Better Life with Steem||The Diary Game|| 19 June 2026||

in Incredible India2 days ago

প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে উঠে কিছু সময় প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করি। প্রকৃতির মনোরম পরিবেশ উপভোগ করে বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে এসে সরাসরি টিউবওয়েল পাড়ে যাই। সেখানে হাত-মুখ ধুয়ে নিজেকে ফ্রেশ করে রুমে ফিরে আসি।

IMG_20260619_100300.jpg

রুমে এসে সকালের খাবার চাইলে আমাকে খাবার দেওয়া হয়। তখন সকালের খাবার সম্পন্ন করি। আজকের সকালের খাবার হিসেবে ছিল গরম গরম ভাত, শাক ভাজি, পাঙ্গাস মাছ এবং ছাগলের গোস্ত। আলহামদুলিল্লাহ, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকের খাবারটি অনেক ভালো ছিল।

সকালের খাবার শেষ করে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বাড়িতেই ছিলাম। এরপর স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করি। প্রস্তুত হয়ে কিছু সময় রুমে কাটাই। এভাবে যখন সকাল দশটা বাজে, তখন স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

স্কুলে পৌঁছে সকলকে সালাম দিই এবং আমার নির্ধারিত আসনে গিয়ে বসি। বসে সহকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করি। একপর্যায়ে আমাদের আয়া খালা আধা কাঁচা কাঁঠাল ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ঝাল, লবণ ও তেঁতুল দিয়ে সুন্দরভাবে মাখিয়ে সকল স্যারদের মাঝে পরিবেশন করেন।

IMG_20260619_092046.jpg

কাঁঠালের সেই মাখাটি দেখতে যেমন সুন্দর ছিল, খেতেও তেমন সুস্বাদু ছিল। খাওয়ার আগে একটি ছবিও তুলে রেখেছিলাম, যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। এরপর সবাই মিলে কাঁঠাল খাওয়া শুরু করি।

খাওয়া শেষ করে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ক্লাস শুরু হতে আর মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি। কিছুক্ষণ পর সাড়ে দশটায় দপ্তর ক্লাসের ঘণ্টা বাজায়। তখন আমরা সবাই নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে গিয়ে ক্লাস নেওয়া শুরু করি।

আজও সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত মোট চারটি ক্লাস নিয়েছি। ক্লাস শেষে টিফিনের সময় হলে সবাই যার যার বাড়িতে চলে যায়। আমিও বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

IMG_20260619_092113.jpg

বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী রান্নাঘরে কিছু পোল্লা ও শাক রেখে দিয়েছে। আমি জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার বাবা বাজার থেকে এগুলো কিনে এনেছেন। বিষয়টি জানার পর কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি।

এরপর আবার কলপাড়ে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসি। ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খাই। দুপুরের খাবার শেষ করে প্রায় বিশ মিনিট বিশ্রাম নিই। বিশ্রাম শেষে দুপুর দুইটার আগেই আবার স্কুলে চলে যাই।

স্কুলে গিয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া হয়। ক্লাস শেষ হলে সবাই বাড়ির দিকে রওনা দেয়। তবে আমি সরাসরি বাড়িতে না গিয়ে আমার ভাতিজার দোকানে যাই।

IMG_20260619_092436.jpg

দোকানে গিয়ে দেখি ভাতিজা এবং তার ছোট ছেলে দোকানের ভেতরে বসে আছে। সেখানে কিছু ছবি তুলেছিলাম, যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। এরপর আমি একটি স্পিড পানীয় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করি।

IMG_20260619_092409.jpg

ভাতিজা ফ্রিজ থেকে একটি ঠান্ডা স্পিড বের করে দেয়। প্রচণ্ড গরমের কারণে দোকানের ভেতরে সে খালি গায়ে বসেছিল। ছবিতে বিষয়টি লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন, সেদিন গরম কতটা বেশি ছিল। আল্লাহ তাআলা যেন সবাইকে এই গরম সহ্য করার তৌফিক দান করেন। আমিন।

স্পিড পানীয় পান করে আরও কিছু সময় ভাতিজার সঙ্গে গল্প-আড্ডা দিই। এভাবে সময় কাটিয়ে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়িতে ফিরে আসি।

বাড়িতে এসে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান করি। একপর্যায়ে আমার বোন বাড়িতে রাখা আমের ঝুড়ি থেকে কিছু আম আমার সামনে নিয়ে আসে। তখন আমি ভালো ও মিষ্টি আমগুলো বেছে নিয়ে খেতে শুরু করি।

IMG_20260619_092259.jpg

আম খাওয়ার আগে একটি ছবিও তুলে রেখেছিলাম, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি। আম খাওয়ার পর কিছু সময় বাড়িতে কাটাই। এরপর সন্ধ্যার পরে রোকনের দোকানে যাই।

রোকনের দোকানে গিয়ে রাত আটটা পর্যন্ত আড্ডা ও গল্পগুজব করি। সেখানেই বেশ কিছু সময় ভালোভাবে কাটে। রাত আটটার পর বাড়ি থেকে ফোন আসলে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

বাড়িতে পৌঁছে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে পরিবারের সকলের সঙ্গে রাতের খাবার সম্পন্ন করি।

যাইহোক, এভাবেই কেটেছে আমার দিনের সম্পূর্ণ কার্যক্রম। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

Sort:  
Loading...