অকাট্য ভালোবাসা।
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ এর প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই?আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি।আমি @shahid420 বাংলাদেশ থেকে।বন্ধুরা আজকে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে।চলুন আজকের ব্লগ টি শুরু করা যাক।
(আহা কি এক সুন্দর চরিত্রের স্বামী স্ত্রী এবং ভালোবাসার গল্প। সত্যিই আমি মুগ্ধ এরকম ভালোবাসায় আর এরকম স্ত্রী তে। ইনশাআল্লাহ আমার জীবনেও আসবেই প্রত্যাশা উপরওয়ালার কাছেই।)
ভালোবাসার এক অমর দৃষ্টান্ত।জীবন যাবে তবু আমার স্বামী ব্যতিত কেউ আমাকে উপলদ্ধি করতে পারবেনা,একদম কড়া কন্ঠে কথা গুলো সুমি তার পরিবার কে বলছিলো।
আসলে সুমি হলো গ্রামে বাস করা একটি মেয়ের নাম।সে তার মা বাবার সাথেই বসবাস করতো।ছোট্ট সংসার তার বাবাই হলো মধ্যবিত্ত নয়তো তার বাকি বংশধররা ধনী।
সুমি গ্রামের লেখা পড়া শেষ করে রীতিমতো শহরে আসে।প্রায়ই ভাবতো তার পরিবার থেকে আর লেখা পড়া করা হবেনা।খুবই কষ্টে লেখাপড়া করছিলো।খুবই পর্দাশীল এবং দীনদার মে সুমি।কখনোই তার মুখটা অব্দি কোনো পর পুরুষ কে দেখায়নি।একবার এক বড়লোকের ছেলে তার সামনে এসে শুধু দাঁড়িয়ে বলেছিল আমি তোমাকে পছন্দ করি ।সুমি ছেলেটিকে বলেছিল যদি আর কোনোদিন আমার সামনে আসো তাহলে পুলিশের কাছে নিয়ে যাবো।সেই থেকে ছেলেটি আর কখনো সামনে আসেনি।
আবার তারই মাদ্রাসার এক শিক্ষক তাকে বিয়ে করার জন্যে প্রস্তাব দেয়।তখন সি বলে,শুনুন হুজুর আর যদি কোনোদিন এরকম কিছু বলেন তবে জুতা দিয়ে পিটাবো।শিক্ষক লজ্জায় আর কোনোদিন সুমির সাথে এরকম কিছু বলেনি।
তার কিছুদিন পর তার এক কোচিং শিক্ষক তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়,তখন সুমি সাথে সাথে কোচিং শিক্ষক কে জুতা দিয়ে পিটায়। জানা গেছে সেই শিক্ষক আগেও অনেক ছাত্রীকে নষ্ট করেছে।তাই সুমি খুবই আচ্ছাভাবে শিক্ষক কে পিটায়।আর বলে আমি আর আমার সব কিছুই আমার স্বামীর জন্য ।আর কোনোদিন আমার সামনে আসলে পুলিশে দিবো।
সুমির মনে একটাই আশা সে নিজেকে একদম তার স্বামীর জন্য গচ্ছিত রাখবে।আর তার মনে তার ভবিষ্যৎ স্বামি সংসার বাচ্চাদের নিয়ে অনেক আশা ছিল।অনেক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে রেখেছিল স্বামী কে নিয়ে।
যাক সেসব কথা।সুমি খুবই কষ্টে লেখাপড়া করছিলো। কিন্তু শহরে এসে পড়ে বিপাকে।তখন তার ইনস্টিটিউট থেকে অনেক সাহায্য করে।এরই প্রেক্ষিতে সুমির পরিচয় হয় তার ক্লাসমেট নীল এর সাথে।যেহেতু নীল ক্লাসে মেধাবী ছিলো তাই সুমি প্রায়শই নীলের কাছ থেকে সব পড়া বুঝিয়ে নিতো।এভাবেই চলতে থাকলো।কয়েক বছর পর তাদের মাঝে আরো ভালো সম্পর্ক হলো।
