ক্ষতগুলোর ওপর নতুন বিশ্বাসের সেতু
কিন্তু একটা ব্যাপার খেয়াল করে দেখবেন, ধীরে ধীরে একটা শক্ত চামড়া হয়ে যায় আমরা যেখানে ব্যথা পাই সেখানে। কারণ খুব ধীরে ধীরে হলেও সে ক্ষতস্থানটি কিন্তু আসলে সেরে উঠতে চায় এবং অনেকটা সময় দিতে হয়। আজকের ব্যাপারটিও ঠিক তেমনটাই বলা চলে। কারণ ক্ষতগুলোর উপর আসলে একটা সময় পরে নতুন চামড়া গজায় এবং সেই চামড়াটা আগের সাথেই মিশে যায়। গুড়িয়ে দেওয়া হয়, অনেক মানুষ আসলে এটা করতেই অনেক বেশি ভালোবাসে। আমাদের মনে একটা গভীর ক্ষত হয়ে যায়, একটা গভীর কষ্ট আমাদেরকে ঘিরে ধরে।
কিন্তু তারপরে যেটা হয়, সেটা হলো আসলে আমি যেটা দেখেছি যে আমরা একটু চাইলেই আসলে নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারবো। কারণ আমরা অনেক শক্ত প্রাণী। আমরা এতটাই মেন্টালি স্ট্রং যে আমরা আসলে সেই ক্ষতস্থানটিকে খুব ধীরে ধীরে চাইলেই বিকোবার করতে পারি এবং একটা নতুন বিশ্বাসের সেতু বন্ধন তৈরি করতে পারি। আসলে এটাই মানুষের জীবন, এটাই মানুষের নিয়ম। অর্থাৎ আমাদের মনে যতই ক্ষতস্থান দাগ কেটে যাক না কেন, যতই ক্ষতস্থান তার দাগ রেখে যাক না কেন, আসলে শেষ পর্যন্ত আমরা আবারও একটা বিশ্বাসের সেতু তৈরি করতে সক্ষম হই। কারণ সেটা যদি আমরা করতে না পারতাম, তাহলে আসলে আমরা নিজেরাই কখনোই ভালো থাকতে পারতাম না। কারণ পুরনো ক্ষত নিয়ে কখনো ভালো থাকা যায় না।

