ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ ফাইনাল!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
এর আগে ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল টুর্নামেন্টের নাম ছিল ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। তবে ফিফা সেটা এখন আনুষ্ঠানিক ভাবে বড় করে আয়োজন করে। এইজন্যই টুর্নামেন্টের নাম এসে দাঁড়িয়েছে এটা। যেখানে পৃথিবীর সব মহাদেশের চ্যাম্পিয়নরা খেলে। ইউরোপ থেকে একটা দল আফ্রিকা থেকে একটা এশিয়া থেকে একটা এবং আমেরিকা অঞ্চল থেকে একটা। গতরাতে সেই ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের ফাইনাল ছিল। যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন লীগ জয়ী ফরাসী ক্লাব পিএসজি এবং কোপা লিবার্তোরাস জয়ী ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লেমেঙ্গো। খেলাটা দেখার জন্য আমি বেশ আগ্রহী ছিলাম। কারণ ব্রাজিলের সাবেক খেলোয়ার ফিলিপে লুইস হলো ফ্লেমেঙ্গো এর কোচ। এবং সে কোচ হয়ে আসার পরে দলটা গত সিজেনে ৬ টা ট্রফি জিতেছে। তবে শক্তির দিক থেকে ইউরোপ শ্রেষ্ঠ পিএসজি ছিল অনেক এগিয়ে।
পিএসজি দলে বেশ কিছু ইঞ্জুরি সমস্যা ছিল। বিশেষ করে আশরাফ হাকিমির না থাকা বেশ ভুগিয়েছে তাদের। পিএসজি ৪-৩-৩ ফর্মেশনে মাঠে নামে। অন্যদিকে ফ্লেমেঙ্গোর ফর্মেশন ছিল ৪-২-৩-১। যাইহোক খেলা শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টার সময়। খেলার শুরু থেকেই যথাযথভাবে বেশ দারুণ গুছিয়ে আক্রমণাত্মক খেলছিল পিএসছি। তাদের সামলাতে বেগ পেতে হচ্ছিল ফ্লেমেঙ্গো খেলোয়াদের। তবে তারাও আক্রমণে যাচ্ছিল। সাধারণত পিএসজি এই সিজেনে বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। ইউরোপের অনেক বড় দলকে নাকানি চোবানি দিয়েছে। কিন্তু ফ্লেমেঙ্গো কে ঐভাবে ডমিনেট করতে পারছিল না। ফ্লেমেঙ্গো তাদের আক্রমণ পুরোপুরি সফল হতে দিচ্ছিল না। তবে অবশেষে পিএসজি গোলের দেখা পাই। ম্যাচের ৩৮ মিনিটের সময় কাভারা এর গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।
প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্লেমেঙ্গো কোচ তার স্ট্যাটাজি তে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে ফ্লেমেঙ্গো। ফলাফল ম্যাচের ৬২ মিনিটে তারা একটা পেনাল্টি পেয়ে যায়। পেনাল্টি থেকে গোল করে জর্জিনহো। ম্যাচে সমতা ফিরে আসে। খেলা চলতে থাকে। পিএসজির হয়ে দারুণ একটা সুযোগ পাই উসমান দেম্বেলে এবং মার্কুইনোস। তবে তারা দুইজনই সেই সহজ সুযোগ মিস করে। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। অতিরিক্ত সময়ের খেলায় পিএসজির চেয়ে ফ্লেমেঙ্গো ছিল বেশি আক্রমণাত্মক। তারা বেশ কিছু আক্রমণ করে কিন্তু গোল করতে পারেনি। খেলা চলতে থাকে। কিন্তু পিএসজিও কোন গোল করতে পারছিল না মোটেই।
নির্ধারিত অতিরিক্ত সময় ৩০ মিনিটের খেলা শেষ হয়। খেলা তখনও ড্র থাকায় খেলা চলে যায় পেনাল্টি শ্যুটআউট এ। ফ্লেমেঙ্গোর হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে আসে নিকোলাস কার্জ এবং সে গোল করে। পিএসজির হয়ে প্রথম পেনাল্টি নেয় ভিতিনহা। এবং ভিতিনহা নিজেও গোল করে। তবে তারপর যেন রচিত হয় এক রুপকথা। পিএসজি গোলকিপারের রুপকথা। টানা চারটা পেনাল্টি শর্ট সেভ দিয়ে দেয়। যা ছিল এককথায় অবিশ্বাস্য। এবং পিএসজি দুইটা মিস করলেও বাকি দুইটা গোল করেছিল। ফলাফল ম্যাচে জিতে যায় পিএসজি। এবং তারা ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়। সবমিলিয়ে ম্যাচটা বেশ দারুণ ছিল। বেশ উপভোগ করার মতো। বরাবরের মতো এবারেও চ্যাম্পিয়ন ইউরোপের ক্লাব।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।















.png)



Daily task
https://x.com/i/status/2001564648773161250
https://x.com/i/status/2001564897356968015