গল্প:-শখের বসে ইচ্ছে করে করা পাপ কাজ এক সময় অভিশাপ হয়ে ফিরে আসে।
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ এর প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই?আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি।আমি @shahid420 বাংলাদেশ থেকে।বন্ধুরা আজকে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে।চলুন আজকের ব্লগ টি শুরু করা যাক।
আজ আরো একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য চলে আসলাম।আজকের গল্পটি খুবই শিক্ষণীয় বটে।এক অজপাড়া গায়ে বসবাস করতো এক মেয়ে।শিক্ষার জন্যে যায় এলাকারী এক বিদ্যা পিঠে।
বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে বেয়ে ওটে জীবন যৌবন।আর যৌবনের তাড়নায় হর্নি হয়ে ঘুরে সেই মেয়ে।যদিওবা গভীর বয়সে পরিবর্তিত হয়েছে।এই যৌবনের তাড়নায় করে বসে এক কঠিন ভুল।
তারই এলাকার এক কোচিং শিক্ষকের সাথে জড়ায় প্রেমের সম্পর্কে।যদিওবা এই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল কেবল সেই বেয়াদব মেয়ের ইচ্ছেতেই।আর যে ছেলের সাথে জড়িয়ে ছিলো সম্পর্কে তার ছিল একটাই নেশা মেয়েদের সতীত্ব হরণ।
আর এটা স্বাভাবিক ব্যাপার মেয়েরা ভুল জায়গায় নিজেকে ইচ্ছেমত বিলায় আর সঠিক জায়গায় ইচ্ছেমত ঠকায়। ভুল মানুষ কি জীবনের প্রথমে বেঁচে নেই নিজের ইচ্ছেতে।প্রেমের আগে ঐ ছেলেটি মেয়ের ব্যাপারে ভাবতোও না।কিন্তু একদিন সেই মেয়েই ঐ ছেলেকে পছন্দ করে বলে তারই এক স্টুডেন্ট কে বলে ।আর এই খবর যায় ঐ চরিত্রহীন ছেলের কাছে।
এই বেয়াদব মেয়ে হয়ে যায় তার তারগেক।শুরু হলো তাদের মাঝে আলাপন।একদিন এই বেয়াদব মে তার কোচিং টিচার সেই ছেলেকে বলে বসলো যেনো তাকে জড়িয়ে ধরে এবং কিস করে। ছেলেও মহা খুশি।শুরু হলো তাদের মাঝে অবৈধ মেলামেশা প্রায় প্রতিদিনই।
মেয়েও ভীষণ খুশি কারণ সে ভাবছিল আহা কি শান্তির ব্যাপার আমি আমার শিক্ষকের সাথেই প্রেম করছি। মেয়েও মজা নিচ্ছিলো ছেলেও মজা নিচ্ছিলো দুজনেই মহা খুশি।
এক পর্যায়ে মেয়ের আর এসব রং তামাশায় হচ্ছিলনা।ছেলেকে দিয়ে বসলো শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব।ছেলেটি আনন্দে আটখানা।ছেলে মনে মনে বলছে এটাই তো চাই আমিও।দুজনে মিলে নির্ধারণ করলো দিন তারিখ স্থান।এদিকে মেয়ে তো মনে মনে ভীষন খুশি কারণ তার শিক্ষকের সাথেই এত মজার জিনিস বাসর করতে পারছে তাও আবার বিয়ে ছাড়াই।
জায়গা ঠিক করলো শিক্ষকের বাসায়।ছেলের বাসার সবাই যাবে আত্মীয়র বাসায় দাওয়াত খেতে পুরো বাসা থাকবে ফাঁকা সেটাই আসল সুজুগ।মেয়ে নিজেই যাবে সেখানে।সময় ও আসলো মেয়ে ও সঠিক সময় চরিত্রহীন সেই শিক্ষকের বাসায় চলে গেলো। ব্যাস দুজনেই মেতে উঠলো ঘনিষ্ঠ মুহুর্তের আনন্দে।
এভাবেই চলতে থাকলো তাদের প্রতিনিয়ত অবৈধ সম্পর্ক।মেয়ে তো ভীষন খুশি সাথে ছেলেও।বেশ কয়েকবার মেয়ের বাসায় ও এই কার্য কলাপ হয়েছে তাও আবার মেয়ের নিজের ইচ্ছাতে, আর প্ল্যানিং ও ছিল সেই কলঙ্কিনী চরিত্রহীন মেয়ের নিজেরই।
মেয়ের চিন্তাধারা দেখুন,রাতের আধারে মা বাবাকে ঘুমুর ওষুধ খাওয়ায় দুদের সাথে মিশিয়ে।তারপর বাসার ফোন দিয়ে গভীর রাতে ডেকে আনে সেই পরকীয়া প্রেমিক শিক্ষক কে।আর মেতে ওঠে অবৈধ সেই জিনার সম্পর্কে।একাধিকবার এভাবেই চলতে থাকে তাদের অবৈধ সম্পর্কের জ্বিনা নামক অনাচার এর কার্যকলাপ।কিন্তু মেয়ে তো জানেনা কত বড় সে ভুল,অন্যায়,আর পাপ কাজ করছে।যেটা তার জীবনে অভিশাপ হয়ে ফিরবে।
এভাবে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর পর সম্পর্ক শেষ।আর মেয়েও ঐ ছেলেকে ছেড়ে দিলো।নিশ্চিন্তে জীবন যাপন শুরু করে চরিত্রহীনা এই মেয়েও।সেই চরিত্রহীন ছেলে আনন্দে আটখানা।কারণ সে বিনা বাধায় মেয়ের ইচ্ছেতেই সব পেলো আবার মেয়ে শেষে কিছুই করলোনা।
একবার ভেবে দেখুন তো বিয়ের আগে কোনভাবেই ছেলে হোক বা মেয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো কে আদৌ সঠিক? হোক সেটা সামাজিকভাবে বা ধর্মীয়ভাবে?
