আমার জন্মদিনে - ১ ম পর্ব
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। আজকে বেশ অনেকদিন পর আবার লিখছি। মাঝে কিছু কাজের ব্যস্ততার কারণে লিখতে আসা হয়নি। আজকে আমি আপনাদের সকলের সাথে আমার জন্মদিনের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করতে চলেছি।
ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখ আমার জন্মদিন। গত বছরের ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ পেরিয়ে সদ্য নবজাত শিশুর মত এই বছরটা আবার শুরু করলাম। জন্মদিনের এবার কোনরকমই প্ল্যান ছিল না। আসলে প্রত্যেকবার যে প্ল্যান থাকতেই হবে, এমন তো কোন কথাও নেই। তবে আমার জন্মদিনের আগে থেকেই আমার পার্টনার আমার জন্য প্ল্যান করছিল।
আমি কেমন actually চাই ,সেটা বোঝার জন্য রীতিমত আমাকে টানাটানি করে জিনিসপত্র কিনতে নিয়ে গিয়েছিল। ওর ইচ্ছা ছিল জন্মদিনের দিন টা ও আমার বাড়িতে সন্ধ্যেবেলা এসে ও নিজে থেকে সেলিব্রেট করবে। আমি তাতে বাধা দিইনি। কারণ জন্মদিনের দিনকে ভালোবাসার মানুষটা পাশে থাকলে অবশ্যই ভালো লাগে।
ও আমার জন্মদিনের দিন একেবারে বিকেল বেলায় বাড়িতে চলে এসেছিল। তারপর আমার পাশের বাড়ির ভাইয়ের সাথে পুরোপুরি ডেকোরেশন করেছে। এরকম বোকা বোকা কাজ করতে দেখলে সত্যিই ভালো লাগে। ছোটখাটো জিনিসগুলো অনেকটাই ম্যাটার করে। ও যে এগুলো বোঝে, এটাই অনেক।
ও আসবে বলে বিকেল থেকে ঠিকভাবে ঘুমোতেও পারিনি। জন্মদিনের থেকেও বেশি আনন্দ লাগছিল ও আসবে বলে। এছাড়া জন্মদিন নিয়ে বেশি মাতামাতি ছিল না। আসলে আমি একটা জিনিস ফিল করতে পারলাম।
বড় হওয়ার সাথে সাথে জন্মদিন সংক্রান্ত বিষয়ে চাহিদাগুলো কমে গেছে। আগে খুব মনে হতো অনেক বন্ধু-বান্ধব মিলে জন্মদিন সেলিব্রেট করব। আমার মা-বাবা সবাইকে নিমন্ত্রণ করবে, সবাই আসবে , আমরা মজা করবো। কেক কাটবো। এসব যেন কোথায় হারিয়ে গেছে।
এখন মনে হয় যারা আমার খুব কাছের তারাই যেন জন্মদিনের দিনে আমার আশেপাশে থাকতে পারে। তাদেরকে যেন পাশে পাই সেদিনকে। আর জন্মদিনটা এই ভাবেই কেটে যাক। ভালোবাসার মানুষ সাথে থাকলে আর কি চাই। এবারে জন্মদিন টাও খুব কাছের মানুষদের সাথেই খুব ভালোভাবে কাটিয়েছি।
ভদ্রলোক সন্ধ্যা বেলার মধ্যে খুব সুন্দর ভাবে ডেকোরেশন শেষ করেছিল। এসেই তো প্রথমে বেলুন ফোলানো শুরু করেছিল পাম্পার দিয়ে। ও আমার জন্য অনেক ধরনের অনেক রঙের বেলুন কিনেছিল। পাগলটাকে ওরকম কাজ করতে দেখে মাঝেমধ্যে হাসিও পাচ্ছিল। তারপর লাইট দিয়ে আরো সুন্দরভাবে ঘরটাকে সাজানো হলো। আমার জন্য একটা দুর্দান্ত চকলেট কেক অর্ডার করে রেখেছিল আমারই এক বোনের কাছে।
খুব সুন্দরভাবে কেকটা ডিজাইন করেছিল আমার ওই বোনটা। এতকিছু আয়োজন আমি কোথায় রাখি। একা হাতে এত এত এফর্ট দিয়েছে, এটুকুই যথেষ্ট। ব্যাস আজকে এটুকু দিয়েই শেষ করছি।
পরের দিন বাকিটা শেয়ার করব।





