ফুটবল উন্মাদনা!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
ফুটবল বাংলাদেশে বরাবরই জনপ্রিয়। সত্যি বলতে বাঙালিদের মধ্যে ফুটবল জনপ্রিয়। ক্রিকেটে যতই আমরা বিশ্বকাপ খেলি না কেন বাঙালির রক্তের খেলা প্রাণের খেলা কিন্তু ফুটবলই। এখনও বাঙালি ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান বা আবাহনী মোহামেডানে বিভক্ত। ইদানিং বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল ইদানিং বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। মানুষ আবার বাংলাদেশের খেলা স্টেডিয়ামে গিয়ে দেখা শুরু করেছে। কারণ বাংলাদেশের বেশ কিছু দারুণ খেলোয়ার। যারা বাংলাদেশী বংশভূত তবে ফুটবল ট্রেনিং নিয়েছে ইউরোপে। গত ১৮ নভেম্বর এএফসি এর চ্যাম্পিয়নশীপ কোয়ালিফায়ার এর ম্যাচ ছিল। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ফিফা র্যাংকিং ১৩৬ নাম্বারে থাকা দল ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশের র্যাংকিং ১৮৩।
খেলাটা দেখার জন্য আমি খুব উচ্ছসিত ছিলাম। আমার আগ্রহ ছিল একেবারে তুঙ্গে। সেই জন্য বেশ কষ্ট করে দুইটা টিকিট সংগ্রহ করেছিলাম। ঐ টিকিট কাটির ব্যাপার টা ইতিমধ্যে আপনাদের বলেছি বিগত একটা পোস্টে। মজার বিষয় মাএ তিন মিনিটেই সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। তবে আমি একটা সংগ্রহ করতে পেরেছিলাম। ১৮ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টার সময় খেলা। স্টেডিয়ামের গেট ক্লোজড হবে ৭ টার সময়। অর্থাৎ তার আগেই মাঠে প্রবেশ করতে হবে। আমি এবং আমার চাচাতো ভাই গিয়েছিলাম খেলা দেখতে। ভাইয়া অফিস থেকে সরাসরি চলে গিয়েছিল। আর আমি ঐ ৫ টার দিকে বাসা থেকে বের হয়। যাএাবাড়ি থেকে একটা রিক্সা নিয়ে সরাসরি গুলিস্তান। রাস্তায় যানজট থাকায় যথারীতি আমার দেরি হয়ে যায়।
আমার টিকিটের প্রবেশপথ ছিল স্টেডিয়ামের তিন নাম্বার গেট। কিন্তু আগে কখনও আমি যায়নি বাংলাদেশ জাতীয় স্টেডিয়ামে। এইজন্য গেট খুজতে বেশ সমস্যা হয়েছিল। যাইহোক অবশেষে অনেকের কাছে শুনে চলে যায় তিন নাম্বার গেট। দেখি ভাইয়া দাঁড়িয়ে আছে। যাইহোক তারপর আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে যায়। প্রথমে আমাদের চেক করা হয়। পাওয়ার ব্যাংক, ব্যাগ, ক্যামেরা কোন কিছুই স্টেডিয়ামে অ্যালাও ছিল না। চেকআপ শেষ হলে আমরা চলে যায় টিকিট স্ক্যান করাতে। টিকিট স্ক্যান সম্পূর্ণ হলে আমাদের একটা ব্যান্ড বা ব্যাচ দেবে। ঐটা নিয়েই মাঠে প্রবেশ করতে হবে। ঐটা ছাড়া কোনভাবেই প্রবেশ করতে দেবে না। কিন্তু টিকিট স্ক্যান করাতে গিয়ে শুনি তাদের সার্ভার ডাউন অর্থাৎ কাজ করছে না মোটেই। বেশ কিছুক্ষণ পর তারা কতৃপক্ষের আদেশে টিকিট স্ক্যান করা ছাড়াই আমাদের প্রবেশের জন্য ব্যান্ড টা দিয়ে দেয়।
সেটা নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশপথের লাইনে দাঁড়িয়ে যায়। এবং বেশ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করি। আমরা যখন স্টেডিয়ামে প্রবেশ করি তখন সময় ৬ টা ২০। অর্থাৎ খেলা শুরু হতে তখনই প্রায় দেড় ঘন্টা বাকি ছিল। আমরা গিয়ে প্রথমে আমাদের সিট খুজে বের করি। আমাদের সিট ছিল নর্থ ইস্ট গ্যালারির আপারে এম ব্লকে। বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগলেও অবশেষে আমরা দুজন সিট খুজে পায় এবং সিটে বসে পড়ি। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ছবিবি উঠি ভিডিও করি। তখন অবশ্য কনসার্ট চলছিল। সেটাও উপভোগ করছিলাম। এরই মদের বাংলাদেশ দল স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে। চারিদিকে দর্শকদের উন্মাদনা শুরু হয়ে যায়। এ এক অসাধারণ অনূভুতি। আমরা যেখানে বসেছিলাম সেখান থেকে বেশ সুন্দর দেখা যাচ্ছিল পুরো মাঠ টা। এভাবেই আরও বেশ কিছুক্ষণ কেটে যায়।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।













.png)



Daily task
https://x.com/Emon423/status/1991417391100883014?t=3IRdgecgVKiLZfkJi3nbTQ&s=19