ফটোগ্রাফি পোস্ট ||| বাঁশ বাগানের ফটোগ্রাফি ||| original photography by @saymaakter
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন?আশা করছি পরিবারকে নিয়ে সুস্থ সুন্দরভাবে দিন অতিবাহিত করছেন।আমি কিছুদিন যাবত প্রচন্ড অসুস্থ ছিলাম তবে আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে এখন একটু সুস্থ।আসলে অসুস্থ থাকলে বোঝা যায় সুস্থতা সৃষ্টিকর্তার কত বড় নেয়ামত।
বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম আপনাদের মাঝে নতুন আরেকটি ব্লগ নিয়ে।আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি শৈশবের নিজের এলাকার "বাঁশ বাগানের ফটোগ্রাফি" নিয়ে ।
যায় দিন ভালো আসে দিন খারাপ কথাটি বড়দের মুখের সব সময় শুনেছি।আজ যখন আমরাও অনেক সময় পার করে একটি নির্দিষ্ট সময়ে দাঁড়িয়ে আছি তখন কথাগুলো মনে হতেই কেন জানি সব কিছু বাস্তবতা চোখে পড়ে। একটা সময় আমরাও ছোট ছিলাম।

আমাদের শৈশবের মুহূর্ত গুলো খুব সুন্দর কেটেছিল কিন্তু এখনকার বাচ্চাদের সময়গুলো সেরকম যেতে চায় না তারা সবসময় মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে থাকে সারাক্ষণ।ফোনে গেম দেখে বাসার মধ্যে বন্দী হয়ে থাকতে ভালোবাসে। খেলাধুলাও বেশি করতে চায় না। আসলে আমাদের সময় থেকে তাদের সময়টা খেয়াল করলে অনেক কিছুই পরিবর্তন দেখতে পাই। আমরা কত না মজা করতাম। একজন আরেকজনের সঙ্গে কথা শেয়ার করতাম বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যেকোনো জিনিস ভাগ ভাগ করে খেতাম। পড়ালেখার ব্যাপারগুলো একজন আরেক জনকে শেয়ার করে দিতাম খেলাধুলা করতাম। মোটকথা আনন্দগুলো ছিল অন্যরকম। যখন গ্রামের বাড়িতে গেলাম সেই স্মৃতিগুলো বারবার চোখে ভাসছিল।

খেলার মাঠ বাস ঝার বাড়ির সামনে পেছনে কতনা স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আসলে শৈশবের স্মৃতিগুলো ভোলার মতো না। আজ যখন দুই এক বছর পর হঠাৎ গ্রামের বাড়ি ঘুরতে যাওয়া হয় তখন সেই জায়গা গুলো দেখলেই শুধু ফটোগ্রাফি করতে মন চায়।মনে হয় এই ফটোগ্রাফিগুলোই আমার জীবনের কিছু মুহূর্ত ধরে রাখাতে পারবো।

ফটোগ্রাফি শুধু ছবি নয় ফটোগ্রাফি মানুষের হৃদয়ে পুরানো স্মৃতিগুলো জাগ্রত করে।এক একটি ছবির পিছনে রয়েছে এক একটি গল্প যেই গল্পগুলো চোখের সামনেই ছবি দেখতেই ভেসে ওঠে সব স্মৃতি। আর সেই স্মৃতি নিমিষেই কথা বলতে শুরু করে হৃদয় থেকে।

অনেক ছোটবেলায় হয়তো কাছে ছিল না ফোন
কিন্তু আজ যখন সব সময় ফোনটি নিজের কাছে থাকে তাই যে কোনো সুন্দর জায়গা দেখলেই ক্যামেরাবন্দি করে ফেলি সেই সময় এবং সুন্দর মুহূর্তের ফটোগ্রাফি গুলো।পুরনো ছবিগুলো দেখলেই মনের অজান্তেই সব কথা বেরিয়ে আসে।কাজেই ফটোগ্রাফি শুধু ছবি নয় হৃদয়ে জমে থাকা এক একটি গল্প। বাড়ির সামনে ও পেছনে অনেক সুন্দর একটি বাঁশ বাগান আছে আমাদের।

সেই বাঁশ বাগান কিরে কত না গল্প জমে আছে।তবে বাঁশ বাগানটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি দুপুর ও সকালের সময় কাটাতে বেশ ভালই লাগে। গরমকালে ওখানে গেলে প্রচন্ড শান্তি মিলে। কারণ প্রচুর বাতাস থাকে ওখানে। তাইতো সেই বাঁশ বাগানের কিছু ফটোগ্রাফি তুলতে আর মিস করলাম না।

আজ যাচ্ছি অন্য কোনদিন সেই বাঁশ বাগানের একটি গল্প নিয়ে হাজির হব সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
আমার পরিচয়
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩




