" এক্সাম শুরু হলেই পছন্দের খাবার অর্ডার করা "

in আমার বাংলা ব্লগlast month

হ্যালো বন্ধুরা,

মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে ভালো আছি।

বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।

এক্সাম শুরু হলেই পছন্দের খাবার অর্ডার করাঃ


9808.jpg

বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ শেয়ার করে নেবো একটি লাইফ স্টাইল পোস্ট।আজকের পোস্টের টাইটেল পড়ে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন আমার আজকের লেখার বিষয়টি।হে বন্ধুরা,ছেলের ফাইনাল এক্সাম শুরু হয়েছে।আর মাত্র দুটো এক্সাম বাকি।বাচ্চাদের পড়তে ভীষণ অনিহা।হোক এক্সাম কিংবা এমনি পড়া।আর এ কারনে আমি চেষ্টা করি সব সময় এক্সামের সময়টাতে বাচ্চার পছন্দের খাবার গুলো খাওয়াতে।

যেহেতু ছেলের এক্সাম,তাই মা হিসেবে আমিও কিন্তু খুব চাপের মধ্যে থাকি।আর এজন্য ছেলের পছন্দের খাবার গুলো নিজে তৈরি করার মতো সময় আমার হয়ে উঠে না।এখন যেহেতু অনলাইনে সব রকমের খাবারই পাওয়া যায়।যদি ও খাবার গুলো যথেষ্ট স্বাস্থ্যসম্মত নয়।তারপরেও বিপদের সময় এই অনলাইনে নানা পছন্দের খাবার অর্ডার করে কাজ চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

ছেলের পছন্দের খাবার পিজ্জা ও কেক।এইতো সেদিন আমি দুুটো আলাদা আলাদা পেইজে ওর পছন্দের খাবার গুলো অর্ডার করে নিয়েছিলাম।১৫/২০ মিনিটের মধ্যে খাবার গুলো ডেলিভারি ম্যান দিয়েও গেলো।তখন আমি ছেলেকে বললাম খাবার গুলো গরম গরম খেয়ে নিতে।কারন পছন্দের খাবার খাওয়ানো গেলে বাচ্চাদের মধ্যে পড়ার আগ্রহ দিগুন বেড়ে যায়।আমি অন্তত আমার ছেলের মধ্যে তা লক্ষ্য করেছি।আর এজন্য আমি চেষ্টা করি এক্সামের সময়টাতে ওর পছন্দের খাবার গুলো এনে দিতে।

কেক প্রায় সময় আমার ছেলে বাসায় নিজেই তৈরি করে নেয়।কিন্তু এক্সামের সময়টাতে সময় নষ্ট করে কিছু তৈরি করতে দিতে আমি নারাজ।আর তাই ওর পছন্দের কেক আমি অনলাইনে অর্ডার করেই ওকে সারপ্রাইজ দিয়ে থাকি।সারপ্রাইজ পেয়ে ছেলে যেমন আনন্দ পায়,আমিও আনন্দ পাই পছন্দের খাবার পেয়ে ছেলের পড়ার আগ্রহ দেখে।আমার মতো আর কে কে বাচ্চার সাথে এমনটা করেন।জানাতে পারেন কমেন্ট করে।

আপনাদের সাথে সবকিছু ই শেয়ার করে নিতে ভালো লাগে।আজ তাই শেয়ার করে নিলাম নিজের কিছু অনুভূতি।আশা করছি আপনাদের কাছে আমার অনুভূতি গুলো ভালো লেগেছে।

পোস্ট বিবরন


শ্রেণীলাইফ স্টাইল
ক্যামেরাGalaxy A16
পোস্ট তৈরি@shimulakter
লোকেশনঢাকা,বাংলাদেশ

আ‌জ এখানেই শেষ করছি।আবার হয়ত হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্টে ভিন্ন কিছু অনুভূতি নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে

@shimulakter

আমার পরিচয়


আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আমি আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি ( জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। ভালোবাসি বই পড়তে, নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।

53.png

54.jpg

55.gif