কখনোই না। সেটা ধর্মীয়ভাবে কবিরা গুনাহ সমূহের মধ্যে অন্যতম এবং সামাজিকভাবেও মোটেও সঠিক নয়। ইসলামপন্থা অনুযায়ী যদি কোন মেয়ে বিয়ের আগে স্বামীর হক অন্য কাউকে দিয়ে দেয় এবং স্বামীকে ঠকায় জ্বিনায় লিপ্ত হয়ে তবে তার জন্য পরকালে কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি রয়েছে। আর স্বামী যদি কখনো এটার জন্য তাকে ক্ষমা না করে তাহলে দুনিয়ার জীবনে সেই মেয়ে যতই ভালো আমল করুক না কেনো পরকালে তার স্থান হলো জাহান্নাম।
সুতরাং সকল পাপ কাজ থেকে বিরত থাকাই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে মনে করি আমি। এখন ভেবে দেখুন তো যে গল্পটি বললাম সেই গল্পের চরিত্রের ছেলেটি তো সুন্দর জীবন পার করবে মেয়েটির যদিও বা বর্তমানে সুন্দর জীবন পার করছে তবে তার বিবাহ পরবর্তী জীবন কি সুখের হতে পারে?
আমার প্রশ্ন হল যে মেয়ে বিয়ের আগেই যে ছেলেকে তার সতীত্ব দিয়ে দিল কেন সে তাকে ছেড়ে দিবে? কেন বিয়ে করলো না তাকে। ছেলে যেমনই হোক অবশ্যই তার উচিত ওই ছেলেকেই বিয়ে করা। এটা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে নিজের ইচ্ছেতেই সে পরকীয়ায় জড়িয়ে ছিল নিজের ইচ্ছাতেই সবকিছু করেছিল এবং নিজের ইচ্ছেতেই সম্পর্ক শেষ এবং সুন্দর জীবন কাটাচ্ছিল। লক্ষ্য একটাই বিয়ের আগে সব ইচ্ছা পূরণ বিয়ের পর একটা পুরুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঠকানো এবং যা করার বিয়ের পরবর্তী ছেলের সাথে করবো সম্ভব হলে তাকে জেলে পর্যন্ত নিয়ে যাব।
আর সেই বেয়াদব মেয়ে ইচ্ছা করেই নিজের জীবনে চরিত্রহীনা এবং কলঙ্কিনী এর যে দাগ লাগিয়েছে জীবনে সেটা তো তার নিজের ইচ্ছেতেই। মা বাবার সাথে যে অন্যায় করেছে সেটার প্রতিদান সে কি দিবে?
বিবাহ পরবর্তী জীবনে কি হবে তার সাথে,সে কি সুখী হতে পারবে? বিস্তারিত বিশ্লেষণ হবে পরের পর্ব তে।
একদিকে মা-বাবাকে ঠকানোর পাপ অপরদিকে পাপাচারে তথা জিনায় লিপ্ত হওয়া আর সব থেকে বড় অপরাধ হলো স্বামীকে ঠকানো।ধরে নিন এই মেয়ে এবং তার পরিবার স্বামী কে নানান ধরনের মিথ্যা এবং ছলনা করে আর আইনের আশ্রয় নিয়ে দমিয়ে রাখলো আর স্বামীকে এবং তার ফ্যামিলিকে নানান ধরনের হয়রানি করলো বা অত্যাচার করলো আইনের আশ্রয় নিয়ে এই দুনিয়ার জীবনে মিথ্যাভাবে বাঁচলো। আর মুক্তময় জীবন কাটালো।
পরকালেও কি তাকে তার পরিবার এবং সেই ক্ষমতার জোরে আইনি সহায়তা বাঁচাতে পারবে?যেখানে সে দাঁড়াবে আসামির কাঠগড়ায় আর স্বামী দাঁড়াবে ন্যায় বিচারের দাবিতে।তখন সে পরকালে আল্লাহর আদালতে কি উত্তর দিবে?
আমার লিখে যাওয়া প্লাটফর্ম এর এই লেখাগুলো থেকে যাবে চিরকাল, সেই সাথ আপনাদের মন্তব্য গুলিও থেকে যাবে অনন্তকাল।তাই আশা করছি আপনাদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্য গুলো কমেন্ট বক্সে দেখতে পাবো ।
| Device | Redmi note 15 |
|---|---|
| Country | Bangladesh |
| Location | Rangpur, Bangladesh |
vote@bangla.witness as a witness
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP












