|| রেসিপি : সবার প্ৰিয় ফুচকা ||
নমস্কার বন্ধুরা
আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি আবারও নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। প্রতি সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহতেও একটি রেসিপি পোস্ট করব। আজকের রেসিপিটি খুবই লোভনীয় এবং সবার অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার এটি। সেটি হলো সবার প্রিয় ফুচকা। ফুচকা নাম টা শুনলেই জিভে জল চলে আসে। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই মন চাই ফুচকা খেতে। মাঝে মধ্যেই খাওয়া হয়। তবে করোনার সময় বাড়িতেই ফুচকা বানিয়ে খাওয়া শুরু করেছিলাম। অনেকদিন পর আবারও সেইরকম ফুচকা বানিয়ে খেলাম। অসাধারণ লাগে খেতে। তবে ফুচকা টা কাঁচা চিপসের মতো বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বাবাকে দিয়ে সেটা কিনে আনিয়ে রেখেছিলাম সকালে। যেহেতু সন্ধ্যায় ফুচকা বানানোর প্ল্যান করেছিলাম। কিন্তু আলু মাখাটা আর টকজল যেহেতু নিজের হাতে বানিয়েছিলাম তাই নিজের পছন্দ মতো বানিয়েছিলাম। অসাধারণ লাগছিল খেতে ।সবাই খেয়ে খুব ভালো বলেছে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে শুরু করা যাক।
প্রয়োজনীয় উপকরণ :
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ফুচকা | ৩০ পিস |
| আলু | ২ টি |
| পেঁয়াজ | ১ টি |
| কাঁচা লঙ্কা | ৫ টি |
| মটর | ৫০ গ্রাম |
| বাদাম | ২৫ গ্রাম |
| কাগজি লেবু | ১ টি |
| তেঁতুল | সামান্য |
| লবণ | স্বাদ মতো |
| জিরে গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ধনে গুঁড়ো | হাফ চামচ |
| সাদা তেল | পরিমাণ মতো |
প্রস্তুত প্রণালী :
প্রথমেই নিয়ে নিয়েছি আমার প্রয়োজনীয় উপকরণ গুলি - কাঁচা ফুচকা চিপস ,আলু, পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা, মটর, বাদাম, তেঁতুল, কাগজি লেবু, লবণ, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো আর সাদা তেল।
মটর গুলোকে একটি বাটিতে ভিজিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা রেখে দিয়েছিলাম। পেঁয়াজ আর কাঁচা লঙ্কা কুচিয়ে নিয়েছিলাম । লেবু কেটে নিয়েছিলাম।
টক জল তৈরির জন্য একটি বাটিতে দুই কাপ পরিমাণ জল নিয়ে, তার মধ্যে কিছুটা তেঁতুল দিয়ে হাত দিয়ে ভালো করে চটকে নিয়েছিলাম। তারপর তেঁতুলের বাকি অংশটা তুলে নিয়েছিলাম। আর তাতে দিয়ে দিয়েছিলাম সামান্য লবণ , জিড়ে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো আর লেবুর রস। এভাবেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল ফুচকার টক জল।
এদিকে কড়াইতে আলু আর মটর সেদ্ধ করতে দিয়ে দিয়েছিলাম। আলু আর মটর সেদ্ধ হয়ে গেলে সেগুলোকে কুচানো পেঁয়াজ আর লঙ্কার মধ্যে দিয়ে দিলাম । তারপর একটি কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে,তেল গরম হয়ে গেলে কাঁচা বাদাম গুলোকে ভেজে সেদ্ধ আলুর ওপরে দিয়ে দিয়েছিলাম। তারপর সমস্ত উপকরণগুলো একবার ভালোভাবে মেখে নিলাম।
তারপর লবণ,জিরা গুঁড়ো আর ধনে গুঁড়ো দিয়ে আবারও একবার ভালোভাবে মেখে নিলাম। মাখা হয়ে গেলে তার স্বাদটা আরও বাড়ানোর জন্য একটু টকজল দিয়ে আবারও একবার মেখে নিলাম। এভাবেই তৈরি হয়ে গেল ফুচকার আলু মাখা।
এরপর একটি কড়াইতে তেল দিয়ে তাতে ফুচকার পাঁপড় গুলোকে একে একে ভেজে নিলাম।
এরপর গরম গরম ফুচকার মধ্যে আলু মাখা দিয়ে টকজলে ডুবিয়ে খেয়ে ফেললাম। দারুণ লাগছিল খেতে।
| পোস্ট বিবরণ | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m6 pro |
| ফটোগ্রাফার | @pujaghosh |













https://x.com/GhoshPuja2002/status/1816532678751191185?t=zG5iiQRGZgP-KqHAkvn_vQ&s=19
বাহ্ আপু আজ আপনি খুব সুন্দর একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তৈরি করা রেসিপিটি দেখে সত্যি অনেক লোভ লাগছে। ফুসকা আমার অনেক প্রিয় একটি খাবার। আপনি রেসিপির প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন আমাদের মাঝে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি রেসিপি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
সকাল বেলায় ফুচকা দেখেই তো খেতে ইচ্ছা করছে আপু। এই খাবারগুলো সবারই অনেক প্রিয়। সুন্দর করে ফুচকা তৈরির রেসিপি উপস্থাপন করেছেন দেখে অনেক ভালো লেগেছে।
ঠিক বলেছেন আপু ফুচকা কম বেশি সবারই খুব পছন্দের। বিশেষ করে বিকালবেলা খেতেতো খুবই ভালো লাগে। ফুচকা যদিও আমার কখনো বাসায় বানানো হয়নি কিন্তু আপনার বানানোর পদ্ধতি দেখে মনে হলো খুবই সহজ। খেতেও মজাদার হয়েছিল দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
আমার পছন্দের খাবারের ভিতরে ফুচকা আমার অনেক পছন্দ। বেশি ঝাল দিয়ে ফুচকা খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফুচকা তৈরি করেছেন দেখে তো আমার জিভে জল চলে আসছে আপু। নানা রকম উপকরণ দিয়ে আলু মাখা কি করেছেন। ফুচকা গুলা খেতে নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু
ফুচকা খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ নেই বললেই চলে৷ সকলে ফুচকা খেতে অনেক ভালোবাসে এবং যখনই সময় পায় তখনই ফুচকা খাওয়ার চেষ্টা করি৷ আর আজকে আপনার কাছ থেকে এরকম ফুচকার একটি রেসিপি দেখে খুবই ভালো লাগলো৷ যেভাবে আপনি রেসিপি এখানে শেয়ার করেছেন তা কখনো দেখিনি৷ আপনার কাছ থেকে এই প্রথম দেখতে পেলাম৷