কর্তব্যের কাছে আপন কেহ নাই।
আশাকরি " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই ভালো আছেন। আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আপনারা সবাই সুস্থ আছেন। মহান সৃষ্টিকর্তা এবং আপনাদের আশীর্বাদে আমিও সুস্থ আছি। আজ আপনি আপনাদের সাথে কর্তব্য সম্পর্কে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট করলাম।
লিংক
এই পৃথিবীতে সবাইকে তার নিজের কর্তব্য করতে হয়। আসলে এই কর্তব্যের কাছে কখনো আপন পর বলে কেউ থাকেনা। আর যারা এই পৃথিবীতে তাদের নিজেদের কর্তব্য করতে ব্যস্ত থাকে এবং তাদের পুরো কর্তব্য সম্পন্ন করতে পারে তারাই কিন্তু জীবনে মানুষের কাছ থেকে ভালোবাসা পেতে পারে। একটা জিনিস আমরা খেয়াল করে দেখেছি যে যারা প্রকৃত জ্ঞানী মানুষ এবং প্রকৃতি জ্ঞান অর্জন করে জীবনে বড় হতে পেরেছে এবং বড় ধরনের দায়িত্ব কোন কর্তব্য পালন করছে তারা সব সময় নিজেদের কর্তব্যের কাছে অনেক বেশি দৃঢ় থাকেন। এছাড়াও এই কর্তব্যের কাছে তাদের কোন আত্মীয়-স্বজন কখনো কোন ধরনের সুযোগ সুবিধা পেতে পারে না। যদিও সে চাইলে তাদের সুযোগ সুবিধা দিতে পারে।
কিন্তু এই ব্যক্তির কখনো অন্যায় ভাবে তাদের নিজেদের আপনজনদের সুযোগ-সুবিধা দেখার কোন ইচ্ছা থাকে না এবং তারা সবসময় চেষ্টা করে কি করে দেশের মানুষের উপকার করা যায়। আসলে যেসব মানুষেরা শুধু পাওয়ার যোগ্য এবং যারা সবসময় সেই ধরনের কাজকর্ম করে আছে তাদের পাশে এইসব মানুষের সব সময় থাকে এবং তাদেরকে সুযোগ দিয়ে জীবনে ভালো কাজ করার মত একটা জায়গায় পৌঁছে দেয়ার জন্য তারা সবসময় চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে। একটা জিনিস আমাদের মনে রাখতে হবে যে এই পৃথিবীতে কেউ কখনো চিরজীবন বেঁচে থাকবে না। আসলে চিরজীবন বেঁচে থাকবে তাদের নিজেদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য গুলো যেগুলো তারা সব সময় সঠিকভাবে পালন করেছেন না খারাপ ভাবে পালন করেছে।
আসলে আপনি আপনার জীবনের যদি সকল কাজকর্ম সঠিকভাবে পালন করতে পারেন তাহলে জীবনে আপনি অবশ্যই বড় হতে পারবেন এবং মৃত্যুর পরে আপনার এই ভালো কাজকর্ম এবং কর্তব্যের জন্য সবাই আপনাকে সবসময় মনে রাখবে। কিন্তু আপনি যদি সারাজীবন খারাপ কাজকর্ম করে যান তাহলে আপনাকে কেউ কখনো মনে রাখবে না এবং আপনার মৃত্যুর পরপর আপনার এই কাজের জিনিসগুলোর খ্যাতি চিরজীবনের জন্য মুছে যাবে। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা সব সময় নিজেদের পরিবারের ক্ষেত্রে দুর্বল থাকে এবং কর্তব্যের ক্ষেত্রে কি করে নিজেদের আপনজনদের সাহায্য করা যায় তারা সেই জন্য সবসময় চেষ্টা করে। এর ফলে অন্যায় উপায় অবলম্বন করে তারা বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে।
আসলে এই ধরনের মন মানসিকতার থেকে যারাই বের হয়ে আসতে পেরেছে তারাই আর জীবনে বড় হয়েছে এবং তাদের এই বড় হওয়ার জন্য প্রধানত দায়ী তাদের নিজেদের পরিবার। কেননা তাদের পরিবারের মানুষগুলো যদি তাদের ছোটবেলা থেকে নিজেদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে সঠিকভাবে জ্ঞান দিতে না শেখাতো তাহলে কিন্তু তারা জীবনে এইভাবে কখনো বড় হতে পারত না। একটা জিনিস আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে যে এই পৃথিবীতে যদি আমরা ভালোভাবে বেঁচে থাকতে চাই এবং নিজেদের কর্তব্য গুলো সঠিকভাবে পালন করতে চাই তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে আমাদের নিজেদের দায়িত্ব-কর্তব্য গুলো পালনের পাশাপাশি অন্যের দায়িত্ব করতে হবে যাতে কোন ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে এজন্য আমাদের সবসময় সব দিক দেখেশুনে সামনের দিকে চলতে হবে।

লিংক
আশাকরি আপনাদের সবার খুব ভালো লেগেছে আজকের পোস্টটি । ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।
