Better Life with Steem||The Diary Game|| 05 June 2026||
আমার সারাদিনের কার্যক্রমঃ
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগেই টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে হাত-মুখ ধৌত করি। এরপর রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে সকালের খাবার খেয়ে নিই।
সকালের খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে বাড়ির ভিতরে আমাদের ছাগলের ছোট বাচ্চাটি জোরে জোরে কান্না শুরু করে। গতকাল পড়ে গিয়ে সে ব্যথা পেয়েছিল, তাই তাকে কষ্ট পেতে দেখে আমার
খুব খারাপ লাগছিল। তখন আমি শিপন ভাইয়ের ওষুধের দোকানে চলে যাই। সেখানে গিয়ে পুরো বিষয়টি বলার পর তিনি আমাকে "মেডিক্স" নামের একটি ক্রিম দেন। ওষুধটির দাম ছিল ৬০ টাকা। টাকা পরিশোধ করে ওষুধ নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসি।
বাড়িতে ফেরার পথে রোকনের দোকান থেকে পরিবারের সবার জন্য ১ লিটার প্রাণ আপ কিনে নিই। এর জন্য ৬০ টাকা খরচ হয়। বাড়িতে এসে ছাগলের বাচ্চার জন্য আনা ওষুধটি আমার ওয়াইফকে দিই। সে খুব যত্ন করে বাচ্চা ছাগলের শরীরে ওষুধ লাগিয়ে দেয়। আল্লাহর রহমতে কিছুক্ষণ পর থেকেই বাচ্চাটি অনেকটা আরাম পায় এবং কান্নাও কমে যায়।
এরপর পরিবারের সবাই মিলে প্রাণ আপ খাই। খাওয়ার আগে একটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করা হলো। ছবি তোলার পর ঘড়িতে দেখি দুপুর ১টা পার হয়ে গেছে। তখন টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে গোসল করে নিই। গোসল শেষে রুমে এসে ফ্রেশ হই।
কিছুক্ষণ পর আমার ওয়াইফ দুপুরের খাবার পরিবেশন করে। আমি দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য শুয়ে পড়ি। ঘুম থেকে উঠে দেখি বিকেল ৪টা বাজে।
বিকেলে আমার ওয়াইফ আমার বোনকে বললো, জাহিদুল ভাতিজার দোকানে ৫ টাকা দিয়ে লটারি ধরা যায়। তাই আমি, আমার ওয়াইফ এবং আমার বোন একসঙ্গে সেখানে চলে যাই। প্রথমে আমার ওয়াইফ লটারি ধরে একটি বেলুন পায়। এরপর আমার বোনও একটি বেলুন পায়। তারপর আমার পালা আসে। আমি লটারি ধরে খেলনা ১০০০ টাকার একটি নোট পাই।
আসলে এসব লটারিতে সাধারণত কম দামের জিনিসই বেশি থাকে। দামি জিনিসের সংখ্যা খুবই কম। এরপর আমার ওয়াইফ আরেকবার লটারি ধরলো, কিন্তু এবারও একটি বেলুনই পেল। তখন আমি বললাম, আর লটারি ধরার দরকার নেই।
লটারি শেষ হওয়ার পর আমি আমার বোন ও ওয়াইফকে বাড়িতে চলে যেতে বলি। তবে আমি সরাসরি বাড়িতে না গিয়ে আমার ছোট ভাই নুরনবীর সঙ্গে কিছু সময় কাটাই। আমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত একসঙ্গে গল্প-আড্ডা দিই।
সন্ধ্যার পর নুরনবী বললো সে একটি হাতপাখা কিনবে। তাই আমরা আনোয়ারের দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে সে ৩০ টাকা দিয়ে একটি হাতপাখা
কিনে নেয়। দোকানে থাকা অবস্থায় আমি কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করা হলো।
এরপর আমরা দুজন ভাতিজার দোকানে গিয়ে কিছু সময় বসে আড্ডা দিই। এভাবেই সময় কাটতে কাটতে রাত সাড়ে আটটা বেজে যায়। তখন আমরা বাড়িতে ফিরে আসি।
বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে রাতের খাবার খাই। সারাদিনের কাজের কারণে আজকে বেশ ক্লান্ত লাগছিল। তাই আজ আর লুডু খেলিনি। অনলাইনে কিছু সময় কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক, এভাবেই কেটেছে আমার দিনের সম্পূর্ণ কার্যক্রম। আশা করি আমার আজকের পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্য করে আপনার মতামত জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।





Thank you so much for your support dear❤️❤️❤️