বাধাকপি পাকোড়া বা বড়া রেসিপি// %10 beneficiary @shy-fox
| ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮সোমবার,০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ |
|---|
🥀আসসালামু আলাইকুম🥀
হ্যালো বন্ধুরা
আমি তারেক রহমান। আমার ইউজার আইডি @tareq123। আমি একজন বাংলাদেশের নাগরিক। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে আমিও বেশ ভাল আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আবারো একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। তবে আজকের পোস্টটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম একটি পোস্ট।
আজ যে পোস্টটি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করব সেটি সম্পূর্ণ একটি নতুন রেসিপি। আপনাদের মাঝে যে রেসিপিটি উপস্থাপন করতেছি সেটি হলো বাঁধাকপির বড়া। চলুন তাহলে এখানে আর সময় না কাটিয়ে রেসিপিতে ফিরে চাই।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ১। বাঁধাকপি | ১টি |
|---|---|
| ২। কাঁচা মরিচ | পরিমান মতো |
| ৩। হলুদ | পরিমান মতো |
| ৪। লবণ | পরিমান মতো |
| ৫। ডিম | ২টি |
| ৬। পেঁয়াজ | ৬টি-৮টি |
| ৭। ধনিয়া গুড়া | পরিমান মতো |
| ৮। লংকা গুড়া | পরিমান মতো |
| ৯। তেল | ৮-৯ কাপ |
| ১০। গমের আটা | ২বাটি |
| ১১। সোডা | পরিমান মতো |
↘️🍲ধাপ১🍲↙️
প্রথমেই পরিমাণমতো পেঁয়াজ, লবণ, হলুদ গুঁড়া, লংকা গুড়া, ধনিয়া গুড়া, কাঁচা মরিচ কেটে নিয়ে একটি বাটিতে রেখেছি।
↘️🍲ধাপ২🍲↙️
এরপর একটি বাঁধাকপি বেশ সুন্দরভাবে কুচি করে কেটে নিয়েছি, এবং ধুইয়ে একটি বাটিতে তুলেছি।
↘️🍲ধাপ৩🍲↙️
এরপর দুটি ডিম সেখানে ভেঙ্গে দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ৪🍲↙️
তারপর সেখানে কাঁচা মরিচ কেটে দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ৫🍲↙️
এরপর পিঁয়াজ কুচি দিয়ে দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ৬🍲↙️
তারপর লংকা গুড়া আর হলুদ গুঁড়া দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ৭🍲↙️
এরপর ধনিয়া মসলার গুঁড়া দিয়েছি,সঙ্গে পরিমাণ মতো সোডা দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ৮🍲↙️
এবার সব গুলো অনেক সুন্দর ভাবে একত্রিত করেছি। খেয়াল রেখেছি যেন বাঁধাকপির প্রত্যেকটির অংশের সাথে সুন্দর ভাবে মিশে যায়।
↘️🍲ধাপ৯🍲↙️
বাঁধাকপির সঙ্গে মিশ্রিত মসলাগুলো উপর ২ বাটি গমের আটা দিয়ে দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ১০🍲↙️
বাঁধাকপির মিশ্রণের সাথে গমের আটা গুলোকে খুব সুন্দর ভাবে মিশ্রণ করে নিয়েছি। বাটির চারপাশে যেন আটা লেগে না থাকে সেদিকে খেয়াল রেখেছে। খুব সুন্দর ভাবে মিশ্রন হওয়ার বাটিটাকে একপাশে রেখে দিয়েছে।
↘️🍲ধাপ১১🍲↙️
এবার চুলার ওপর একটি পাত্র তুলে দিয়েছি। পাত্রের উপর 7 থেকে 8 কাপ তেল ঢেলে দিয়েছি। এই সময় চুলার তাপকে পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃদ্ধি করে দিয়েছি যেন, তেলগুলো তাড়াতাড়ি গরম হয়ে ওঠে।
↘️🍲ধাপ১২🍲↙️
তেলুগুলো গরম হয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিক পরিমাণ করে বাঁধাকপির মিশ্রন গুলো গরম তেলের উপর পৃথক ভাবে দিয়ে দিয়েছি।
↘️🍲ধাপ১৩🍲↙️
পরিমাণ মতো কয়েকটি দেওয়ার পর তিন থেকে চার মিনিট অপেক্ষা করেছিলাম। যেন একটু লালচে রং হয়ে আসে। যখন নিচের অংশ গুলো লাল রং ধারণ করতে শুরু করেছিল সবগুলোকে আবার উল্টে দিয়েছিলাম। যেন উপরের অংশ গুলো ঠিক একই পরিমানে লাল রং ধারণ করে।
↘️🍲ধাপ১৪🍲↙️
এভাবে 5 থেকে 7 মিনিট গরম তেলের উপর বড়া গুলোকে অনেক সুন্দর ভাবে ভেজে নিয়েছিলাম। বড়াগুলো সম্পূর্ণরূপে ভাজা হয়ে গেলে একটি ঝুড়ি চামচ দিয়ে সব গুলোকে তুলে নিয়ে একটি বাটিতে রেখে ছিলাম। এভাবে সবগুলো বড়া ভেজে নিয়েছি।
↘️🍲ধাপ১৫🍲↙️
