হেরিটেজ অফ ম্যান ইউ!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের অন্যতম সেরা একটা ক্লাব। বলতে গেলে সবচাইতে ঐতিহ্যবাহী একটা ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঐতিহ্য সংস্কৃতি এগুলোর দিক থেকে লিভারপুলের পরেই যার অবস্থান। সেই ম্যান ইউনাইটেডের সময় এখন খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। সত্যি বলতে গেলে বিগত কয়েক বছর ধরেই তাদের অবস্থা খারাপ। কোচ যায় কোচ আসে কিন্তু তাদের অবস্থা অপরিবর্তনীয় থাকে। সেই নিয়ে তাদের ফ্যানরা বেশ হতাশ। যদিও আমি ম্যান ইউ ফ্যান না। তবুও তাদের প্রতি একটা ভালোলাগা কাজ করে তাদের হেরিটেজ এর জন্য। পাশাপাশি আমার পছন্দের খেলোয়ার রোনালদো খেলেছেন ঐ ক্লাবে। গত সপ্তাহে রুবেন আমরিওম স্যাগ হওয়ার পরে নতুন কোচ হয়ে আসে মাইকেল ক্যারিক। সাবেক এই ইংলিশ খেলোয়ার সম্পর্কে আমার খুব একটা ধারণা নেই।
কোচ হয়ে আসার পরে তার সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ হাজির হয়ে যায় প্রথম সপ্তাহেই। ম্যান ইউনাইটেডের ম্যাচ ছিল ম্যান সিটির সাথে। সহজ ভাষায় যেটাকে বলে ম্যানচেস্টার ডার্বি। সত্যি বলতে তখন হয়তো কেউই চিন্তা করেনি ম্যাচে ইউনাইটেড এমন কিছু করে দেখাবে। ম্যাচ শুরু হয়। পেপ গার্দিওয়ালার ম্যান সিটিকে রীতিমতো নাচিয়ে ছেড়ে ম্যান ইউনাইটেড। তারা যে শুধু ২-০ গোলে ম্যাচ জিতেছে এমনটা না। ম্যাচে দারুণ আধিপত্য বিস্তার করে। এবং অসাধারণ ফুটবল খেলতে থাকে। আধুনিক ফুটবলে টিকিটাকার জনক বলা হয় গার্দিওয়ালাকে। সেই গার্দিওয়ালার ট্যাকটিস কে একেবারে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে মাইকেল ক্যারিকের এই স্ট্যাটাজি। ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ করে ইউনাইটেড। কী পরিণত দল কী অসাধারণ সব বল প্লেইং।
দারুণ ফুটবল খেলে ম্যানচেস্টার ডার্বি জিতে যায় ম্যান ইউনাইটেড। এবং এটা শুধুমাত্র একটা জয় ছিল না। গত ম্যাচে ঐরকম পারফরম্যান্স এর পরে ম্যান ইউনাইটেড ফ্যানরা আবার নতুন করে তাদের দলকে নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। যদি এইরকম ফুটবল টা বাকি সিজেন চালিয়ে যেতে পারে তাহলে আবার তারা ফিরবে চ্যাম্পিয়ন লীগের মঞ্চে। ম্যান সিটির পাসিং ফুটবলের কাছে পজিশনে পারেনি ম্যান ইউনাইটেড। বলতে গেলে ম্যান ইউনাইটেডর চেয়েও দ্বীগুণ সময় বল নিজেদের কাছে রেখেছিল ম্যান সিটি। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। নিজেদের কাছে যে ৩২ শতাংশ বলের দখল ছিল সেই সময়েই ইউনাইটেড পুরো ১১ টা শর্ট করেছে। যার মধ্যে ৭ টা ছিল অন টার্গেট শর্ট। পুরো ম্যাচে সিটির গোল করার সম্ভাবনা ছিল মাএ ০.৪৫ সেখানে ইউনাইডের ছিল ২.২৭।
ম্যাচটা নিয়ে বিশেষ ভাবে এইজন্যই বলতে হয় অনেকদিন পরে হয়তো ম্যান ইউ ফ্যানরা তাদের সেই চিরচেনা ম্যান ইউনাইটেড কে দেখতে পেল। যে ম্যান ইউনাইটেড ছিল স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন এর সময়ে। গতম্যাচে এই মানুষ টাও মাঠে উপস্থিত ছিল। ম্যান ইউনাইটেডর প্রতিটা ম্যাচেই তাকে মাঠে পাওয়া যায়। মাঠে তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখে ঐ মানুষ টার মুখে ফুটে উঠে হাসি। ম্যান ইউনাইটেড যদি তাদের এই ফুটবলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে তারা আবার তাদের সেই ঐতিহ্য সেই হেরিটেজ খুব দ্রুতই ফিরে পাবে। এবং তাদের ফ্যানরা বহু বছর ধরে ঠিক এটার জন্যই যেন অপেক্ষা করছে। ম্যান ইউনাইটেড যখন ফিরবে তখন এইসব হাইব্রীড সিটি তাদের কাছে পাওা পাবে না।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।












.png)


