Better Life with Steem||The Diary Game|| 10 May 2026||
একটি সুন্দর দিন অতিবাহিত করলাম। |
|---|
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হলাম। ফ্রেশ হয়ে রুমে এসে অল্প কিছু সময় বসে থাকলাম। এরপর রুমে থাকা নেক্সাস বিস্কুট খেতে ইচ্ছা হলো। তখন আমার ওয়াইফ রুমে থাকা সেই নেক্সাস বিস্কুটের একটা প্যাকেট এনে দিল।তখন আমি সেই বিস্কুট খেয়েছিলাম।বিস্কুট খাওয়ার একটা ছবিও তুলেছিলাম,যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
যাইহোক,আমাদের পরিবারের সকলে নেক্সাস বিস্কুটটা অনেক পছন্দ করে। তাই গতকাল এই বিস্কুটের তিনটা প্যাকেট দেড়শ টাকা দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
মাঝে মাঝেই এই বিস্কুটের প্যাকেট আনা হয়। বিস্কুট খাওয়ার পরে বাবা আমাকে বলল আজকেও নাকি হালখাতা খেতে যেতে হবে।
তাই আমি বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আবারও হালখাতায় গেলাম।হালখাতায় আজকেও গরুর মাংসের পিটুলি দিয়েছিল।তখন আমি সেই তরকারি নিয়ে বাড়িতে চলে আসি। বাড়িতে এসে ভাতের সাথে গরুর মাংসের পিটুলি খেলাম।আলহামদুলিল্লাহ,আজকের গরুর মাংসের পিটুলিটা অনেক স্বাদ হয়েছিল।
খাবার খেয়ে ঘড়িতে দেখলাম তখন সকাল দশটা বাজে। তাই দশটার পরেই স্কুলে চলে যাই।স্কুলে গিয়ে দেখি সকলেই চলে এসেছে।আমিও সরাসরি অফিস কক্ষে গিয়ে বসি। এরপর সকলের সাথে কিছু সময় আলাপ-আলোচনা করে সময় কাটাই।
এরপর সাড়ে দশটার দিকে ক্লাসের ঘন্টার বেল দিলে সবাই যার যার ক্লাসে চলে যায়। আমিও ক্লাস নিতে যাই। কিছুক্ষণ ক্লাস নেওয়ার পর আধা ঘণ্টার বিরতি দেওয়া হয়। তখন আমি অফিস কক্ষেই বসে থাকি। পরে আবার ক্লাস শুরু হলে ১টা পর্যন্ত মোট তিনটা ক্লাস নিই। এভাবেই দুপুর পর্যন্ত ক্লাস চলতে থাকে।
স্কুল ছুটি হলে টিফিনে বাড়িতে আসি। বাড়িতে এসে দুপুরের খাবার খাই। দুপুরের খাবার খাওয়ার পরে আবার স্কুলে যাওয়ার সময় দেখতে পেলাম আমার এক পোষা মোরগ বাড়ির ভেতরে ঘোরাঘুরি করছে। তখন আমি মোরগটার একটা ছবি তুলে রাখি।
এরপর আবার স্কুলে চলে যাই। দুপুর দুইটা থেকে আবার ক্লাস শুরু হয়। প্রতিদিনের মতো বিকাল চারটা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া হয়। বিকাল চারটার পর স্কুল ছুটি হলে সবাই যার যার মতো বাড়িতে চলে আসি। আমিও বাড়িতে এসে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত বাড়িতেই ছিলাম।
এরপর বিকাল পাঁচটার পরে আমাদের বাড়ির পাশের রোকনের দোকানে গিয়ে বসি। সেখানে গিয়ে দেখি তারা মোবাইলে লুডু খেলছে। আমি বসে বসে সেই খেলাটা উপভোগ করছিলাম। এমন সময় আমার ছোট ভাই জুয়েল সেখানে আসে।
জুয়েল আমাকে বলল তার একটা পুরাতন সাইকেল আছে, সেটা নাকি বিক্রি করবে। তখন সে আমাকে বলল, “ভাই, যদি কেউ সাইকেলটা নিতে চায় তাহলে আমাকে বলিও।” আমি তাকে বললাম আগে সাইকেলটা দেখতে হবে। এরপর আমি, জুয়েল এবং তালহা মিলে তার সাইকেল দেখতে যাই।
সাইকেলটা দেখে বুঝতে পারলাম অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। জুয়েল বলল সে নাকি দুই বছর আগে সাইকেলটা ৮ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিল। কিন্তু এখন দুই বছর ব্যবহার করার পরে সেই সাইকেলের দাম চাচ্ছে ২৫০০ টাকা। তবে সাইকেলের কন্ডিশন দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়, কারণ সাইকেলটা অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। আমি সাইকেলের একটা ছবিও তুলে রাখলাম।
তখন আমি তাকে বললাম, “যদি কেউ এই সাইকেলটা নিতে চায় তাহলে তোকে জানাবো।” যাইহোক, সাইকেলটার দাম সে ২৫০০ টাকা চেয়েছে, কিন্তু আপনাদের মতে কত টাকা হলে এই সাইকেলটা নেওয়া যেতে পারে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।
এরপর ছোট ভাই জুয়েলের সাইকেলের ছবি তুলে রেখে তাকে বললাম পরে যদি কেউ নিতে চায় তাহলে জানাবো। এই বলে সেখান থেকে চলে আসলাম।
সন্ধ্যার পরে আবার রোকনের দোকানে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে রাত প্রায় ৯টা পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলাম। এরপর রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে বাড়িতে চলে আসি।
বাড়িতে এসে দেখি পরিবারের সকলে রাতের খাবার খেয়ে নিয়েছে। তবে আমার জন্য খাবার টেবিলের উপর রেখে দিয়েছিল। তখন আমি রাতের খাবার খাই। খাবার খাওয়ার পরে অল্প কিছু সময় মোবাইলে কাটাই। এরপর রাত যখন দশটা পার হয় তখন ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এটাই ছিল আমার ওই দিনের সকল কার্যক্রম। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন।




