভাবে তপুর সাথে যোগাযোগ করলে তপু তাকে একটি বিলাসবহুল জীবন দেয় সাথে মুন্নার মামলার খরচ ও।
এরপরে দৃশ্যে দেখা যায় তারা একই ফ্ল্যাটেই থাকে কিন্তু আলাদা আলাদা রুমে।তারা একে অপরের কাছে আসতে চায় কিন্তু এসেও আসে না।
একদিন রুবা তপুর রুমের সামনে আসলে রুবার সামনে হাজির হয় ১৩ বছরের রুবা নিজেই।এই অতীতের রুবা বর্তমানের রুবাকে বাধা দিচ্ছে তপুর কাছে যাওয়া থেকে।
এরপরের দৃশ্যে দেখায় মুন্না জেল থেকে ছাড়া পায় ও রুবার ফ্লেটে উঠে এবং রুবাও মুন্নাকে কয়েকদিন পর সব কিছু মেনে নিতে না পারায় বলে দেয় ও এই সম্পর্কের শেষ চায় রুবা।এতে মুন্না সাতদিন সময় নেয়।এই সাতদিনে যা তারা ঠিক করবে তারা তাই করবে।একদিন মুন্না বুঝে আসলে এতে লাভ নেই তাই আলাদা হয়ে যায়।
এই পর্যায়ে রুবার মনে হঠাৎ তার মায়ের জন্য ভালোবাসা জন্ম নেয়।কারণ রুবা আজ মুন্নাকে ছেড়ে দিচ্ছে তার মাও সেইম কাজ করে ছিলো অর্থাৎ তারা সমান দোষী।
এরপরে তপু রুবাকে কক্সবাজার নিয়ে যায় সাথে মুন্নাও যায়
এভাবেই কাহিনীটির সমাপ্ত হয়।
এবং ওই অতীতের রুবা ই থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার।
টেলিফিল্মের মূল অভিনেতা-অভিনেত্রী ও তাদের চরিত্রঃ
source- ১…নুসরাত ইমরোজ তিশা - রুবা হক।
- ২…রাশেদ উদ্দীন আহমেদ তপু - তপু।
- ৩…মোশাররফ করিম - মুন্না।
- ৪…আবুল হায়াত - রহমান।
- ৫…এশা - এশা।
টেলিফিল্মটির প্রাপ্ত ন্যাশনাল এওয়ার্ডঃ
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র
পরিচালক,অভিনেত্রী,অভিনেতা আরো অনেক।
টেলিফিল্মটির প্রাপ্ত ইন্টারন্যাশনাল এওয়ার্ডঃ
ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারঃপুজান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০০৯, আবুধাবি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, রটাডার্ম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, তিবুরন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব,,মিলান চলচ্চিত্র উৎসব, সান ফ্রান্সিসকো দক্ষিণ এশিয়ান চলচ্চিত্র উৎসব,হলিউড ও ক্যালিফোর্নিয়া ৮৩তম একাডেমি আওয়ার্ড (অস্কার)।
টেলিফিল্মটির গানঃ
source- সংগীত পরিচালকঃরেজাউল করিম লিমন
- সংগীত রচনাঃহাবিব ওয়াহিদ ও রেজাউল করিম লিমন
- অডিও ও সিডির ব্যানারঃফাহিম মিউজিক
গানের নামঃ-
- ১…দ্বিধা
- ২…ডিভোর্স
- ৩…জেলখানার চিঠি
- ৪…কে যে কার
- ৫…অগোচরে
- ৬…পরবাসী
- ৭…শেষ চিঠি
- ৮…থিম ১
- ৯…থিম ২
🔘রেটিং 🔘
★ ImDb rating: 7.1/10
★personal rating: 8/10
নিজস্ব মতামতঃ
sourceপ্রথমে বলবো ফারুকীর পরিচলনা অত্যন্ত ভালো।এবং তিশার অভিনয়, মোশাররফ করিমের অভিনয় অত্যন্ত উচ্চমান সম্পন্ন এবং যেহেতু আমি তপুর গান খুব পছন্দ করি সেহেতু তপুর খারাপ দিক থাকলেও হয়তো আমার চোখে পড়বেনা।আর আবুল হায়াত এর অভিনয় দেশা সেরা। উনি অত্যন্ত গুণসম্পন্ন একজন অভিনেতা।
এখন আসি কাহিনীর কথায়। আমার মনে হয়েছে কাহিনী একটু নড়বড়ে।কারণ বাস্তবজীবনের সাথে তুলনা করলে দেখা যাবে আমাদের সমাজে লিভ টুগেদার একেবারে নেই বললেই চলে। এরপরে বলবো লিভ-টুগেদার যদি কেও করেও থাকে তাহলে তাকে কখনোই বাবা,মা সঙ্গে রাখবেনা।
এরপরে বলবো যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত একজন ব্যাক্তি হুট করেই জেল থেকে ছাড়া পায় নাহ।
সব মিলিয়ে আমি বলবো ভালোই হয়েছে।ভুল যদি ধরি তাহলে তা হলো,বাস্তব জীবনের সাথে কিছু ক্ষেত্রে অমিল।
সমাপ্ত।
সবাই অবশ্যই অবশ্যই জানাবেন রিভিউটি কেমন হয়েছে এবং সবাই টেলিফিল্মটি না দেখে থাকলে অবশ্যই দেখবেন।এবং সবাই সুস্থ ও ভালো থাকবেন এবং ধন্যবাদ আমাকে এতোটা সাপোর্ট করার জন্য।কারণ আপনারা ছাড়া আমার কিছুইনা।
সবাই সুস্থ থাকুন,ঘরে থাকুন,আল্লাহ হাফেয।
From,
@nusuranur
Take Love,Love Steem💜💜
Though I didn't watch the movie, but a beautiful song was played in the movie "Bahir bole dure thakuk", this song was very favorite to me. Keep it up.
Hmmm,Thanks
👍
চমৎকার পোস্ট। ধন্যবাদ মুভি রিভিউ কন্টেস্টে পার্টিসিপ্যান্ট করার জন্য।
Thanks vaiya ♥
Dear @nusuranur ....
Sorry for late response 💞
Your Review was awesome 🥀
The post was well decorated and easy to read..
Keep it up Dear....
Keep always steem on ♨️
Thanks vaiya ♥
You are welcome...