কেউ পাশে না থাকলেও নিজের পাশে নিজেকে রাখতে শিখতে হয়
অনেক সময় এমন হয়, খুব দরকারের মুহূর্তে যাদের উপর ভরসা করি, তারাই হঠাৎ করে দূরে সরে যায়। কারো ব্যস্ততা, কারো উদাসীনতা, কারো অল্প কথায় আঘাত সবকিছু মিলিয়ে যখন মনটা একদম খালি হয়ে যায়, তখন ভরসা করার মতো কেউ থাকে না। সেই সময়টাতেই বুঝি, নিজের পাশে নিজেকে রাখার শক্তিটাই সবচেয়ে জরুরি। কারণ সবসময় কেউ এসে আমাদের মুঠো ভরে সাহস দেবে না, কেউ এসে আমাদের মাথায় হাত রাখবে না।
নিজেকে সামলানো শিখতে হয়। কাঁদতে ইচ্ছে করলে কাঁদতে হয় একা, হাসতে ইচ্ছে করলে নিজের সাথেই হাসতে হয়। অনেকে হয়তো বলবে এটা একাকীত্ব, কিন্তু আমি বলি এটা আত্মনির্ভরতা। কেউ যদি নিজেকে বুঝে, নিজের কাঁধে হাত রাখতে পারে, তবে সে আসলে অনেক বেশি শক্ত। কারণ নিজের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারা খুব সহজ কিছু না।
ধরো তুমি পড়ে গেছো, কেউ নেই তোমায় তুলতে তখন তুমি কি শুধু পড়ে থাকবে? না, তখন তুমি নিজেই উঠে দাঁড়াবে। একে একে ঠিক তেমনভাবেই জীবনেও নিজের কষ্ট, নিজের যুদ্ধ নিজেকেই লড়তে হয়। এটা কঠিন, কিন্তু সম্ভব। শুরুতে হয়তো একা লাগবে, খারাপ লাগবে, কষ্ট হবে। কিন্তু কিছুদিন পর তুমি নিজেই বুঝবে, তোমার ভেতরের শক্তিটা আগের থেকে কত গুনে বেশি হয়ে গেছে।
এই শক্তিটা গড়ে তোলা জরুরি। কারণ সবাই পাশে থাকবে না। কেউ থাকবে আজ, থাকবে না কাল। কেউ কথা দেবে, রাখবে না। তাই নিজের জন্য একটুখানি ভালোবাসা, একটুখানি সাহস, আর একটু শক্তি রাখা দরকার। কারণ সবশেষে তুমি যদি নিজের পাশে নিজে না থাকো, তাহলে আর কেউ থাকবে না।তাই আজকে আমি শুধু এটুকু বলি হ্যাঁ, কেউ পাশে না থাকলেও, নিজের পাশে নিজেকে রাখতে শিখতে হয়। এটুকু শিখলেই তুমি কখনোই ভেঙে পড়বে না।