সুমি খেয়াল করছিলো অনেকদিন থেকেই যে,সুমি যেমন ছেলে খুঁজছিল ঠিক সব গুণ ছিলো নীলের মাঝে।নিলো ও সুমি কে পছন্দ করতো।এভাবেই চললো আরো খানেকদিন।কিন্তু আজ অব্দি নীল সুমির মুখ দেখতে পারেনি।
নীল একদিন হঠাৎ বললো সুমি তোমার বাবার নাম্বার দাওতো কথা বলবো।সুমি বললো কেনো?নীল বললো আর পাচ্ছিনা।তোমাকে বিয়ে করতে চাই তাই তোমার বাবার সাথে কথা বলবো।
সুমি তো ভীষন রাগ হয়ে গেলো,আর কিছু না বলেই সেখান হতে চলে গেলো।এভাবেই চললো অনেকদিন।নীল খাওয়া করেন পড়া করেনা শুধু সুমিকে নিয়ে ভাবে।সুমিও নীলের ব্যাপারে ভাবছিলো।ভাবলো যদি সে আমাকে বিয়ে করে আর সে তো ভালই,এদিকে অনলাইনে কিছু পরিমাণ টাকা ইনকাম ও করে।
সুমি হঠাৎ নীল কে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলে।নীল ছুটে আসে।সুমি বলে চলো আমাকে বিয়ে করো।তবে শর্ত হলো আমার বাবার সাথে কথা বলো।আর পারিবারিক ভাবে বিয়ে না হওয়া অব্দি কক্ষনো আমাকে ছু বে না।দুজনে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করে নেয়।নীল মোহরের কথা বললে সুমি বলে আমি এক টাকাও চায়না। কাজী অবাক হয়ে গেলো।নানান কথা বললো।
তখন সুমি বললো মোহর হিসেবে আমার স্বামীর নাম লিখুন,আর এটাও লিখুন যদি সে কখনও রাগ করে আমাকে ছেড়ে যেতে চায় তখন যেনো মোহর হিসেবে আমি তাকে আবার নিজের করে পেতে পারি।
নীল এই কথা শুনে সত্যিই খুশিতে কান্না করে দিলো।ভেবে দেখুন আজকালকের মেয়েরা কী ভাবে? আমাকে এত টাকা অত টাকা মোহর দিতে হবে।সেই জায়গায় সুমি বেতিক্রম মে তাইনা?
অবশেষে তাদের মাঝে গভীর সম্পর্ক হয়ে যায়।তারা নিজেকে খুব কাছ থেকে জেনে নেয়।দুজনে এক সাথে খাওয়া করতো একে অপরকে খাইয়ে দিত।নীল সুমির চুল আঁচড়িয়ে দিত তেল দিয়ে দিত বেনুনি করে দিতো।অবশেষে তাদের স্বামী স্ত্রীর ইচ্ছায় কাঙ্খিত সেই মেলামেশা হলো।
দুজনেই খুবই খুশি নীল যা চেয়েছিল স্ত্রীর কাছ থেকে তা পেয়েছে এদিকে সুমি যেমন স্বামী চেয়েছিল তাই পেয়েছে।এখন তাদের মাঝে আরো সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হলো।
তাদের মাঝে আরো ভালো সম্পর্ক হলো।সুমি বুঝল নীল হলো তার সেই ছেলে যাকে সে স্বামী হিসেবে চেয়েছিল।তারপর এক পর্যায়ে তারা তাদের পছন্দের কথা ফামিলিতে জানালে, তাদের ফ্যামিলি নিজে থেকে দুজনের বিয়ে দেয়।
ভাবুন তো এর থেকে কি আর খুশির কোনো খবর হতে পারে এক দম্পতির জন্যে?আজ কালকের দুনিয়ায় এরকম মেয়ে পাওয়া দুষ্কর।
যখন দেখলো নীল তার জীবনে তার স্ত্রী কে ঘিরে যেসব স্বপ্ন আশা করেছিলো সুমি তার থেকেও অনেক পর্দাশীল,নম্র,ভদ্র, বড় বিষয় হলো স্বামী ভক্ত।
