লাইফ স্টাইল :- ভাগ্নির বৌভাতের খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্ত।

in আমার বাংলা ব্লগ3 days ago

হ্যালো বন্ধুরা

হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে লেখালেখির পোস্টগুলো লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। ইতিমধ্যে সবার লেখার পোস্ট পড়ে অনেক বেশি উৎসাহ পেয়েছি। তেমনি আজকে আপনাদের সাথে একটি বিষয় শেয়ার করব।

IMG_20251129_154933.jpg

আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব আমার এই হাজবেন্ডের বড় বোনের মেয়ের বিয়ের পোস্ট। আমি এর আগে আপনাদের মাঝে বিয়ের আরও দুটি পোস্ট করেছিলাম। তবে আজকে হচ্ছে ভাগ্নির শ্বশুরবাড়িতে খাওয়া দাওয়া করেছিলাম তার পোস্ট। আমরা কিন্তু সকাল থেকে ভাগ্নির শ্বশুরবাড়িতে যাব এই কারণে রেডি হতে লাগলাম। তবে একবার এক ডিসিশন নিতে লাগলাম। কখনো কখনো ভাবতে লাগলাম তাদের বাড়িতে কি পরে যাব। একবার চিন্তা করে শাড়ি পরে যাব। আবার চিন্তা করতে লাগলাম থ্রি পিস সুট গায়ে দিয়ে যাবো। তবে আমার আরো ভাগ্নে এবং ভাবি ছিল তাদের সাথে শেয়ার করলাম।

IMG_20251129_144518.jpg

পরবর্তীতে সবাই বলতে লাগলো শাড়ি পড়ে যাবে। এরপর আমার হাজব্যান্ড কে জিজ্ঞেস করলাম সেও বলতে লাগলো মন যেটি চাই পরে দেওয়ার জন্য। এরপর আমরা কিন্তু তাড়াতাড়ি করে সবাই রেডি হতে লাগলাম। কারণ শাড়ি পরতে একটু টাইম লাগে সবাইরে। তারপর আমরা একে অপরকে জিজ্ঞেস করে শাড়ি পড়ে নিলাম। আর আমরা যখন রেডি হলাম তখন সাথে সাথে কিন্তু গাড়িও চলে আসলো। এবং বাগদীদের বাড়ি থেকে তার শ্বশুর বাড়ি মোটামুটি দূরে আছে। তারপর আমরা কিন্তু সবাই একে একে গাড়ির মধ্যে বসে গেলাম যাওয়ার জন্য। তবে আমি আগ থেকে গাড়ির গ্লাসের পাশেই বসলাম।

IMG_20251129_143649.jpg

আর গাড়ি করে যখন আমরা যেতে লাগলাম রাস্তার সৌন্দর্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করলাম। প্রায় এক ঘন্টা যাওয়ার পর আমরা ছেলেদের বাড়িতে পৌঁছে গেলাম। তারপর আমরা আস্তে আস্তে বাগনীর হাসবেন্ডের ঘরে গেলাম। এবং সবাই ওইখানে কিছুক্ষণ বসলাম এবং ভাগ্নের সাথে কথা বললাম। আর বাগানের সাথে কথা বলে কিছুক্ষণ সবাই আমরা ঐখানে একত্রিত ছিলাম। এবং ভাগ্নির সাথে আমরা কিছু ফটো তুলে নিলাম। কিছুক্ষণ পরে বলতে লাগলো মহিলাদেরকে খাওয়া দাওয়া করাবে। তারপর আমরা সবাই খাওয়া-দাওয়া করতে প্যান্ডেলে গেলাম। তখন আমাদের ভাগ্নি কেউ সাথে নিয়ে গেলাম। যদিও আমার সাথে আমার বড় ভাগ্নেটি ছিল। আর আমার ননদের বড় মেয়ের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক এবং দুইজন বান্ধবীর মতোই।

IMG_20251129_144555.jpg

সম্পর্কে ভাগ্নি হলেও তার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক এবং যেকোনো কথা তার সাথে শেয়ার করি। এরপর আমরা যখন একসাথে বসলাম এবং খাওয়া-দাওয়া যখন দিল আমরা সুন্দর মতে একে অন্যকে দিতে লাগলাম। এবং সুন্দর করে খাওয়া দাওয়া করতে লাগলাম। তবে আমার হাজব্যান্ড আমার মেয়েকে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। যদিও আমি আর আমার হাজবেন্ডের বড় ভাগ্নি একসাথে বসলাম এক পাশে। এবং আমরা দেখে শুনে খাওয়া দাওয়া করলাম। সত্যি বলতে খাওয়া দাওয়া করতে অনেক ভালো লাগলো। তবে আমি চিংড়ি মাছ খেতে অনেক পছন্দ করি। আর চিংড়ি মাছ খেতে আমার কাছে এমনিতে ভালো লাগে।

IMG_20251129_150744.jpg

আর ওই সময় কিন্তু আমি কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিলাম খাওয়া-দাওয়ার। এবং খাওয়া দাওয়া করার পর আমরা আবার ভাগ্নির হাসবেন্ডের ঘরে এসে বসলাম। সত্যিই খাওয়া দাওয়া করা অনেক ভালো লাগলো। আর যে কোন বিয়েতে গেলে খাওয়া-দাওয়া করতে এমনিতে ভালো লাগে। তারপর আমরা কিছুক্ষণ সময় ঐখানে বসার পর সবাই একসাথে চলে আসবো ঠিক করলাম। আর ওই সময় বাড়ির সামনে আমি আমার হাজব্যান্ড এবং মেয়ে সহ কয়েকটি ফটোগ্রাফি করলাম। এরপর আমরা গাড়ি করে আবার ভাগ্নিদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। সত্যি ঐদিন অনেক ভালো সময় কাটলো আমার। আশা করি আমার এই পোস্ট দেখে আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।

IMG_20251129_144557.jpg

IMG_20251129_142852.jpg

IMG_20251129_150742.jpg

IMG_20251129_150741.jpg

IMG_20251129_144605.jpg

JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7xbS7ungTbMjNMsQ7fPnm8uUBT2bU8Azf8zCDQrq3tkzHjjCFyraxJQeY79tPTN45w8XxU9wtvaFmWRaLhgHSy5GYKQ6bg.png

IMG-20211226-WA0000.jpg

আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।

35FHZ8gBpndbrF88KC8i6DmfoqNdVfSnhzJshZCJksDJs27YpCCUjp1oaP6ko3mLJbQtLE76ZKc5r3aFXKh8EK2Xg2XbxHP97436Dksrat...K3RRDcGvdyC6bx3TE39Zctd2ho1pJ1hm9nj6RC6gfhhSEVDEf6zHmiqsgBwDTEDG8onxfxrWKe5ZMmiwAvtnX6XvsCqykCT5aFqMFBq2wcdKNs74j1RgTuza3g.png

🥰 ধন্যবাদ সবাইকে 🥰

Sort:  

Congratulations!

Your post has been manually upvoted by the SteemPro team! 🚀

upvoted.png

This is an automated message.

💪 Let's strengthen the Steem ecosystem together!

🟩 Vote for witness faisalamin

https://steemitwallet.com/~witnesses
https://www.steempro.com/witnesses#faisalamin