এবার এটি সম্পূর্ণরূপে খাওয়ার জন্য প্রস্তুত। এই বড়ার সঙ্গে একটু টমেটো সস্ আর শসা কুচি থাকলে খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে। কিন্তু শসা না থাকার কারণে শুধু টমেটো সস্ দিয়ে আপনাদের মাঝে রেসিপিটি উপস্থাপন করেছি।
আমি আমার সংক্ষিপ্ত রেসিপির বর্ণনা এখানেই সমাপ্ত করছি।আশা করি সবাইকে অনেক ভালো লেগেছে আমার এই রেসিপিটি। সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।
আপনার বাঁধাকপির পাকোড়া রেসিপি টি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে কতোটা মচমচে হয়েছে ।দেখেই আমার খেতে ইচ্ছে করছে। এই বৃষ্টির দিনে এধরনের পাকোড়া খেতে খুবই মজা লাগে ।আপনি খুবই সুন্দর করে পাকড়াটি বানিয়েছেন ।প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সঙ্গে এত মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
শুভকামনা রইল।
বাহ! বাধাকপি দিয়ে এভাবে পাকোড়া বানানো যায় এই বিষয় টা তো মাথায়ই আসেনি কখনও!
আপনি যেভাবে বড়া টা বানিয়েছেন সেভাবে একদিন খেয়ে দেখতে হবে। দেখে তো লোভনীয় হয়েছে 😋😋😋
জি ভাইয়া বাসায় অবশ্যই তৈরি করতে পারেন। বাঁধাকপির বড়া অনেক সুস্বাদু খেতে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার বাঁধাকপির পাকোড়া রেসিপি কি অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। এটি আমি আগেও অনেকবার খেয়েছি এটা খেতে অনেক মিষ্টি ও সুস্বাদু। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে এটি বানানোর পদ্ধতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমার কাছে খুবই সুস্বাদু লাগে ভাইয়া এই বাধাকপির পাকোড়া খেতে।আপনার পোস্টটি দেখে লোভ লেগে গেলো।দারুণ হয়েছে আপনার পাকোড়া গুলো। আশা করি খেতেও সুস্বাদু হবে।সর্বোপরি পোস্টটির উপস্থাপনা চমৎকার ছিল।শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বাঁধাকপির পকোড়া ভাজা খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি খুবই সুন্দরভাবে রেসিপিটা মনের মাঝে উপস্থাপন করছেন। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। শুভকামনা রইলো আপনার প্রতি।
বাঁধাকপি দিয়ে আপনি অনেক সুন্দর ভাবে সুস্বাধু পাকোড়া তৈরি করেছেন। বাঁধাকপির পাকোড়া দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে যদিও আমি কখনো এভাবে বাঁধাকপি দিয়ে পাকোড়া তৈরি করে খাইনি, তবে আপনার রেসিপি টা দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক টেস্টি হয়েছিল। আমি বাসায় চেষ্টা করবো বাঁধাকপি দিয়ে এভাবে পাকোড়া তৈরি করার জন্য। এত মজাদার একটি লোভনীয় রেসিপি আমাদের সকলের মাঝে চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল আপনার জন্য। আপনার কাছ থেকে পরবর্তীতে ওই রকম মজাদার রেসিপি উপহার পাবো বলে আশা রাখি🥳🥳
জি ভাইয়া বাসায় অবশ্যই তৈরি করার চেষ্টা করবেন। অনেক মজাদার একটি রেসিপি। আমি আমার পক্ষ থেকে অবশ্যই চেষ্টা করব এমন মজাদার রেসিপি আপনাকে গিফট দেওয়ার জন্য।
আপনার এত সুন্দর মন্তব্য শুনে আমি অনেক খুশি হয়েছি ভাইয়া। আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বাঁধাকপির বড়া খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। এটা আমার খুবই পছন্দের একটি খাবার। আপনি বাঁধাকপির বড়া তৈরির রেসিপি খুবই সুন্দর ভাবে আপনার পোস্টে উপস্থাপন করেছেন। আপনার পোষ্টটি পড়ে আমার অনেক অনেক ভালো লেগেছে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দারুন একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাইয়া বাঁধাকপির পাকোড়া দেখতে খুব সুন্দর হয়েছে খেতেও নিশ্চয়ই খুব মজার হয়েছিল শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
জি ভাইয়া খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।