বিশ্বাস ভাঙার শব্দ হয় না কিন্তু আঘাতটা বাজে খুব জোরে
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
মানুষের বিশ্বাস সবচেয়ে হালকা একটা ব্যাপার কিংবা হালকা একটা অনুভূতি বলে আমি মনে করি, কারণ পৃথিবীর সবকিছু আসলে জোড়া লাগানো গেলেও বিশ্বাস এমন একটা জিনিস সেটা হয়তো অল্প কয়েকবার জোড়া লাগানো যায়, তবুও সেই যে ক্ষতস্থান তৈরি হয়, সেটা কিন্তু কখনোই মুছে ফেলা যায় না। অর্থাৎ, একটা কাচের গ্লাসকে আপনি যদি ভেঙে ফেলেন এবং এরপরে যদি জোড়া লাগান, তবে হয়তো আপনি সাময়িকভাবে জোড়া লাগাতে পারবেন, কিন্তু তার যে ভেঙে যাওয়া দাগ থাকে, সেটা কিন্তু কখনোই আপনি চিরতরে মুছে ফেলতে পারবেন না। আমাদের বিশ্বাসটাও ঠিক তেমন, কিন্তু কাচের গ্লাসের সাথে আমাদের বিশ্বাসের একটা তফাৎ ঠিকই রয়েছে।
সেটা হলো, কাঁচের গ্লাস ভেঙে গেলে তো ভেঙেই যায়, ঠিক একইভাবে বিশ্বাস ভেঙে গেলেও ভেঙে যায়। কিন্তু কাচের গ্লাস ভেঙে গেলে অনেক প্রচণ্ড শব্দ হয়, কিন্তু বিশ্বাস ভেঙে গেলে কোনো শব্দ হয় না। নিরবে আমাদের সবকিছু শেষ করে দিয়ে, বিশেষ করে আমাদের মনকে একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে এমন একটা পরিস্থিতিতে আমাদের দাঁড় করায়, যেখানে আসলে আমরা এমন অনেক মানুষকেই আর বিশ্বাস করতে পারি না যে মানুষগুলোকে অবিশ্বাস করার কারণ নেই। কারণ, বিশ্বাস একবার যদি ভেঙে যায়, তবে সেটাকে আবার ফিরিয়ে আনাটা অনেক কষ্টকর।
আসলে, আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ থাকে, যারা বিশ্বাস ভাঙতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। আর এই আঘাতটা, আসলে যারা দেয়, তারা কখনো উপলব্ধিও হয়তো করতে পারে না আমাদের দিচ্ছে, সেটা প্রভাব আমাদের উপর কেমন পড়তে পারে। আসলে এগুলো আমাদের নিয়তি বলা চলে। কিন্তু সবকিছু নিয়তির দোষ দিলেই তো শেষ হয়ে যায় না, কিংবা দায় সারা যায় না। আসলে, আমাদের সবচেয়ে কষ্টকর জায়গা, যেটা আমার মনে হয়, সেটা হলো আমাদের প্রিয় মানুষেরাই আমাদের সবচেয়ে বেশি আঘাত দেয়। এবং তাদের এই আঘাত আমরা সহ্য করতে পারি না, এবং তারা দিনের পর দিন আমাদের আঘাত করতেই থাকে।

