নিজের সময়কে মূল্য দেওয়া দরকার
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমাদের প্রতিদিনের জীবনে অনেক রকম কাজ, দায়িত্ব আর সম্পর্কের চাপে আমরা নিজেদের সময়টাকেই প্রায় ভুলেই যাই। আমরা ভাবি, নিজের জন্য সময় বের করাটা হয়তো বিলাসিতা কিংবা অলসতা। কিন্তু আমি আসলে এখন বুঝি, নিজের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া কতটা দরকার। কারণ যদি আমি নিজেকে সময় না দেই, নিজের মনের কথা না শুনি, তাহলে আসলে আমি ধীরে ধীরে নিজের সাথেই দূরত্ব তৈরি করে ফেলি। আর এই দূরত্ব এক সময় আমাদেরকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে দেয়, যার ফলে অনেক কিছু থাকলেও তাতে শান্তি বা তৃপ্তি আসে না।
আমরা প্রায়ই দেখি, কেউ না কেউ নিজের চারপাশের মানুষদের খুশি রাখার চেষ্টায় সব কিছু ত্যাগ করছে, এমনকি নিজের চাওয়া-পাওয়া, নিজের স্বপ্ন, নিজের বিশ্রাম পর্যন্ত। কিন্তু এই যে নিজেকে সবকিছু থেকে পিছিয়ে রাখা, এটা এক সময় গিয়ে আমাদেরকেই আঘাত করে। নিজের সময় মানে কিন্তু শুধু একা বসে থাকা না, নিজের সময় মানে নিজের পছন্দের কাজ করা, নিজেকে বুঝে নেওয়া, নিজের ভুলগুলো নিয়ে ভাবা, ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করা, নিজের ভেতরটাকে শান্ত রাখা।
যখন আমরা নিজেদের জন্য একটু সময় রাখি, তখন আসলে আমরা অনেক শক্তি পাই। সেই শক্তিটাই পরবর্তীতে কাজে লাগে অন্যদের জন্য কিছু করতে, ভালোভাবে দায়িত্ব নিতে, সুন্দরভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলতে। নিজের সময় মানে শুধু আরাম করা না, নিজের সময় মানে নিজের মানসিক শান্তির দিকে খেয়াল রাখা। আমি নিজে টের পেয়েছি, যেদিন নিজের জন্য একটু সময় রাখি, সেদিনই মনটা হালকা থাকে, চিন্তাগুলো পরিষ্কার হয়, এবং নিজেকে অনেক বেশি ভালো লাগে।
তাই আমি এখন বিশ্বাস করি, যতো ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখা উচিত। সেটা হতে পারে বই পড়া, গান শোনা, একা হাঁটা, ডায়েরি লেখা কিংবা কিছু না করেই শুধু নিজের সাথে সময় কাটানো। আমরা যদি নিজের গুরুত্ব না দেই, তাহলে অন্যের কাছেও আমাদের গুরুত্ব কমে যায়।

