Better Life with Steem||The Diary Game|| 08 May2026||
আমার সারাদিনের কার্যক্রম |
|---|
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। এরপর কিছু সময়ের জন্য প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করি।প্রায় ৩০ মিনিটের মতো বাইরে গিয়ে সকালবেলার সুন্দর পরিবেশের মাঝে সময় কাটাই। সকালের ঠান্ডা বাতাস ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মনটা অনেক ভালো করে দেয়।
এরপর বাড়িতে এসে টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে দাঁত ব্রাশ করে ফ্রেশ হয়ে রুমে আসি।তারপর সকালের খাবার চাই।কিছু সময় পরে সকালের খাবার দিলে আমি খাবার খেতে বসি।আজকের সকালের খাবার হিসেবে ছিল ভাত ভাজি।আলহামদুলিল্লাহ, সকালের খাবারটা বেশ ভালোই ছিল।
সকালের খাবার খেয়ে অল্প কিছু সময় বাড়িতে থাকি। এরপর সকাল প্রায় ১০টার দিকে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।স্কুলে গিয়ে অফিস রুমে বসে থাকি এবং সহকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করি।
গল্প করার এক পর্যায়ে আমাদের দপ্তর ফরিদ ভাই সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের জন্য চা বানিয়ে নিয়ে আসে।এরপর সবাই মিলে চা পান করি।চা খাওয়ার আগে একটি ছবিও তুলে রাখি স্মৃতি হিসেবে।
যাইহোক, কিছু সময় পরে ক্লাসের ঘণ্টা বাজলে আমরা সবাই নিজ নিজ ক্লাসে চলে যাই।প্রতিদিনের মতো সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস চলতে থাকে।এরপর টিফিনের সময় হলে আমি বাড়িতে চলে আসি।
বাড়িতে ফেরার পথে আমার ওয়াইফের জন্য একটি পোলার ক্রাঞ্চি আইসক্রিম কিনে নিয়ে আসি।কারণ এই আইসক্রিমটি তার খুব পছন্দের।
তাই মাঝেমধ্যেই তাকে আইসক্রিম কিনে দেই।আজকে ৫০ টাকা দিয়ে আইসক্রিমটি কিনে এনে তাকে দিলে সে অনেক খুশি হয়ে যায়। তাকে খুশি হতে দেখে আমারও অনেক ভালো লাগে।
এরপর আমি হাত-মুখ ধুয়ে দুপুরের খাবার খাই। দুপুরের খাবার খেয়ে কিছু সময় বিশ্রাম নিই।তারপর আবার ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই স্কুলে চলে যাই। দুপুর ২টা থেকে আবার ক্লাস শুরু হয় এবং বিকেল ৪টা পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া হয়।
স্কুল ছুটি হওয়ার পরে বাড়িতে ফিরে আসি। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাড়িতে থেকে কিছু সময় বিশ্রাম করি। বিশ্রাম নেওয়ার এক পর্যায়ে আমার ছোট ভাই ও খুব কাছের এক বন্ধু আমাদের বাড়িতে আসে। তারা এসে বলল, আমাদের গ্রামের ছোট পার্কটিতে নাকি কয়েক ময়ূর আনা হয়েছে,সেটি দেখতে যাবে। আমিও রাজি হয়ে গেলাম।
এরপর সবাই মিলে পার্কের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। যাওয়ার পথে রেজাউল ভাইদের বাড়ির পাশে টবে লাগানো কিছু গাছের চারা চোখে পড়ে।গাছগুলো দেখতে সুন্দর লাগায় কয়েকটি ছবি তুলে রাখি।
যাইহোক,পার্কটি খুব কাছেই হওয়ায় আমরা হেঁটেই সেখানে চলে যাই। প্রায় ৫ মিনিট হাঁটার পর পার্কে পৌঁছে যাই। পার্কে ঢুকেই সরাসরি যেখানে ময়ূর রাখা হয়েছিল সেখানে চলে যাই। বহুদিন পর বাস্তবে ময়ূর দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো। ময়ূরটির সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। স্মৃতি হিসেবে কয়েকটি ছবিও তুলে রাখলাম।
আশা করি আপনাদেরও ময়ূরের ছবি ভালো লাগবে। যারা কখনো বাস্তবে ময়ূর দেখেননি, তারা আজকের পোস্টের মাধ্যমে কিছুটা হলেও দেখতে পারবেন। আলহামদুলিল্লাহ, বাস্তবে ময়ূর দেখে সত্যিই অনেক আনন্দ পেয়েছি।
সেখানে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কাটানোর পরে আমরা বাজারের দিকে চলে যাই। বাজারে গিয়ে ছোট ভাই ও বন্ধুকে নিয়ে চা পান করি। চায়ের বিল আমি পরিশোধ করি। এরপর আরও কিছু সময় সেখানে আড্ডা দিয়ে
রাত প্রায় ৮টার দিকে বাড়িতে ফিরে আসি।রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে নিই।এরপর রাত ১০টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এভাবেই কেটে গেল আমার পুরো দিনের কার্যক্রম। আশা করি আমার আজকের পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।





