Better Life with Steem||The Diary Game|| 27 May 2026||
আজকে একটু দেরিতে ঘুম থেকে উঠি।যেহেতু এখন স্কুল বন্ধ,তাই ইদানিং একটু দেরি করেই ঘুম থেকে উঠা হয়।যাইহোক,আজ সকাল প্রায় নয়টার দিকে ঘুম থেকে উঠলাম।ঘুম থেকে উঠে টিউবওয়েলপাড়ে গিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে রুমে আসি।কিছুক্ষণ পরে সকালের খাবার দিতে বললে আমাকে খাবার দেওয়া হয়।
আজ সকালের খাবার হিসেবে ছিল বাসমতি চালের ভাত,বড় মাছ,টমেটো সালাদ ও তরকারি। আলহামদুলিল্লাহ,আজ বাসমতি চালের ভাত খেয়ে অনেক মজা পেয়েছি।যারা এখনো বাসমতি চালের ভাত খাননি, তারা একবার খেয়ে দেখতে পারেন।এই ভাত সত্যিই অনেক স্বাদ ও মজাদার।
সকালের খাবার খেয়ে রুমে বসেছিলাম।এমন সময় মা আমার রুমে এসে বললো,তার নাকি প্রেসার কমে গেছে এবং শরীর অনেক দুর্বল লাগছে।তাই আমাকে কিছু স্যালাইন এনে দিতে বললো।মায়ের কথা শুনে
আমি বেলাল ভাইয়ের ফার্মেসিতে গেলাম এবং কিছু ওরস্যালাইন নিয়ে আসলাম।স্যালাইনগুলো মাকে দিলে মা অনেক খুশি হলো।আসলে মা যা বলে,আমি সবসময় তা পালন করার চেষ্টা করি।তাই তার কথা শুনেই দ্রুত স্যালাইন এনে দিয়েছিলাম।
এরপর যোহরের আযান পর্যন্ত বাড়িতেই ছিলাম। যোহরের আযান দিলে গোসল করে নিই।গোসল শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে নিই।সামনে ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়া হবেআর এবার প্রশ্ন হাতে লিখে তৈরি করতে হবে।তাই দুপুরের খাবারের পর প্রশ্ন লেখা শুরু করি।এভাবেই আসর পর্যন্ত প্রশ্ন লিখতে থাকি।
আসরের পর একটু বাহিরে যাই।গিয়ে রোকনের দোকানে বসেছিলাম।এমন সময় দোকানের সামনে দিয়ে পেয়ারা বানায় সেই লোক রোকনের দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল।তখন দোকানে বসা এক ছোট ভাই ২০ টাকার পেয়ারা বানানো নিল।তাকে খেতে দেখে আমারও
খেতে ইচ্ছা হলো।আমিও ২০ টাকার পেয়ারার বানানো অর্ডার করলাম।পরে রোকনের দোকানে বসেই মজাদার সেই পেয়ারার বানানো খেলাম। খাওয়ার আগে একটি ছবিও তুলে রেখেছিলাম, যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।সত্যি বলতে অনেক স্বাদ হয়েছিল।
পেয়ারা বানানো খাওয়ার কিছুক্ষণ পর বাড়িতে চলে আসি। রুমে আসতেই ছোট ভাই জাকারিয়া এসে ডাক দিল।সে নাকি ঢাকা থেকে এসেছে।ঢাকা থেকে এসেই আমাদের বাড়িতে এসে আমার খোঁজখবর নিতে এসেছে।
আমি তাকে বাড়ির ভিতরে আসতে বললাম।ভিতরে এসে রুমে বসে কিছুক্ষণ কথা বললো। পরে বললো, “চলো গুলমোড় বাজারে যাই।” এরপর আমি রেডি হয়ে তার সাথে গুলমোড় বাজারে চলে যাই।
বাজারে গিয়ে রবি ভাইয়ের দোকানে ঢুকলাম। জাকারিয়া ছোট ভাই স্কিটো সিম কিনবে।তাই সে রবি ভাইয়ের কাছে সিম নিতে চাইল। রবি ভাই আইডি কার্ড নম্বর চাইলো।এরপর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বললো।
কিন্তু প্রথমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকমতো নিচ্ছিল না,তাই একটু সময় লাগছিল।
পরে আবার কয়েকবার চেষ্টা করার পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া সম্পন্ন হয় এবং সবকিছু সাকসেস হলে তাকে স্কিটো সিমটি দেওয়া হয়।
পুরো কাজ শেষ হতে প্রায় আধা ঘন্টার মতো সময় লেগেছিল।সেই সময় কয়েকটি ছবিও তুলে রেখেছিলাম।এরপর আমরা বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেই।পথে মাগরিবের আযান দিলে
আমি ও জাকারিয়া ছোট ভাই দুজনে অজু করে মসজিদে গিয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করি।নামাজ শেষে আবার কিছুক্ষণ রোকনের দোকানের সামনে বসে গল্প করি।পরে যার যার মতো বাড়ির দিকে চলে যাই।যাওয়ার আগে রোকনের দোকান থেকে তেঁতুলের চাটনি আচার কিনে নিই।
বাড়িতে গিয়ে আচার দেখে আমার ওয়াইফ ও বোন অনেক খুশি হলো।কারণ তারা এই আচার খেতে অনেক পছন্দ করে।এরপর টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসি।
কিছুক্ষণ পর সবাই মিলে রাতের খাবার খাই। রাতের খাবার শেষে কিছু সময় মোবাইলে বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করি এবং অনলাইনে সময় কাটাই। এরপর রাত যখন প্রায় দশটা বাজে, তখন ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এটাই ছিল আমার আজকের পুরো দিনের কার্যক্রম।আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।যদি পোস্টটি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।