সুমি নীলের এক কথায় উপর অটল থাকতো।সুমিকে ভালো পজিশনে পৌছাতে নীল মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও ভারসিটিয়ান লেখাপড়া বাদ দিয়ে সাধারণ লেখাপড়া করে সুমিকে লেখাপড়া করাচ্ছিল।সপ্তাহে একদিন সুমি কে নিয়ে ঘুরতে যায়,দুজনে সুন্দর সুন্দর জায়গায় একসাথে বসে গভীর মনে গল্প করে।
সুমি ফুসকা খেতে চাইলে নীল ইচ্ছে করে বলে এক টাকাও তোমার পিছনে খরচ করবোনা তোমাকে চিনিনা আমি।সুমি তখন নীল কে আরো শক্ত করে জড়িয়ে কাদে আবার রাগ করে থাকে।নীল সেই সুযুগে গিয়ে ফুসকা এনে সুমির সামনে রাখে।সুমি তো মহা আনন্দে লাফিয়ে নীলের কোলে উঠে পড়ে ছোট বাচ্চার মত।নীল বলে শোনো পাগলি আমার সব টাই তোমার জন্যে তোমার পিছনে খরচ করবোনা তো কি?এসব করেছি যাতে তুমি আমাকে আরো ভালোবাসো।দুজন দুজন কে কঠিন ভাবে জড়িয়ে ধরে।তারপর নীল সুমিকে আদর করে ফুসকা খাইয়ে দেয়। এভাবেই চলতে থাকে তাদের দুষ্টু মিষ্টি জীবন।
মাঝে খানে সুমি বার বার বলে আর লেখাপড়া করবেন ডাক্তার ইন্টার্ন দিবেনা কিন্তু নীল এর জোরেই সব করলো।যখন নীল অনেক কষ্ট ঘাম ঝরা পরিশ্রম করে সুমিকে ডাক্তার বানালো তখন সুমির চাচারা সুমির বাবা মা ও পরিকল্পনা করলো সুমিকে আর নীলের সাথে সংসার করাবেনা।সুমি মোটেও বাবার বাসায় যেতে চাইতোনা।
এরই মাঝে সুমির মা নীল কে ফোন করে বলে আমার মেয়ে ডাক্তার তাই লাভ সরছেনা।আরো নানান কথা বলে।নীল তখন বলে আপনি কি চাচ্ছেন,সুমির মা বলে তুমি শুধু আমার মেয়ে কে আমার বাসায় একবার পাঠাও তারপর আমাদের মেয়ে কে আমরা ভালো জায়গায় বিয়ে দিবো।ইদানিং নীল এর সুমির সাথে তেমন কথা বলেনা দুষ্টুমি করেনা।
সুমি খুব চিন্তিত হয়,তখন সুমি ভাবে হয়তো তারই কোনো ভুল হয়েছে । তাই সুমি ঠিক করলো এখন থেকে যদি ভাত ও খায় টাও নীল এর অনুমতি নিয়ে তারপর খাবে।এক কথায় নীল যেমন যা চাইছে এক কথায় তাই তাই করবে।সব সময় সুমি নীল এর যেকোনো অর্ডার এর অপেক্ষায় থাকতো।সুমি জানতে চাইলেও নীল কিছুই বলেনা।সুমিকে নীল তার বাবার বাসায় যেতে বলে।সুমি চলে যায় বাবার বাসায় নীল এর এক কথায় ।
সুমি বাবার বাসায় যায় কিন্তু নীল তার সাথে কথাও বলেনা ফোন ও দেয়না।এভাবেই চলতে থাকে অনেকদিন।কিন্তু সুমি কখনোই তার স্বামীর কথার অবাধ্য হয়না যখন যা বলে ফোন তাই করে।তবুও নীল আর আগের মত কথা বলেনা সুমির সাথে। ফোন কেটে দিয়ে নীল শুধু কান্নাই করে কেবলমাত্র সুমির মা এবং তার আত্মীয়দের পরিকল্পনার জন্য।
সুমি বারংবার তার স্বামীর কাছে আসতে চাইলেও স্বামী নিল তাকে নিষেধ করে। এটাও বলে যে কক্ষনো নীল আর সুমিকে গ্রহণ করবে না। সুমি কে তালাক দিয়ে দিবে। আর বলেছেন যেহেতু তুমি তোমার বাবার বাসায় গেছো এটাই তোমার শেষ আর কখনো আমার কাছে আসা হবে না।
