ছোট গল্প পোস্ট ||| শেষ ভাবনাতেও তুমি পর্ব-০২ ||| original writing by @saymaakter
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সকল ভাই ও বোনেরা আশা রাখি সকলে সুস্থ আছেন এবং পরিবারসহ সুন্দর সময় অতিবাহিত করছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ তাআলার রহমতে পরিবারসহ বেশ ভালো আছি।

source
বরাবরের মত আজকে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন ব্লগ নিয়ে হাজির হতে চলেছি।আমি আবারো আপনাদের মাঝে ছোট গল্প "শেষ ভাবনাতেও তুমি পর্ব-০২" নিয়ে হাজির হয়েছি।প্রথম পর্বে আপনাদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্য পেয়ে গল্পটির দ্বিতীয় পর্ব লেখার আগ্রহ অনেক গুণ বেড়ে গেল। তাই দ্বিতীয় পর্বটি খুব সহজেই লিখে ফেললাম। আশা করি আপনাদের সহযোগিতা পেলে পরবর্তী পর্বগুলো খুব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারব আর কথা না বাড়িয়ে চলুন আজকের করবে কি আছে তা দেখে নেওয়া যাক।
হাসপাতাল থেকে আরিফ পরের দিন সুস্থ হয়ে বাসায় চলে আসলো।বাসায় এসে আরিফ তার মাকে বলল মা আমি বেশি দিন এখানে থাকবো না আমি আমার গন্তব্য স্থানে চলে যাব। কিছুদিনের জন্য ছুটি নিয়ে চলে আসছি ছুটি ও শেষ হয়ে গেছে। তুমি বাবার পাশে সব সময় থাকো বাবার যেন কোন কষ্ট না হয়।চাকরিটা নতুন যদি ঠিকভাবে কাজ না করি তাহলে হয়তোবা এই চাকরিটা হারিয়ে ফেলবো। আর চাকরিটা হারালে তুমি আমি বাবা কিভাবে চলবো।
দোয়া করো ভালোভাবে যেন কাজগুলো করতে পারি সামনে প্রমোশনের একটি ব্যাপার আছে। যদি বসের নজরে পড়ি হয়তোবা প্রমোশনটা হয়েও যেতে পারে। তবে এখন আর কোন কিছু নিয়ে বেশি ভাববো না যা হবার তাই হয়ে গেছে। তবে জানো কি মা কিছু স্মৃতি সারা জীবন মনের মন কোঠায় থেকে যায়।আমরা ভাবি এক নিয়তি অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। আমার তো কোন দোষ নেই। তবে নিয়তি কেন আমার সঙ্গে বারবার এত খেলা খেলছে।মা-বাবার সঙ্গে সব সময় থেকো এবং বাবার কখন কি লাগে জানাইও।
এই বলে পরের দিন সকাল হতে না হতেই আরিফ চলে গেল কর্মস্থলে। সেখানে গিয়ে রীতিমতো সে তার কাজ শুরু করলো। কিছুদিন পর যে প্রমোশনটা হওয়ার কথা ছিল সেই প্রোমোশনটাও আরিফের হয়ে গেল। ইফতার মাকে খুশির সংবাদটি জানালো। আরিফের মা খুশির সংবাদটি পেয়ে তার বাবাকেও বললো তার বাবাও অনেক খুশি হলো। এতদিন পর যেন সৃষ্টিকর্তা তাদের দিকে মুখ ফিরে তাকিয়েছে। এক সময় আরিফ একটি ভালো জায়গায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েছে এবং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নিজের থাকার মত একটি ফ্ল্যাট কিনেছে এবং একটি গাড়ি ও কিনে ফেলেছে। সেই গাড়ি দিয়ে তার বাড়িতে একদিন চলে এলো।
তার মাকে কিছুই বলেনি মাকে সারপ্রাইজ দিবে বলে । বাড়িতে এসে মাকে সব বলল। আরিফের মা খুশিতে কেঁদে ফেলল।বাবা তুই এত বড় হয়েছিস আমাদের আর এখন কোন কষ্ট থাকবে না রে বাবা। হঠাৎ একদিন সেই পাশের বাড়ির খেলার সাথী আশা এলো আরিফদের বাড়িতে । বাড়িতে এসে দেখল তাদের বাড়ির পরিবেশ সবকিছু অন্যরকম। আশাকে বসতে বলল আরিফের মা।কিন্তু আশা কেন জানি স্থির ভাবে বসছিল না চার সাইড টা শুধু ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলো। আশা নিজেকে খুব অপরাধী মনে করছিল। খুব ইচ্ছা ছিল আরিফের সঙ্গে দেখা করার। কিন্তু আশা আসার আগেই আরিফ চলে যায়।
আমার পরিচয়
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩



