গঞ্জালো ম্যাজিক!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
গঞ্জালো গার্সিয়ার বয়স একেবারে কম। রিয়ালের একাডেমি থেকে সরাসরি উঠে এসেছে মূল দলে। তবে যেই দলে এমবাপ্পে ভিনিসিয়াসদের মতো খেলোয়ার রা রয়েছে সেখানে সুযোগ পাওয়া মোটেই সহজ না। তার সাথেও সেটাই হয়েছে। অধিকাংশ সময় থাকতে হয়েছে একাদশের বাইরে। অল্প সময়ের জন্য পরিবর্তিত খেলোয়ার হিসেবেও সে মাঠে নামতে পারেনি। গত সপ্তাহে এমবাপ্পে ইঞ্জুরিতে পড়লে এবং এন্ড্রিক লোনে লিও তে পাড়ি দিলে এই ম্যাচের আগে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে শাবির কাছে একমাত্র উপায় ছিল গঞ্জালো গার্সিয়া। যথারীতি শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে যায় সে। এবং এই সুযোগের শতভাগ ব্যবহার করেছে। নতুন বছরে এটা লা লীগায় প্রথম ম্যাচ উইক। ঘরের মাঠ সান্তিয়্যাগো বার্নাব্যুতে মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ রিয়াল বেটিস।
রিয়াল মাদ্রিদ ৪-২-১-৩ ফর্মেশনে মাঠে নামে। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ রিয়াল বেটিসের ফর্মেশন ছিল ৪-২-৩-১। খেলা শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টা ১৫ মিনিটে। দীর্ঘদিন পরে মাদ্রিদের ম্যাচ অনূভুতি টাই ছিল একেবারে অন্যরকম। খেলার শুরু থেকেই বেশ ভালো গতিশীল ফুটবল খেলছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ভিনিসিয়াস বেশ দারুণ ভাবে বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু সেগুলো থেকে ঐভাবে গোল আসেনি। এই ম্যাচে রদ্রিগো ছিল বেশ দারুণ। রদ্রিগো কে আটকাতে গিয়ে প্রতিপক্ষ বার বার ফাউল করছিল। ম্যাচের তখন ২০ মিনিট। ডিবক্সের বাইরে থেকে একটা সেট পিচ পায় রিয়াল মাদ্রিদ। সেটা নেয় রদ্রিগো। রদ্রিগোর নেওয়া সেট পিচ থেকে হেড দিয়ে গোল করে গঞ্জালো গার্সিয়া। এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। খেলা শেষ হয় প্রথমার্ধের।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ তম মিনিট তখন। ফেদে ভালভার্দের দেওয়া বলে চমৎকার একটা ভলি করে গোল করে গঞ্জালো গার্সিয়া। গোলটা একেবারে দৃষ্টিনন্দন গোল ছিল। এর কিছুক্ষণ পরে ম্যাচের ৫৬ মিনিটের সময় রদ্রিগোর দেওয়া বলে হেড দিয়ে গোল করে রাহুল অ্যাসেনসিও। ম্যাচে ৩-০ তে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। রদ্রিগো ম্যাচে তার দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট করে। সবসময় দারুণ খেলছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ম্যাচের ৬৬ মিনিটের সময় একটা গোল হজম করে রিয়াল মাদ্রিদ। বেটিসের হয়ে গোল করে জুয়ান হার্নান্দেজ। এরপের আরও দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করে রিয়াল বেটিস। কিন্তু সেটাই কোন ফলাফল হয়নি। ম্যাচের ৮২ তম মিনিটের খেলা চলছে। আর্দা গুলার মাঠে নেমেছে পরিবর্তিত খেলোয়ার হিসেবে।
আর্দা গুলার চমৎকার একটা অ্যাসিস্ট করে। আবার সেই গঞ্জালো গার্সিয়া। আর্দা গুলারের অ্যাসিস্টে চমৎকার একটা গোল করে এবং নিজের প্রথম হ্যাট্রিক করে ছেলেটা। চমৎকার একটা হ্যাট্রিক বলা যায়। ম্যাচের ৯৩ মিনিটের সময় ফেদে ভালভার্দের অ্যাসিস্টে গোল করে ফ্রান গার্সিয়া। ম্যাচে পুরোপুরি ৫-১ গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। দিনটা একেবারে নিজের করে রাখলেন গঞ্জালো গার্সিয়া। তার মধ্যে যে প্রতিভা রয়েছে সম্ভাবনা রয়েছে সেটা সে দারুণ ভাবে বুঝিয়ে দিলেন। আশাকরি এরপর থেকে শাবি তাকে শুরুর একাদশে রাখবে। বছরটা ভালো শুরু হয়েছে। এখন শুধু সেই ধারাবাহিকতা টা বজায় রাখতে হবে।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।












.png)



Daily task
https://x.com/i/status/2008085221317738821
https://x.com/i/status/2008085570741014957