সুমি একথা শোনার পর অজ্ঞেন হয়ে যায়। সুমির বাবা-মা এবং তার পরিবার সে ডাক্তার হওয়াতে তার অনেক আদর যত্ন করে এবং তার খেয়াল রাখে কিন্তু একসময় মোটেও সুমির খোঁজখবর কেউ নিতো না কেবল মাত্র মিল ছাড়া। নীল এত কষ্ট করে যখন সুমিকে ভালো একটা জায়গায় পৌঁছে দিল তখন সবাই তার আদর যত্ন দেখাশোনা এবং কথা বলে সবার সাথে।
সুমির যখন জ্ঞান ফিরলো তখন সে নীল কে ফোন দিল কিন্তু রিসিভ হলোনা।এভাবেই চলতে থাকলো। কিন্তু তবুও সুমি একটা চোর পরিমাণ এমন কোনো কাজ করেনি যেটার জন্য নীল শুনলে কষ্ট পাবে। বা নীল পছন্দ করে না এমন কোন কাজ করা তো দূরের কথা ভাবেও নেই।
অবশেষে একদিন সুমি নীলকে ফোন করে বলল আপনি আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আপনার কাছে যাওয়ার জন্য আমাকে অনুমতি দিন আর যদি অনুমতি না দেন তাহলে অবশ্যই আপনার সামনেই আমি মৃত্যুবরণ করবো। তখন নীল কে ভিডিও কল দিয়ে ফ্যানের মাঝে দড়ি ঝোলায়। ঠিক তখনই নীল বাধ্য হয়ে তার মা এবং আত্মীয়-স্বজনের সকল কথা সুমিকে বলে। বাধ্য হয়ে নীল বলল যদি পারেন তাহলে আপনার ফ্যামিলির বিপরীতে যদি আপনি আমার কাছে আসতে চান তাহলে আসতে পারেন আমার কোন আপত্তি নেই।
মৃত্যুর ভয় দেখানোর জন্যই নীল সুমিকে তার কাছে আসতে বলে। কিন্তু সুমি আসার সময় তার পরিবারের সকলকে একত্রে বসিয়ে বলে যে যদি আর কক্ষনো করবো আমার স্বামীর বিপরীতে অন্য কারো কথা ভেবেছেন আপনারা তবে মনে রাখুন আমার লাশটাই আপনারা চোখ দিয়ে দেখবেন। আমার জীবন চলে যাবে তবুও অন্য কাউকে উপলব্ধিও করবো না আমি। সঙ্গে সঙ্গেই নীল এর উদ্দেশ্যে সুমি সকলকে পরিত্যাগ করে বেরিয়ে পড়ে।
নীল যখন সুমির এই সাহসিকতা শুনলো তখন সুমিকে জড়িয়ে ধরল এবং গভীর আদর করল। তখন সুমি বলল আপনি যদি এরকম সত্য কথাগুলি আগেই বলতেন তবে আমার ফ্যামিলিকে জেলে দিয়ে হলেও আমি আপনার কাছে চলে আসতাম। কারণ আপনি আমার সব। এখন নীল ও বলল সুমি তুমি হলে আমার পৃথিবী আমার সুখ-শান্তির কারণ।
একবার সুমি চেকআপ এর জন্য ডাক্তারের কাছে গেল ডাক্তার যখনই সুমির হাতের দিকে হাত বাড়ানো পালস দেখার জন্য এবং বিপি মাপার জন্যে সুমি তখন কঠিন ক্ষেপে গেলে। ডাক্তারকে অপমান করে বসলো। বলল আমার বিপি আমার হাজবেন্ড মেপে দিবে।অবশেষে সুমি তাই করালো।ডাক্তার নীল কে বললো ভাই আপনি ধন্য এমন স্ত্রী পেয়েছেন।তখন নীল বললো খবরদার আমার কলিজার টুকরা স্ত্রী কে নিয়ে বিন্দু মাত্র কথা বলবেন না।
তখন পুরো ডাক্তারের রুম হেসে উঠলো আর তাদের সম্পর্কের তারিফ করলো।
