Better Life with Steem||The Diary Game|| 26 May 2026||

in Incredible India18 days ago

আজকে খুব ভোরে ঘুম হতে জেগে উঠি।ঘুম হতে জেগে কিছু সময়ের জন্য বাহিরে গিয়েছিলাম।বাহিরে গিয়ে আজকে প্রায় ১ ঘন্টার মতো প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করি।ঘোরাঘুরি করার সময় সকালবেলা সুজন বন্ধুর লগে দেখা হয়।তখন বন্ধুর সাথে কিছু সময় আলাপ করি৷

সুজন বন্ধুকে বললাম, “ঢাকা হতে কবে আসছিস?” তখন বললো ২৪ তারিখ। আরো কিছুক্ষণ আলাপ করে বললাম, “বিকালে রোকনের দোকানে দেখা করিস।” তখন সে বললো ঠিক আছে।যাইহোক কথা বলে আমি বাড়ির দিকে যাচ্ছিলাম।

IMG_20260526_080510.jpg

এমন সময় মজনুদের বাড়ির পাশে একটা বেলি গাছ দেখতে পাই।সেই বেলি গাছ দেখে আমার খুব ভালো লাগে।যাইহোক আমি এমনিতেই ফুল প্রেমী মানুষ। ফুলকে অনেক ভালোবাসি,তাই যেখানেই সুন্দর ফুল দেখি সঙ্গে সঙ্গে ছবি তুলে রাখি।আমার সব ধরনের ফুলই ভালো লাগে। আপনাদের কোন ফুল সবচেয়ে বেশি পছন্দ তা অবশ্যই জানাবেন।

যাইহোক ফুলের ছবি তুলে বাড়িতে গিয়ে ফ্রেশ হই। ফ্রেশ হয়ে কিছু সময় পর সকালের খাবার খাই। সকালের খাবার খেয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই।বিশ্রাম নেওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট পর আমার ওয়াইফ আমাকে ডাক দিল।

IMG_20260526_080406.jpg

বাড়িতে রাখা কাঁচা আম ছোট ছোট করে কেটে লবণ ও শুকনা মরিচের গুড়ো দিয়ে সুন্দর করে মাখিয়ে আমাকে খেতে বললো।তখন আমি বিছানা হতে উঠে আমি,আমার বোন ও আমার ওয়াইফ তিনজনে মিলে সেই মাখানো আম খেলাম।সত্যি বলতে কাঁচা আমের সেই স্বাদ অনেক ভালো লেগেছিল।

আম খাওয়ার কিছু সময় পর রুমে এসে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করতে বসি।এভাবে কাজ করছিলাম,এমন সময় আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে ফুচকাওয়ালা অটোগাড়ি করে ফুচকা বিক্রি করতে করতে যাচ্ছিল। সে মাইক দিয়ে বলছিল, “ফুচকা খাবেন ফুচকা!”

IMG_20260526_080305.jpg

এই কথা আমার ওয়াইফের কানে যেতেই সে বললো ফুচকা খাবে।আসলে আমার ওয়াইফ ফুচকা খুব পছন্দ করে।তাই আমাকে ফুচকা আনতে বললো। যাইহোক আমি বাহিরে গিয়ে ফুচকাওয়ালাকে ৫০ টাকার ফুচকা দিতে বলি।

ফুচকা নিয়ে বাড়িতে এসে আমার বোন ও ওয়াইফকে দিলাম।তখন তারা অনেক খুশি হলো।পরে আমরা তিনজনে মিলে মজা করে ফুচকা খেলাম।এভাবে বাড়িতে থাকতে থাকতে যোহরের আযান হয়ে যায়। তখন মসজিদে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে নিই।ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ পর দুপুরের খাবার খাই।

দুপুরের খাবার খাওয়ার পর কেমন যেন ভালো লাগছিল না।সামান্য মাথাব্যথা করছিল।তাই বাড়িতে বসে না থেকে চলে গেলাম বেলাল ভাইয়ের ফার্মেসিতে।সেখানে গিয়ে নাপা এক্সট্রা চাইলাম। বেলাল ভাই আমাকে নাপা এক্সট্রা দিলেন।

