Better Life with Steem||The Diary Game|| 06 June 2026||
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠে আজকেও প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করার জন্য আমাদের বাড়ির সামনে গিয়েছিলাম।সেখানে গিয়ে প্রকৃতির মাঝে কিছু সময় কাটাই।যাইহোক, প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করার
সময় একটা ছবিও তুলে রেখেছিলাম,যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। ছবিতে দেখতে পারছেন বাড়ির সামনে একটা গাছের বাগান রয়েছে। সেই বাগানের ছবি তুলে রেখেছি। ছবি তোলার পর আরও কিছু সময় সেখানে প্রকৃতির মাঝে সময় দিই।
আজকে প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করে অনেক ভালো লেগেছে। কারণ এমনিতেই সকালবেলার পরিবেশ অনেক সুন্দর থাকে, তার মধ্যে প্রকৃতির ছোঁয়া সবকিছু আরও বেশি উপভোগ্য করে তোলে। যাইহোক, প্রকৃতির মাঝে সময় দিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর বাড়িতে চলে আসি।
বাড়িতে এসে হাত-মুখ ধৌত করি। এরপর দাঁত ব্রাশ করে নিজেকে ফ্রেশ করে নিই। ফ্রেশ হয়ে রুমে এসে একটু পরেই সকালের খাবার খাই। সকালের খাবার সম্পন্ন করে কিছু সময় বিশ্রাম নিই।
বিশ্রাম নেওয়ার সময় মনে হলো আমার প্রচণ্ড ঠান্ডা লেগেছে। ঠান্ডার কারণে শরীর ভালো লাগছিল না। তাই চলে গেলাম বেলাল ভাইয়ের ফার্মেসিতে। সেখানে গিয়ে ঠান্ডার ওষুধ হিসেবে হিস্টাসিন ট্যাবলেট নিয়ে আসলাম। দশটি বড়ির দাম নিয়েছিল মাত্র ৫ টাকা।
দাম অনেক কম হলেও আমার কাছে এই ওষুধটি বেশ কার্যকর মনে হয়। যখনই ঠান্ডা লাগে, হিস্টাসিন খেলে আল্লাহর রহমতে দ্রুত আরাম পাই। তাই মাঝে মাঝে ঠান্ডা বেশি লাগলে এই ওষুধ নিয়ে আসি।
যাইহোক, আজকেও হিস্টাসিন বড়ি নিয়ে বাড়িতে এসে খেয়ে নিলাম। ওষুধ খাওয়ার কিছুক্ষণ পর আমার রুমে যাই। রুমে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে
আমার বোন আমাকে একটি বড় আম খেতে দেয়। আমটি হাতে নিয়ে খাওয়ার আগে একটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।
আম খেয়ে দুপুর পর্যন্ত বাসাতেই ছিলাম। এরপর যোহরের আজান দিলে টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে গোসল করি। গোসল শেষে রুমে এসে ফ্রেশ হই। ফ্রেশ হওয়ার পর পরিবারের সকলের সঙ্গে দুপুরের খাবার খাই।
দুপুরের খাবার খাওয়ার পর ভাতিজার দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে একটি ঠান্ডা ড্রিংক কিনে পান করি। যেহেতু বর্তমানে প্রচুর গরম পড়ছে, তাই প্রায়
প্রতিদিনই দোকান থেকে ঠান্ডা পানি বা ড্রিংক কিনে খাই। ড্রিংকটি খেয়ে ভাতিজাকে ৩০ টাকা দিই। স্পিডের তুলনায় এই ড্রিংকটাও আমার কাছে মোটামুটি ভালোই লাগে। তাই প্রায়ই কিনে খাওয়া হয়।
এরপর ভাতিজার দোকান থেকে বাজারে যাই। বাজারে গিয়ে দেখি একজন বিক্রেতা কাঁচা তাল বিক্রি করছে। তাকে দাম জিজ্ঞেস করলে জানাল একটি কাঁচা তালের দাম ২০ টাকা। তাই আমি দুটি কাঁচা তাল কিনে নিলাম।
তাল কেনার পর বিকেল পাঁচটার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। বাড়িতে ফেরার পথে আসমাদের বাড়ির পাশে একটি ফুলগাছ দেখতে পাই। ফুলগুলো আমার পরিচিত ছিল না, কিন্তু দেখতে অনেক সুন্দর লাগছিল। তাই মোবাইল বের করে ফুলগুলোর একটি ছবি তুলে রাখি।
আমি ফুল খুবই পছন্দ করি। যেকোনো জায়গায় গেলে যদি সুন্দর কোনো ফুল চোখে পড়ে,তাহলে চেষ্টা করি তার একটি ছবি তুলে রাখতে। প্রকৃতির এই ছোট ছোট সৌন্দর্য আমার কাছে খুব ভালো লাগে।
ছবি তোলার পর সরাসরি বাড়িতে চলে আসি। বাড়িতে এসে কাঁচা তাল দুটি আমার রুমের টেবিলের ওপর রাখি এবং একটি ছবি তুলে রাখি। পরে আমার বোন তাল কেটে আমাদের দেয়। আমরা সবাই মিলে কাঁচা তাল খাই। তাল খেতে বেশ ভালোই লেগেছে।
তাল খাওয়ার কিছুক্ষণ পরে রোকনের দোকানে চলে যাই।সেখানে গিয়ে কিছু সময় আড্ডা দিই।পাশাপাশি রোকনের সঙ্গে লুডু খেলেও সময় কাটাই। এভাবেই রাত আটটা পর্যন্ত সময় পার হয়ে যায়।
এরপর রাত সাড়ে আটটার দিকে রোকনের দোকান থেকে বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে এসে পরিবারের সকলের সঙ্গে রাতের খাবার খাই। রাতের খাবার শেষ করে আমার রুমে যাই।
রুমে গিয়ে কিছু সময় মোবাইল ব্যবহার করি। এভাবেই সময় কাটতে কাটতে রাত গভীর হয়ে আসে। এরপর নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এ ছিল আমার সেদিনের সারাদিনের কার্যক্রম।আশা করি আমার আজকের ডায়েরি পোস্ট আপনাদের ভালো লাগবে। যদি ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করে আপনার মতামত জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।





