Better Life with Steem||The Diary Game|| 07 May 2026||
দৈনন্দিন কাজের ফাকে উরস মাহফিলের আনন্দ। |
|---|
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম হতে জেগে উঠে সরাসরি টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে হাত-মুখ ও দাঁত ব্রাশ করে ফ্রেশ হই।এরপর রুমে এসে সকালের খাবার খেতে চাইলে আমার ওয়াইফ আমার কথা শুনে সকালের খাবার দেয়।
তারপর আমি সকালের খাবার সম্পূর্ণ করি।আজকে সকালের খাবার হিসেবে ছিল গরুর মাংসের খিচুড়ি। আলহামদুলিল্লাহ,আজকের সকালের খাবারটা একটু ব্যতিক্রম হলেও অনেক ভালো হয়েছিল।
যাইহোক, সকালের খাবার খেয়ে সকাল ১০ টা পর্যন্ত বাড়িতেই ছিলাম।এরপর সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিই।স্কুলে গিয়ে সকাল সাড়ে ১০ টা হতে ক্লাস শুরু হলে আমরা সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকারা নিজ নিজ ক্লাসে গিয়ে পাঠদান শুরু করি। এভাবে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়ার পর টিফিনের সময় হয়।
টিফিনে বাড়িতে আসার সময় বাজার থেকে ১ কেজি শরবি কলা কিনে নিয়ে বাড়িতে আসি। বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খাই।এরপর কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে আবার স্কুলে চলে যাই। দুপুর ২ টা হতে আবার ক্লাস শুরু হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ক্লাস চলতে থাকে।
বিকাল ৪ টার পর স্কুল ছুটি হলে সবাই যার যার মতো বাড়িতে চলে যায়। তবে আমি স্কুল থেকে সরাসরি বাড়িতে না গিয়ে রোকনের দোকানে যাই।কারণ আজকে আমাদের পাশের গ্রাম চরগিরিশে বার্ষিক উরস মাহফিল ছিল।
রোকনের দোকানে গিয়ে দেখি রোকনসহ ছোট ভাই, সমবয়সী ও বড় ভাইয়েরা সবাই সেখানে ছিল।তখন আমি তাদের বললাম যে আজকে উরস আছে।তারা বললো, “হ্যাঁ, আমরা সবাই রাত ৯ টার পর যাবো।” এরপর আমাকে জিজ্ঞেস করলো আমি যাবো কি না। তখন আমি বললাম আমাকে ফোন দিলেই হবে।
যাইহোক, রোকনের দোকানে সব কথা ফাইনাল করে বাড়িতে চলে আসি।বাড়িতে এসে আসরের নামাজের পর হতে এশার আযান পর্যন্ত বাড়িতেই সময় কাটাই। এরপর এশার আযান দিলে আমি আগেই রাতের খাবার খেয়ে নিই।
রাতের খাবার খেয়ে ঘড়িতে দেখলাম তখন রাত ৮ টা ৩০ মিনিট। এমন সময় রোকন আমাকে ফোন দেয়। আমি ফোন রিসিভ করলে রোকন বলে, “তোমাকে এখনই আমার দোকানে আসতে হবে,সবাই চলে এসেছে।” তখন আমি সরাসরি রোকনের দোকানে চলে যাই। দোকানে গিয়ে দেখি সত্যিই সবাই এসে উপস্থিত হয়েছে।
যাইহোক, রাত যখন ৯ টা বাজে তখন আমরা সবাই মিলে চরগিরিশ উরসের উদ্দেশ্যে রওনা দিই।
সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম অনেক মানুষের সমাগম হয়েছে। উরসে গিয়ে মাইকে শুনতে পেলাম রাত ১০ টা বাজলে সকলের খাবার দেওয়া হবে। তবে রাত ৯ টা ৩৫ মিনিটের দিকে সবাইকে বসতে বলা হলো, কারণ খাবার পরিবেশন শুরু করবে।
আমরাও সবাই লাইনে বসে যাই।বসে থাকার সময় কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো। যাইহোক, উরসে খাবার হিসেবে ছিল ভুনা খিচুড়ি। আলহামদুলিল্লাহ, আজকের উরসের খাবারটাও অনেক ভালো ছিল।
খিচুড়ি খাওয়ার পর আমরা সবাই মিলে কিছু সময় উরস মাহফিলে অবস্থান করি।এরপর রাত যখন প্রায় ১ টা বাজে তখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। বাড়িতে ফিরে এসে রাত ২ টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এভাবেই কেটে গেল আমার ঐদিনের পুরো দিনের কার্যক্রম।আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন।





আমি তো প্রথমে ভাবছিলাম শাহজাহান পীর সাহেবের বাড়িতে মনে হয় ওরস হচ্ছে। পরে ভালোভাবে পড়ে দেখলাম যে চরগ্রিস।
জি ছোট ভাই এটা চরগিরিশ মাঠে বার্ষিক উরস মাহফিল হয়েছে।
Curated By : @ memamun
Many many thanks for your support dear❤️❤️❤️