IMG_20260526_080531.jpg

যাইহোক ফার্মেসিতে একটা ছবিও তুলে রাখলাম যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।পরে বেলাল ভাইকে এক গ্লাস পানি দিতে বললাম।তিনি পানি দিলে সেখানেই একটি নাপা খেয়ে নিলাম।

কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পরেও মাথাব্যথা পুরোপুরি কমছিল না।তাই সেখানে আর না থেকে বাড়িতে চলে আসলাম।বাড়িতে এসে প্রায় ১ ঘন্টার মতো বিশ্রাম নিই।আলহামদুলিল্লাহ,কিছুক্ষণ পর মাথাব্যথা অনেকটাই কমে যায়।

আসলে সবচেয়ে বড় ডাক্তার হলেন আল্লাহ।আল্লাহ যদি রহমত করেন তাহলে খুব দ্রুতই সুস্থতা পাওয়া যায়।কিছুক্ষণ আগেও খুব খারাপ লাগছিল,কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পর আল্লাহর রহমতে দ্রুত সুস্থ অনুভব করেছি।

আসলে অসুস্থ না হলে সুস্থতার মূল্য বোঝা যায় না। সামান্য মাথাব্যথাতেই আমার খুব অস্থির লাগছিল। তাই সব সময় আল্লাহর কাছে সুস্থতা চাইতে হবে। সুস্থতা আল্লাহর অনেক বড় নিয়ামত।আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন এটাই দোয়া করি। আলহামদুলিল্লাহ,১ ঘন্টা পরে আমি পুরোপুরি সুস্থ অনুভব করছিলাম।

সুস্থ হওয়ার পর আমার আপু বললো আজকে নাকি নিশি বিউটি পার্লারে যাবে।সেখানে গিয়ে একটি কসমেটিকের অর্ডার করবে।তাই বিকাল চারটার দিকে আমরা নিশি বিউটি পার্লারের উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

IMG_20260526_080744.jpg

সেখানে গিয়ে নিশি আপুর সাথে কিছু সময় কথা বলি। পরে আপু জানতে পারলো যে যে কসমেটিকটি চেয়েছে সেটি অর্ডার দিতে হবে। নিশি আপু তিন দিনের সময় নিলেন। আমরা তাকে কসমেটিকটি আনতে বললাম, তিনি বললেন ঠিক আছে।

তার সাথে কথা বলে আমরা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।কিন্তু পথে আপু বললো এখন বাড়িতে যাবে না, নাটুয়ার পাড়া বলে একটি বাঁধ আছে সেই বাঁধে যাবে।তখন আমরা তিনজন ৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে সেই বাঁধে যাই।

বাঁধে গিয়ে দেখতে পেলাম চারদিকে শুধু বালু আর বালু।কারণ বাঁধটি এখনো পুরোপুরি মেরামত করা হয়নি।তখন আমি বললাম, “যখন বাঁধের কাজ শেষ হবে তখন আবার আসবো।”

IMG_20260526_080632.jpg

যাইহোক সেখানে গিয়ে আমরা অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করি।ঘোরাঘুরি করার সময় আমি আপুকে একটি ছবি তুলে দিতে বলি। তখন আপু আমার একটি ছবি তুলে রাখে যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।বাঁধে গিয়ে তিনজনে মিলে অনেক মজা করেছি।অনেকক্ষণ ঘোরাফেরা করার পর সন্ধ্যার আগেই বাড়িতে ফিরে আসি।

বাড়িতে ফিরে রাত আটটা পর্যন্ত পরিবারের সাথে সময় কাটাই।এরপর রাত ৯টার দিকে পরিবারের সকলের সঙ্গে রাতের খাবার খাই।রাতের খাবার খেয়ে কিছু সময় অনলাইনে সময় কাটাই।

রাত যখন ১০টা পার হয় তখন ঘুমিয়ে যাই।এভাবেই কেটে যায় আমার পুরো দিনের কার্যক্রম।আশা করি আমার আজকের দিনলিপি আপনাদের ভালো লাগবে।ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।

Sort:  
 18 days ago 

Thank you so much for your support.❤️❤️❤️❤️

Loading...