বন্ধুত্বের ওজন কীভাবে বদলে যায় সময়ের সঙ্গে?
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
বন্ধুত্বের ওজন সময়ের সঙ্গে অনেক বদলায়, এটা অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করে না। প্রথম দিকে যখন কেউ নতুন বন্ধু হয়, তখন হয়তো সম্পর্কটা বেশ হালকা আর মজাদার হয়। একসঙ্গে মজা করা, গল্প করা, একে অপরের সঙ্গ পেতে পাওয়া এইসবই বন্ধুত্বের মূল। তখন বন্ধুত্বের ওজন হয়তো বেশি অনুভূত হয় না, কারণ সবকিছু নতুন, তাজা এবং সহজ মনে হয়।কিন্তু সময় যেতে যেতে বন্ধুত্বের আসল পরীক্ষা শুরু হয়। জীবনে ওঠা পড়া, পরিস্থিতির বদল, নতুন চ্যালেঞ্জ এলে বন্ধুত্বের গভীরতা বোঝা যায়। কেউ হয়তো তখন পাশে থেকে সমর্থন দেয়, আর কেউ হয়তো দূরে সরে যায়। তখন বন্ধুত্বের ওজন অনেকটাই স্পষ্ট হয়। কিছু বন্ধুত্ব হয় শক্তিশালী, আরও বেশি গুরুত্ব পায়, আবার কিছু হয় ফিকে হয়ে যায় বা একেবারে শেষ হয়ে যায়।
সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুত্বে বোঝাপড়া ও বিশ্বাস গড়ে ওঠে। আর এই বিশ্বাসটাই বন্ধুত্বের আসল ওজন। যখন দুজন মানুষ একে অপরের জন্য সবসময় থাকা বা একে অপরের কথা বোঝার চেষ্টা করে, তখন বন্ধুত্বের মান বড় হয়। সময় যত যায়, সম্পর্ক যত গাঢ় হয়, বন্ধুত্বের মূল্য তত বেড়ে যায়।কিন্তু এটা সবসময় হয় না। কিছু সময়ে দূরত্ব, ব্যস্ততা, ভুল বোঝাবুঝি বন্ধুত্বের ওজন কমিয়ে দিতে পারে। তখন সম্পর্কটা হয়তো আগের মতো আর বেশি মজবুত থাকে না। তবুও, অনেক সময় এই দূরত্বও বন্ধুত্বকে পরীক্ষা করে, যারা সত্যিকারের বন্ধু তারা আবার ফিরে আসে।

