কিশোর গ্যাং।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।প্রত্যাশা করি সবাই সবসময় ভালো থাকেন-নিরাপদে থাকেন। আজ আজ ৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,শরৎকাল ।২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রীস্টাব্দ। আজ একটি জেনারেল রাইটিং আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
কিশোর গ্যাং শব্দটি আজ ঢাকা শরের একটি আতংকের নাম।বিভিন্ন পাড়া ও মহল্লায় গড়ে উঠেছে এই গ্যাং। যাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছরের তারাই এই কিশোর দলের সদস্য। কোন কোন ক্ষেত্রে এদের পিছনে এর চেয়ে বেশি বয়সীরাও কাজ করে। কেবল ঢাকা শহরেই যে এই কিশোর গ্যাং রয়েছে তা নয়। ঢাকার বাহিরে ও মফস্বল এলাকাতেও এই কিশোর গ্যাং ভয়াবহ রুপ ধারন করেছে।
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, এই কিশোর গ্যাং গড়ে উঠার পেছনে কারন হিসাবে তারা উল্লেখ করেন যে,পারিবারিক সচেতনতা, সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় না দেয়া,নীতি শিক্ষার অভাব,একক পরিবার সেই সাথে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার।সেই সাথে রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব। রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে এই কিশোর গ্যাংদের বিভিন্নভাবে ব্যবহার করার কারনে।
এই কিশোর গ্যাং দের বয়স যেহেতু কম তাই তারা বিভিন্ন প্রলোভনে সহজেই বিভিন্ন অপরাথ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরে।সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে অথবা একটি ফোন পাওয়ার লোভে তারা অপরাধী হয়ে উঠে। এই সকল কিশোর গ্যাংদের ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কার্য পরিচালনা করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ।মাদক পাচার ও অস্ত্র পাচারে এই কিশোর গ্যাংদের ব্যবহার করা হয়।বর্তমানে এই কিশোর গ্যাং ভয়াবহ রুপ ধারন করেছে। এখনই প্রতিকার করা না গেলে দেশে এই গ্যাং ভয়াবহ রুপ ধারন করবে। কিশোর গ্যাং প্রতিকার করার ক্ষেত্রে পরিবার একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যদি পরিবারের সকলে সদস্যদের সাথে বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক থাকে,সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ওপর নিয়মিত নজর রাখা যায়,সন্তান কাদের সাথে মিশছে সেই দিকে যদি নজর দেয়া যায় তবে এই সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হবে।
আজ এখানেই শেষ করছি। আবাএ দেখা হবে নতুন কোন লিখস নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন। শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং |
| মোবাইল | Redmi Note 5A |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।


