শুভ জন্মদিন " হুমায়ুন আহমেদ"
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
নস্টালজিয়া শব্দটা একেবারে অন্যরকম। আমি যদি নস্টালজিয়া ব্যাপারটা খুজে বের করতে যায় তাহলে অনেক কিছুরই নাম মনে আসবে। তবে দারুচিনি দ্বীপ মুভিটা এখনও আমার কাছে যেন একটা নস্টালজিয়া। শুধুমাত্র আমার কাছে বাংলাদেশের একটা প্রজন্মের কাছেই এটা এমন। আমি প্রথম এই মুভিটা দেখেছিলাম খুবই ছোটবেলা বিটিভি তে। এরপর প্রায় ঈদেই মুভিটা টিভি তে দিতো। আমি স্মার্টফোন ব্যবহার করার পর থেকে এখন পযর্ন্ত ইউটিউবে গিয়ে এই মুভিটা অসংখ্যবার দেখেছি। মুভিটা বরাবরই আমাকে নস্টালজিয়া একটা ভাইব দেয়। হুমায়ুন আহমেদ এর দারুচিনি দ্বীপ উপন্যাস এর উপর এই মুভিটা নির্মাণ করেন তৌকির আহমেদ। তবে আমি সব ক্রেডিট দিব হুমায়ুন আহমেদ কে। কী অসাধারণ একটা মাস্টারপিস। এটা দিয়ে মাএ শুরু করলাম। উনার বাকি রচনা গুলোর কথা বলব কিছুটা।
১৯৯০ এর দশকে হুমায়ুন আহমেদ লেখালেখির পাশাপাশি পরিচালনা শুরু করেন। উনার লেখা উপন্যাস গুলো টিভি সিরিয়াল হিসেবে নির্মাণ শুরু করেন। এরমধ্যে অনবদ্য ছিল উনার কোথাও কেউ নেই উপন্যাসের আলোকে তৈরি সিরিয়াল টা। এটা ঐসময় ছিল তুমুল জনপ্রিয়। এমনকি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বাকের ভাইয়ের ফাঁসি আটকানোর জন্য তখন মিছিল পযর্ন্ত করেছিল সাধারণ মানুষ। সেটা এমনই দাগ কেটেছিল মানুষের মনে। এই উপন্যাস টা আমার পড়া হয়েছে পাশাপাশি দেখা হয়েছে এই সিরিয়াল টাও। আপনি যদি আপনার জীবন নিয়ে ব্যক্তিগত লাইফ নিয়ে প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে থাকেন তাহলে উনার নক্ষত্রের রাত উপন্যাস টা পড়তে পারেন। অথবা ইউটিউব থেকে নক্ষত্রের রাত সিরিয়াল টা দেখতে পারেন। খুব বড় না মাএ ২৬ পর্বের। এই সিরিয়ালে বা উপন্যাসে হাসি কান্না আবেগ অনূভুতি শিক্ষা সবকিছু লুকিয়ে আছে।
এভাবে একের পর এক লেখা উনি লিখে গিয়েছেন। জীবদ্দশায় অসংখ্য রচনা করেছেন। কোন একদিকে তিনি থেমে থাকেননি। হুমায়ুন আহমেদ এর হিমুর জনপ্রিয়তা মোটামুটি সবারই জানা। তার মৌলিক সৃষ্টি এই হিমু। যে কীনা হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে খালি পায়ে ঢাকার রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। একটা সময় বাংলাদেশের যুবকদের কাছে হিমুকে অনুকরণ করার একটা ট্রেন্ড পযর্ন্ত দেখা গিয়েছে। আজ রবিবার, বহুব্রীহি, এগুলোর পাশাপাশি উনি বেশ কিছু সিনেমা নির্মাণ করেছেন। শ্যামল ছায়া, দুই দুয়ারি, শ্রাবণ মেঘের দিন এগুলো ছিল উনার পরিচালনা করা অসাধারণ সব মাস্টারপিস সিনেমা। উনার শেষ নির্মিত সিনেমা হলো ঘেটুপুএ কমলা। বাংলার ইতিহাসের তৎকালীন জমিদারদের এক বিকৃত অংশ উনি এটাতে তুলে ধরেছেন।
এভাবে অসংখ্য রচনা উনি করে গিয়েছেন। যদিও একবার হুমায়ুন আজাদ বলেছিল হুমায়ুন আহমেদ এর লেখার কোন গভীরতা নেই। তবে আমি সেটা খুব একটা মনে করি না। হুমায়ুন আহমেদ এর খুব একটা বেশি লেখা আমি পড়িনি। তবে যতগুলো পড়েছি আমার মনে হয়েছে উনি বেশ গুণী একজন লেখক। বাংলাদেশের সবচাইতে খ্যাতিনামা লেখকদের মধ্যে একজন উনি। উনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেক কথা বলা গেলেও সাহিত্য নিয়ে কিছু বলার উপায় নেই। বললে সেটা পজেটিভ বলতে হবে। আজ এই মহান লেখক কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ এর জন্মদিন। উনি ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। উনাকে জন্মদিনে জানাই অনেক অনেক শ্রদ্ধা। আগামী ১০০ বছরেও উনার মতো কোন সাহিত্যিক আসবে না।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।



.png)



Daily task
https://x.com/Emon423/status/1988885736582480062?t=JUPABn9mJfQlQvpiIFReBg&s=19