Better Life with Steem||The Diary Game|| 11 May 2026||

in Incredible India21 days ago

IMG_20260511_132914.jpg

প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠে আজকে বাহিরে গিয়ে প্রকৃতির মাঝে কিছু সময় কাটাই। প্রায় ২০ মিনিট সময় কাটিয়ে বাড়িতে এসে হাত-মুখ ধৌত করে ফ্রেশ হই।ফ্রেশ হয়ে একটু পর সকালের খাবার খেতে চাই।তখন আমাকে সকালের খাবার দিলে আমি সকালের খাবার সম্পূর্ণ করি। সকালের খাবার হিসেবে ছিল গরম গরম ভাতের সাথে বোয়াল মাছ।আলহামদুলিল্লাহ,বোয়াল মাছের ভুনা দিয়ে সকালের খাবারটা অনেক ভালো ছিল।

IMG_20260511_132809.jpg

যাইহোক,সকালের খাবার খেয়ে কিছু সময় বাড়িতে থেকে যখন সকাল ১০টা বাজে তখন স্কুলের দিকে রওনা দিই। স্কুলে যেতে প্রায় ১০ মিনিট সময় লাগে। ১০ মিনিট পর স্কুলে পৌঁছে অফিস রুমে প্রবেশ করে দেখলাম দপ্তর ফরিদ ভাই টেবিলের ওপরে কার্টুনে মোড়ানো কি যেন রাখছে।তখন জিজ্ঞেস করলাম,

IMG_20260511_132946.jpg

ফরিদ ভাই বললো দই নিয়ে আসা হয়েছে। কারণ আজকে নাকি স্কুলে দুপুরে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের দুপুরের খাবার খাওয়ানো হবে।আর এর সম্পূর্ণ টাকা দিবে নুরুল আমিন স্যার। যাইহোক, এসব কথা শুনে আমি একটা ছবি তুলে রাখি।

ছবি তোলার পর রান্নাবান্না কে করবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যাইহোক,এগুলোর সিদ্ধান্ত আমাদের হেড স্যার বলে দেন।আর যখন সকাল সাড়ে ১০টা বাজে তখন দপ্তর ফরিদ ভাই ক্লাসের ঘন্টার বেল দিলে আমরা সকলে যার যার মতো ক্লাসে গিয়ে ক্লাস নিই। এভাবে একটি ক্লাস নেওয়ার পর ৩০ মিনিট বিরতি দেওয়া হয়। এরপর আরও ২টা ক্লাস নিয়ে মোট ৩টা ক্লাস দুপুর পর্যন্ত নেওয়া হয় এবং পরে টিফিন দেওয়া হয়।

টিফিন দিলে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা টিফিনে যায়। আর আজকে যেহেতু সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের জন্য দুপুরে খাওয়ার আয়োজন স্কুলে করা হয়েছিল তাই বাড়িতে যাইনি। আজকে টিফিনে সবাই মিলে স্কুলেই খাওয়া-দাওয়া করি।যাইহোক সকলে মিলে খাওয়া-দাওয়া করতে অনেক ভালো লাগলো।আজকে দুপুরে খাওয়া হয়েছিল গরুর মাংসের ভুনা, সাথে ছিল কাটারিভোগ চাউল, সালাদ ও দই।

IMG_20260511_132914.jpg

আলহামদুলিল্লাহ,আজকের দুপুরের খাবারটা অনেক ভালো ছিল।দুপুরের খাবার খেয়ে কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে যখন দুপুর ২টা থেকে আবার ক্লাস শুরু হয়, তখন ক্লাসে গিয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া হয়। এরপর স্কুল ছুটি দিলে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। বাড়িতে

IMG_20260511_132902.jpg

যাওয়ার পথে আমাদের বাড়ির পাশের দাদার দোকান থেকে ৪টি ডিম পলিথিনে নিয়ে বাড়িতে যাই।আর ৪টি ডিমের দাম ৫০ টাকা নিয়েছে।যাইহোক,পলিথিনে থাকা ডিমগুলোর একটি ছবি তুলে রাখি।ছবি তোলার পর এগুলো আমার ওয়াইফের হাতে দিই।

তারপর বাড়িতে ৫টা পর্যন্ত থাকি।বাড়িতে থাকা অবস্থায় আমার ওয়াইফ এক পর্যায়ে আমাকে তার ভোটার হওয়ার টোকেন,যেখানে ভোটার আইডি নম্বর লেখা ছিল সেই কাগজ এনে দেয়।তখন সে আমাকে বলে আজকে যেন অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড বের করে দিই।

IMG_20260511_132843.jpg

এরপর সন্ধ্যার পরে গুলমোড় বাজারে বাবুল বন্ধুর কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ডটি বের করে নিয়ে আসি। আর ভোটার আইডি কার্ড বের করে দেওয়ার জন্য ১০০ টাকা বিল নিয়েছে।

যাইহোক,সেখানে থেকে ভোটার আইডি কার্ড বের করে সরাসরি বাড়িতে চলে আসি।বাড়িতে এসে কিছু সময় বসে থাকি।রাত যখন ৮টা বাজে তখন পরিবারের সকলে মিলে রাতের খাবার খাই।রাতের খাবার খেয়ে অল্প কিছু সময় অনলাইনে থাকি। এরপর রাত যখন সাড়ে ১০টা বাজে তখন ঘুমিয়ে পড়ি।

এই ছিল আমার ঐদিনের সকল কার্যক্রম।আশাকরি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।যদি ভালো লাগে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।

Sort:  
Loading...
 20 days ago 

Thank you so much for your support dear❤️❤️❤️

 19 days ago 

Many many thanks for your support dear❤️❤️