মানুষের খারাপ ব্যবহার সব সময় সহ্য করতে নেই।
কেমন আছেন "আমার বাংলা ব্লগ"এর সকল সদস্যরা? আশা করি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। আশাকরি আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
সহ্য ক্ষমতা ছোটবেলা থেকেই প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে কমবেশি রয়েছে। তাই বলে আমরা যদি সবকিছুই সহ্য করতে যাই তবে আমাদের জীবনটা একদমই অতিষ্ঠ হয়ে পড়বে। আমরা আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ দেখতে পাই যারা প্রতিনিয়ত আমাদের কারণে অকারণে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিকর কথা শোনাতে থাকে। আসলে কিছু মানুষ কিছু সময় বসতে চায় না বা পারে না যে তার কোন কথা কোন পরিস্থিতিতে বলা উচিত এবং কোন পরিস্থিতিতে কোন কথা বলা উচিত নয় এমনকি কথাবার্তা ও কথাটা সাবধানে এবং শালীনভাবে বলা উচিত সেটাও অনেকে বোঝেনা। প্রয়োজন অপ্রয়োজনে অনেকেই অনেক সময় মানুষের মনে আঘাত করা বিভিন্ন ধরনের কথা বলতে থাকে। অনেক মানুষ আছে যারা ইচ্ছাকৃত অন্য মানুষকে আঘাত করে কথা বলে এবং তার ফলে তারা এক পৈশাচিক শান্তি পায়। আসলে কিছু মানুষ আছে এমন যারা অন্য মানুষকে সব সময় ভীষণভাবে খোঁটা দিয়ে কথা বলতে ভালোবাসে আর ভীষণ শান্তি অনুভব করে অন্যকে কষ্ট দিয়ে।
আবার কিছু মানুষ এমন আছে যারা অনিচ্ছাকৃত বা না বুঝে মানুষকে কষ্ট দিয়ে ফেলে বা কষ্ট পাওয়ার মত কথা বলে ফেলে। আসলে আমরা দুই ধরনের মানুষের কথাই বুঝতে পারি কারণ আমরা জানি কে কেমন প্রকৃতির মানুষ, কে আমাদেরকে ইচ্ছাকৃত আঘাত করছে এবং কে আমাদের অনিচ্ছাকৃত আঘাত করছে সেটা বোঝবার ক্ষমতা আমাদের হয়েছে এমনকি মানুষের কথা শুনলেও এটা বোঝা যায়। কিন্তু আমরা যদি প্রতিনিয়ত এইসব মানুষের কথা শুনতে থাকি আর আমাদের যেভাবে মনে আঘাত করতে থাকে আমরাও তেমন যদি আঘাত পেতে থাকি এবং সহ্য করতে থাকি তবে এইসব মানুষ ভীষণভাবে পেয়ে বসে আর আমাদের প্রতিনিয়ত আঘাত করতেই থাকে। আসলে সহ্য করার একটা সীমা আছে আমাদের যতটুকু সহ্য ক্ষমতা ততটুকুই আমাদের সহ্য করা উচিত। কিন্তু যখন আমরা দেখছি যে সামনের মানুষটি আমাদের প্রতিনিয়ত আঘাত করেই যাচ্ছে এবং আমাদের মনে এবং মস্তিষ্কে ভীষণভাবে সে আঘাতের ফলে কষ্ট অনুভব হচ্ছে স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার ক্ষমতা আমরা হারিয়ে ফেলেছি আর প্রতিনিয়ত তাদের কথায় আমরা মনে আঘাত অনুভব করছি কষ্ট পাচ্ছি সে ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই প্রতিবাদ করা উচিত।
আসলে প্রতিনিয়ত আমরা যদি কারোর আঘাত মূলক কথা সহ্য করতে থাকি অর্থাৎ কেউ আমাদের কটু কথা বলছে আর আমরা চুপচাপ শুধু শুনেই যাচ্ছি তবে একসময় দেখা যাবে যে তাদের কথা আমাদের মনে এতটাই আঘাত করছে যে আমরা ভালো মনে কোন কাজ করতে পারছি না বা ভীষণ কষ্ট অনুভব করছি আর সুন্দরভাবে কোন কিছু চিন্তা ভাবনা করতে পারছি না মানসিকভাবে ভীষণই ভেঙে পড়তে শুরু করেছি তবে অবশ্যই আমাদের সেই সব কথায় প্রতিবাদ করা শুরু করা উচিত। দেখা যায় আমরা যত বেশি সহ্য করতে থাকি এবং অন্যের কটু কথা শুনতে থাকি ততই আমরা নিজের শরীর এবং মনকে অসুস্থ করে ফেলি। তাই আমাদের যখনই কেউ কোন কুরুচিকর ও কটু কথা বলতে আসে আমরা যদি তখনই তার উত্তর দিই তবে আমরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে যে স্বস্তি পাবো তার পাশাপাশি সেই ব্যক্তিও আমাদের দ্বিতীয়বার কোন খারাপ কথা বলার সুযোগ পাবে না। অর্থাৎ সেই ব্যক্তিও বুঝতে পারবে যে আমরা তাদের কোন ধরনের খারাপ কথা বা খারাপ আচরণ মুখ বুজে সহ্য করব না।
আমরা যদি কারোর কু রুচিকার কথা বা আমাদের মনে আঘাত করা কথা সহ্য না করি এবং সাথে সাথে উত্তর দিয়ে দিই তবে এইসব খারাপ মানুষ আমাদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে কারণ তারা বোঝা যাবে যে আমাদেরকে তারা কথা শুনিয়ে কোনভাবেই পৈশাচিক শান্তি পাবে না বরঞ্চ তারা তাদের কথার বিপরীতে উত্তর পেয়ে যাবে আর আমরা প্রতিবাদ করতে জানি। প্রতিবাদ না করলে মানুষ সব সময় আমাদের পেয়ে বসে আর সরলতার প্রতিনিয়ত সুযোগ নিতে থাকে। আর তার পাশে আমরা যেটা যে মানুষের সাথে আশা করি না বা আমরা যে খারাপ কাজটা করি না সেটার জন্য আমাদের বিভিন্ন ধরনের খারাপ কথা শুনতে হতে পারে তাই আমরা যদি একবার প্রতিবাদ করা শুরু করি তবে আমাদেরকে সেই সব খারাপ কথা শুনতে হবে না এবং কারোর খারাপ আচরণ সহ্য করতে হবে না। আমরা যদি সহ্য করতে থাকি তখন মানুষ আমাদের দুমড়ে-মুছরে একদমই ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে মানসিক ও শারীরিক শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা করে কিন্তু একবার প্রতিবাদ করা শুরু করলে তখন কেউই পারবে না আমাদের শান্তি নষ্ট করতে এমনকি আমাদের জীবনের সুন্দর স্বাভাবিক জীবনযাপন নষ্ট করতে।
ক্যামেরা পরিচিতি : Realme
ক্যামেরা মডেল : realme narzo 60 pro
ক্যামেরা লেংথ : 26 mm
আশা করি আজকের পোস্টটি আপনার খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করে অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না।

