ক্রিয়েটিভ রাইটিং - " মূল্যায়ন "

in আমার বাংলা ব্লগ2 months ago

হ্যালো বন্ধুরা,

মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে ভালো আছি।

বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।

মূল্যায়নঃ


9744.jpg

বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ শেয়ার করে নেবো একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট।প্রতিনিয়ত আমি চেষ্টা করি নতুন নতুন বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করতে।আজকের বিষয়টি ইতিমধ্যে আপনারা জেনে গিয়েছেন পোস্টের টাইটেল পড়ে। হে,বন্ধুরা আজ মূল্যায়ন বিষয়টি নিয়ে কিছু লিখবো আশাকরি।

9741.jpg

আজকের পোস্টের ফটোগ্রাফি গুলো কিন্তু আপনাদের অনেকেরই চেনা।কারন রঙিন কাগজ দিয়ে নানা ওয়ালমেট গুলো আমি আপনাদের মাঝে নানা সময় শেয়ার করেছি।আপনাদের কাছে আমার এই হাতের কাজ গুলো ভালো লেগেছে জেনেছি।আর ভালো লাগার জন্য মূল্য ও পেয়েছি।তবে আজ কোথায় কিভাবে মূল্যায়ন হলো সেই অনুভূতি গুলোই আপনাদের কাছে শেয়ার করে নেবো।

9743.jpg

আমার ছেলের স্কুলে ক্লাস পার্টি ফাইনাল এক্সামের আগেই হয়।এবার এক্সাম ২০ তারিখে শুরু হবে।তাই ওদের ক্লাস পার্টি হবে ১৭ তারিখে।ক্লাস পার্টির টাকা জমা দেয়া হয়ে গেছে।এখন বাকি রইল ক্লাস সাজানো।আপনারা অনেকেই জানেন আমার ছেলে আমার সাথে সাথে নানা ধরনের ডাই নিজেও তৈরি করে।কিন্তু ফাইনাল এক্সাম আর কিছুদিনের মধ্যে শুরু হবে ভেবে আমি ওকে পড়ায় মন দিতে বলি।স্কুলে বাচ্চাদের সাথে কিছু কিছু ডেকোরেশনের জিনিস তৈরি করে নিলেও ওয়ালমেট তৈরি করা এই সময়ে সম্ভব নয়।তাই ছেলে আমার তৈরি করা ওয়ালমেট গুলো স্কুলে নিয়ে নিজের ক্লাস রুমে নিয়ে সাজাতে চাইলো।আমিও এক্সামের কথা চিন্তা করে আমার তৈরি করা ওয়ালমেট গুলো ওকে দিয়ে দিলাম।

9742.jpg

9331.jpg

আমার ছেলে গতকাল স্কুলে এই সবগুলো ওয়ালমেট নিয়ে গিয়েছিল।টিচাররা ওয়ালমেট গুলো দেখে ভীষণ প্রশংসা করেন।আর দুজন ম্যাডাম এটা ও বলেন তাদের জন্য যেনো একটি করে ওয়ালমেট তৈরি করে নিয়ে যায়।আর সেই দুজন ম্যাডাম ছেলেকে আরো বলেন প্রিন্সিপ্যাল স্যার এ ধরনের হাতের কাজ পছন্দ করেন।তাকে দেয়া হলে তিনি তা নিজের রুমে সাজিয়ে রেখে দেন।তাই স্যার কে ও যেনো একটি ওয়ালমেট ছেলে গিফট করে।বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না,এ ধরনের প্রশংসা যেকোনো কাজের আগ্রহ দিগুন বাড়িয়ে দেয়।কাজের মূল্যায়ন হলে সেই কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।এমন মূল্যায়ন আমার মতো আশাকরি সকলেরই ভালো লাগে।আমার কিন্তু ভীষণ ভালো লেগেছিল সুন্দর প্রশংসা শুনে।সুন্দর কিছু অনুভূতি মনের মাঝে জমা হয়ে রইলো।তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে না নিলে ভালো লাগবে না।তাইতো শেয়ার করে নিলাম।আশাকরি আমার অনুভূতি গুলো আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

আশাকরি আজকের বিষয়টি খুব সুন্দর করে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করতে পেরেছি।আজ আর নয়।আবার ফিরে আসব নতুন কোন পোস্ট নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।

পোস্ট বিবরন


শ্রেণীজেনারেল রাইটিং
ক্যামেরাGalaxy A16
পোস্ট তৈরি@shimulakter
লোকেশনঢাকা,বাংলাদেশ

ধন্যবাদ| সবাইক

@shimulakter

আমার পরিচয়


আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।

53.png

54.jpg

55.gif