Better Life with Steem||The Diary Game|| 07 June 2026||
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠেই আজকে কিছু সময় প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করি। প্রকৃতির মাঝে কিছু সময় ঘুরাঘুরি করে খুব ভালো লাগে, যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। যাইহোক, প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করার সময় কিছু ছবি তুলে রাখি, যা শেয়ার করা হলো।
যাইহোক, প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি শেষে বাড়িতে আসি। বাড়িতে এসে হাত-মুখ ধৌত করে রুমে আসি। একটু পর মা একটি আপেল কেটে তিন টুকরা করে
আমাকে, আপুকে এবং আমার ওয়াইফকে দেয়। তখন আমি সেই আপেলের টুকরা খাই। খাওয়ার আগে একটি ছবি তুলে রাখি।
এরপর মা আমাকে দুটি বমির ওষুধ আনতে বলে। কারণ মা ও বাবা শেরপুর যাবে এবং গাড়িতে যাত্রা করলে মায়ের বমি হয়। তাই আমাকে ওষুধ আনতে বললে আমি বেলাল ভাইয়ের ওষুধের দোকানে গিয়ে
ওষুধ নিয়ে আসি। নিয়ে এসে মাকে দিলে একটি মা খায় এবং একটি আমার বোন খায়। খাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর তারা শেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
যাইহোক, রেডি হয়ে মা, বাবা ও আমার বোন শেরপুর চলে যায়। বাসায় থাকি আমি ও আমার ওয়াইফ। তারা চলে যাওয়ার পর আমরা সকালের খাবার খাই। খাওয়া শেষে কিছু সময় বিশ্রাম নিই।
বিশ্রাম নেওয়ার পর যখন সকাল ১০টা বাজে, তখন স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাই। কারণ আজকে আমাদের স্কুল খুলেছে। বাড়ি থেকে বের হয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে একটি ভুট্টা ক্ষেত দেখতে পাই। তখন কিছু ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।
ভুট্টা ক্ষেতের পাশাপাশি সুন্দর প্রকৃতির দৃশ্য ও গাছপালা দেখতে পাই। সেগুলোরও কিছু ছবি তুলে রাখি। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে ধীরে ধীরে স্কুলের দিকে এগিয়ে যাই।
স্কুলে যেতে প্রায় ১০ মিনিট সময় লাগে। কিছুক্ষণ পর স্কুলে পৌঁছে অফিসে যাই। অফিসে গিয়ে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সাড়ে ১০টা বাজতে আর মাত্র ১০ মিনিট বাকি।
সেই সময়টুকু অফিসে সবার সঙ্গে গল্প করে কাটাই। একপর্যায়ে সাড়ে ১০টা বাজলে ফরিদ ভাই ক্লাসের ঘণ্টা বাজান। এরপর আগের নিয়ম অনুযায়ী সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস নিই।
দুপুরে টিফিনের সময় হলে আমরা সবাই যার যার বাড়িতে চলে যাই। আমিও বাড়িতে এসে দুপুরের খাবার খাই। খাবার শেষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার দুপুর ২টার পর স্কুলে চলে যাই।
স্কুলে গিয়ে অফিসে প্রবেশ করতেই মুক্তা ম্যাডাম আমাকে বলেন, “হাফিজ, জামরুল ফল খাও।” তখন আমি বলি, “এটা তো পানিফলও বলে!” তখন ম্যাডাম হেসে বলেন, “এটা জামরুল ফল।” যাইহোক, তখন আমি একটি ছবি তুলে রাখি। ম্যাডাম হাসতে হাসতে বলেন, “আবার ছবি তুলতে হবে?” আমি বললাম, “ছবি তুলে রাখি।”
ছবি তোলার পর আমি দুটি জামরুল খাই। খেয়ে ভালোই লাগল। এরপর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ক্লাসের ঘণ্টা বাজলে আবার ক্লাসে চলে যাই এবং নিয়মমতো ক্লাস নিতে থাকি।
এভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়ার পর স্কুল ছুটি হয়ে যায়। ছুটি শেষে আমরা সবাই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। আমিও বাড়িতে ফিরে আসি।
বাড়িতে এসে রুমে প্রবেশ করতেই দেখি মা ও আমার বোন আম গুছিয়ে রাখছে। তখন আমি একটি ছবি তুলে রাখি, যা শেয়ার করা হলো। আমগুলো দেখতে বেশ ভালো লাগছিল।
আমাকে আম খেতে বললে আমি তিনটি আম খাই। আলহামদুলিল্লাহ, আমগুলো খুবই সুস্বাদু ছিল। তৃপ্তি সহকারে আম খেয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই।
আজকে আর কোথাও যাওয়া হয়নি। তাই বাড়িতেই সময় কাটাই। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে গল্প-আড্ডা দিয়ে সময় পার করি।
সন্ধ্যার পর আমার বোন বলে যে বাড়িতে কিছু ফুচকা ছিল। তখন আমার ওয়াইফকে সেগুলো ভেজে দিতে বলা হয়। সে ফুচকা ভেজে আমাদের দিলে আমরা সবাই মিলে খাই। খেতে বেশ মজা লাগছিল।
এরপর রাত ৮টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাই। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে সবসময়ই ভালো লাগে।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাতের খাবার খাই। খাবার শেষে কিছু সময় মোবাইলে কাটাই। এভাবেই সময় পার হতে থাকে।
রাত যখন সাড়ে ১০টা বাজে, তখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিই এবং নির্দিষ্ট সময়েই ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক, এভাবেই কেটেছে আমার পুরো দিনের কার্যক্রম। আশা করি আমার আজকের দিনলিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।







