কুয়াশার চাদরের নিচে চায়ের উষ্ণতা।
হ্যালো..!!
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি @purnima14 বাংলাদেশী,
আজ- ৩০ শে ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, ২০২৫ খ্রিঃ।
কভার ফটো
কয়েকটি ছবি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমি নিজেও ভালো আছি। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে হাসি খুশি রাখার। আমি "আমার বাংলা ব্লগের" মাধ্যমে আপনাদের সামনে আমার ক্রিয়েটিভিটি তুলে ধরবো।
ক্রিটিভিটি পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি মুহূর্তগুলো আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করে থাকি। আজকেও হাজির হয়েছে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকের শেয়ার করব খুবই সাধারণ একটি দিনের গল্প। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক।
ডিসেম্বর মাসের প্রায় শেষ। এটা বছরের সর্বোচ্চ শীতের মৌসুম। এসময় শীত পড়বে এটাই স্বাভাবিক। আমাদের বাংলাদেশ ষড়ঋতু দেশ। এখানে একাক ঋতু আসে এক এক রকম সাজ নিয়ে। তাদের সাজে মুগ্ধ হয় সকল বাঙালি। শীত আসে কুয়াশার পিঠেপুলির সমাহার নিয়ে।এ সময় বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি নতুন নতুন খাবার জিনিস পাওয়া যায়। শীতের সময় টা খাওয়া দাওয়ার জন্য পারফেক্ট সময় বলা যেতেই পারে।

শীত গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা যে সময় হোক না কেন চা কিন্তু সব ঋতুর সাথে দারুন ভাবে মানানসই। যখন অতিরিক্ত শীত পড়ে তখন ইচ্ছে করে এই ঠান্ডায় এক কাপ চা হয়ে যাক। আবার যখন বৃষ্টি পড়ে তখনও ইচ্ছে করে এক কাপ যা হাতে উপভোগ করি। আবার যখন গরম পড়ে তখন অনেকেরই ইচ্ছে করে নদীর ধারে বসে এক কাপ চায়ে দুঃখ বিলিয়ে দিই। যা আসলে এমন একটা জিনিস যা কখনো অপ্রিয় হওয়ার নয়।

এই কটা দিন হল সূর্যের দেখা নেই। সারাদিন রাত কুয়াশায় ঢাকা থাকে। অনেকেই বলছে এবার শীত একটু বেশি পড়ছে। সারাদিনই কোন কাজ করতে ইচ্ছা করে না। ঘরের মধ্যে থাকতে আর ভালো লাগছিল না। সেজন্য বেরিয়ে পড়েছিলাম একটু হাটাহাটি করতে। প্রথমে দুই ভাই বোন মিলে নিজেদের একটু কাজ শেষ করে চলে গিয়েছিলাম হরিপুর ব্রিজে। শীতের সময় নদীর ধারে খুব একটা কাউকে দেখা যায় না। কারণে সময় নদীর আশেপাশে প্রচন্ড ঠান্ডা থাকে। তারপরেও আমাদের মত কিছু মানুষ গিয়েছিল সেখানে।

আমার তো প্রকৃত উপভোগ করতে ভালো লাগে। তাই যতই আবহাওয়ার খারাপ অবস্থা থাকুক না কেন ঘরে আমার মন টেকে না।সব সময় প্রকৃতি তাকে উপভোগ করতে আমার খুব ভালো লাগে। নদীর ধারে বসে বসে কিছু সময় দেখছিলাম প্রকৃতি। দূরে তাকিয়ে মনে হয় এই বুঝি নদী শেষ। কুয়াশা এতটাই জড়িয়ে রেখেছে কোন কিছুই যেন ঠিক করে দেখা যাচ্ছিল না। দূর হতে দেখছিলাম ছোট্ট একটি নৌকা ভেসে আসছে। আস্তে আস্তে কুয়াশার সরিয়ে যখন সামনে আসে দেখতে বেশ ভালো লাগে।

এরকম ভাবে বসে বসে বেশ কিছুটা সময় কাটানোর পর।দুই কাপ চা অর্ডার করলাম। শীতের সাথে তা না হলে ঠিক জমে। তারপর চায়ের কাপে চুমু দিতে ভীষণ উষ্ণতা অনুভব করলাম। যে উষ্ণতা টা শীতের দিনে ভীষণ দরকার। এমনিতে আমি দুধ চা খেতে পছন্দ করি তবে আমার কাছে মনে হলো এই শীতের সাথে বুঝি লাল চা বেশি মানানসই। তাই দুই ভাই বোন মিলে দু কাপ চা খেয়ে নিলাম।

এভাবেই দু কাপ চায়ের সাথে দারুন এক টুকরো সময় কাটালাম। শীতের প্রতিটা মুহূর্তই যেন উপভোগ্য। যদিও ব্যস্ত মানুষের কাছে সেটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তবে চায়ের সাথে সময় কাটিয়ে বেশ ভালো লাগতো। শীতের সকালে কিংবা সন্ধ্যায় এরকম এক কাপ চা হলে মন্দ হয় না। আজ এই পর্যন্তই।

ছবির বিবরণ
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ২০ শে ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
প্রিয় বন্ধুরা,আমার আজকের ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে সবসময় পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন।
আমি কে !
আমি পূর্ণিমা বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @purnima14। আমি আমার মাতা-পিতা এবং নিজের মাতৃভূমি ও মাতৃভাষাকে ভালবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সিভিল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, কবিতা লিখতে ও আবৃত্তি করতে, গান শুনতে, যেকোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।
@purnima14







