বিশ্বকাপ সমাচার!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
খেলাধুলার মধ্যে আমার সবচাইতে বেশি আগ্রহ ফুটবল নিয়ে। ক্রিকেট নিয়ে খুব একটা আগ্রহ কাজ করে না। এইজন্যই আমি ক্রিকেট খুব একটা দেখিও না। ফুটবলের বিভিন্ন বিষয়ে জানতে এবং লিখতে আমার বরাবরই ভালো লাগে। আজ এমনই একটা বিষয় নিয়ে লিখব। পৃথিবীর খেলাধুলার ক্ষেএে সবচাইতে বড় টুর্নামেন্ট হলো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। এই টুর্নামেন্টে কোন কিছুরই যেন ঘাটতি থাকে না। পৃথিবীর সব দেশ ফিফার এই টুর্নামেন্টে অংশশ নিতে চাই। কিন্তু ফিফার ২১০ টা সদস্য দেশ থেকে মাএ ৩২ টা দল চূড়ান্ত টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারে। যদিও আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে সেটা হয়ে দাঁড়াবে ৪৮ দল। এইতো কিছুদিন আগের কথা। ইউরোপের ছোট্ট একটা দেশ কোপ ভের্দে। ঠিক দেশ বললেও ভুল হবে। একটা দ্বীপ বলা যায়। তারা আগামী বিশ্বকাপে খেলবে। তাদের দেশের জনসংখ্যা মাএ ৫ লক্ষ।
একটু আবাক হওয়ার মতোই। ৩০ লক্ষ জনসংখ্যার দেশ ক্রোয়েশিয়া তো বিশ্বকাপের নিয়মিত সদস্য। শুধু তাই না তারা তো একটা বিশ্বকাপের ফাইনাল পযর্ন্ত খেলেছে। ঐদিন একটা রিপোর্ট দেখছিলাম যেখানে বলা হয়েছে সবচাইতে বেশি জনসংখ্যার দেশ কিন্তু এখনও বিশ্বকাপ খেলেনি ঐ তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ভারতের নাম। যেখানে তাদের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি সবচাইতে বেশি কিন্তু তারা ফিফা বিশ্বকাপ খেলেনি। তারপর রয়েছে ইন্দোনেশিয়া যাদের জনসংখ্যা প্রায় ৩০ কোটির কাছাকাছি। এরপর রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ আরও বেশ কিছু দেশ। তবে আমি এগুলোই ফোকাস করছি। কারণ এই দেশগুলো আমাদের সাউথ এশিয়ার এবং এগুলোর জনসংখ্যা সবচাইতে বেশি।
মাঝে মাঝে মনে হয় ৫ লাখের জনসংখ্যার দেশ যদি বিশ্বকাপ খেলতে পারে তাহলে আমরা কোটি জনসংখ্যার দেশ হয়ে কেন পারছি না। এগুলো ভাবতে গিয়ে আমি কিছু কারণ খুজে পেয়েছি। যেগুলো মূলত প্রধান আমার মনে হয়। প্রথম কারণ মাঠ। ইউরোপের দেশগুলোর দিকে খেয়াল করলেই দেখবেন প্রতিটা শহরে প্রতিটা এলাকায় একটা করে আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠ এবং একাডেমি রয়েছে। ফলে একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে অনেক ফুটবলার উঠে আসে। কিন্তু আমাদের সাবকন্টিনেন্ট দেশগুলোতে পুরো জেলাতে অথবা বিভাগেও একটা ভালো একাডেমি নেই। তাহলে ফুটবলার তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসবে কীভাবে?? বাইরের দেশগুলোতে একটা ছেলে ৫ বছর যখন বয়স তখনই সে এলাকার ফুটবল একাডেমি তে গিয়ে খেলা শুরু করে।
কিন্তু আমাদের দেশে সেই ছেলে ফুটবল দেখেই ১২-১৩ বছর বয়সে। এদের থেকে আপনি আর কী আশা করবেন। পাশাপাশি তাদের উন্নত মানের ট্রেনিং কোচিং স্টাফ, বাবা মায়ের আগ্রহ এগুলো তো আছেই। কিন্তু আমাদের দেশে এগুলোর কোনটাই নেই। ইউরোপের দেশগুলোতে কোন সম্ভাবনাময় প্রতিভার দেখা পেলেই স্থানীয় কোন ক্লাব তার দায়িত্ব নিয়ে নেয়। চুক্তি করে ফেলে। ফলে সেই প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু আমাদের দেশগুলোতে প্রতিভা গুলো হারিয়ে যায় অভাবের কাছে টাকার কাছে হেরে গিয়ে। নিজেদের জন্য সামান্য একটা স্পন্সর তারা খুজেঁ পায় না। এসব কারণেই তারা ২০ লাখ জনসংখ্যার দেশ হয়েও বিশ্বকাপ খেলে। কিন্তু আমরা কোটি জনসংখ্যার দেশ হয়েও পারি না। পাশাপাশি দূর্নীতি সিন্ডিকেট এসব তো আছেই।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।



.png)


