মেঘলা সন্ধ্যায় অচেনা অতিথি (পর্ব ৩)
হ্যালো স্টিমিট পরিবার 👋
আজ নিয়ে এলাম গল্পের তৃতীয় পর্ব।
গত পর্বে আমরা দেখেছিলাম — সিঁড়ির উপরে এক রহস্যময় ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে ছিল এবং দেয়ালে ঝোলানো ছবিতে রাহুল নিজের মতো একজন মানুষকে দেখতে পায়।
আজ সেখান থেকেই গল্প শুরু করছি…
রাহুল অবাক হয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল।
ছবির নিচে লেখা ছিল —
“রুদ্রনারায়ণ চৌধুরী, ১৮৯৫”
কিন্তু ছবির মানুষটা দেখতে একদম রাহুলের মতো!
হঠাৎ পেছন থেকে সেই ঠান্ডা কণ্ঠস্বর আবার শোনা গেল—
“তুমি অবশেষে ফিরে এসেছো…”
রাহুল দ্রুত পিছনে ফিরে তাকালো।
সিঁড়ির উপরের সেই সাদা পোশাকের ছায়ামূর্তিটি ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসছে।
রাহুলের হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল।
সে জিজ্ঞেস করলো,
“তুমি কে?”
ছায়ামূর্তিটি ধীরে ধীরে বললো—
“এই বাড়ির শেষ সত্য জানার সময় এসে গেছে…”
হঠাৎ দেয়ালের সব ছবিগুলো কাঁপতে শুরু করলো।
চারদিকে অদ্ভুত আলো ছড়িয়ে পড়লো।
রাহুল দেখতে পেল — ছবির মানুষটি যেন ধীরে ধীরে নড়ছে!
ঠিক তখনই বজ্রপাত হলো…
আলোর ঝলকে রাহুল বুঝতে পারলো —
এই বাড়ির ইতিহাসের সাথে তার নিজের পরিবারের একটা গভীর সম্পর্ক আছে।
কিন্তু সেই সম্পর্ক কি?
ছায়ামূর্তিটি কি সত্যিই ভূত?
নাকি এই বাড়ির কোনো অজানা অভিশাপ?
👉 সব রহস্য জানতে অপেক্ষা করুন পর্ব ৪ এর জন্য…
✍️ লেখকের কথা
আপনারা কি মনে করেন —
রাহুল কি এই বাড়ির পুরনো পরিবারের কেউ?