আরো একবার সুমি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল বাজারের মধ্যে তখন সুমীর পোশাকে শুধু অন্য পুরুষের একটু স্পর্শ হয়েছে এটা সে অনুভব করেছে। সুমি তখন জুতা খুলে পিছনে ঘুরে পিটাতে শুরু করেছে। একদম নাজেহাল করে দিয়েছে। কিন্তু সে জানতো না যে এটা হল তার হাজবেন্ড। একসময় থেমে গিয়ে দেখল এটা নীল। তখন নীল এর পায়ের কাছে শুয়ে পড়লো বলল আমি মনে করেছিলাম অন্য পুরুষ কারণ আপনার হকের এক চুল পরিমাণও কারো সাথে শেয়ার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মেরেছি। নীল সুমির চরিত্রে খুশি হয়ে তাকে নিয়ে বাসায় চলে যায়।
আবার তাদের মাঝে শুরু হল আগের মতই দুষ্টমি এবং নানান ধরনের খুনসুটি। একবার সুমি নামাজে বসেছে আর নীল নামাজ পড়ে বাসায় এসেছি এসে দেখে সুমি নামাজে বসে কাঁদতেছে আর বলতেছে হে আল্লাহ আমার স্বামীকে সকল বদ নজর থেকে হেফাজত করুন এবং আমার স্বামীকে এমন ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দিন যেন আপনি ব্যতীত আর অন্য কারোর কাছে মাথা নত করতে না হয় আর আমার স্বামীকে আমার কাছে কাছে থাকার জন্য আমার প্রতি ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন। তখনই নীল মোনাজাতের মধ্যেই সুমিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কোলে তুলে নিল এবং বিছানায় শুয়ে পড়ল। বলল আপনার দোয়া আল্লাহ কবুল করেছেন আপনাকে ভালবাসার জন্য আপনার স্বামী চলে এসেছে। দুজনেই মধুর আনন্দে আবার আনন্দিত হল।
এভাবেই হাসি আনন্দে চলতে থাকল তাদের জীবন। ঠিক এক বছর বাদে ঘর আলো করে আসলো সুন্দর ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান। যা দুজনেরই সুখের কারণ ভরে দাড়ালো। এক মুহূর্তের জন্যেও আর নীল সুমিকে ছাড়া থাকতে চায় না। সুমির প্রতি ভালোবাসা আরো বেড়ে গেল। মাঝে মাঝে পানির গ্লাসও সুমিকে হাত দিয়ে খেতে দিত না নীল নিজ হাতে পানি খাইয়ে দিত। এভাবেই খুনসুটিতে চলতে থাকে তাদের জীবন সন্ধ্যায় একে অপরের নানান ধরনের জীবনের পূর্বের গল্পগুলি করতে করতে বাচ্চাকে নিয়ে একে অপরের সাথে পুরনো দিনের সেই স্মৃতিচারণ করতে করতে শান্তির নিদ্রায় ঘুমিয়ে গেল।
আমার লিখে যাওয়া প্লাটফর্ম এর এই লেখাগুলো থেকে যাবে চিরকাল, সেই সাথ আপনাদের মন্তব্য গুলিও থেকে যাবে অনন্তকাল।তাই আশা করছি আপনাদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্য গুলো কমেন্ট বক্সে দেখতে পাবো ।
| Device | Redmi 12 |
|---|---|
| Country | Bangladesh |
| Location | Rangpur, Bangladesh |
vote@bangla.witness as a witness
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP












