শপিং - ১ম পর্ব

in Incredible India23 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন ।আজকে আমি আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করতে চলেছি শপিং এর কিছু মুহূর্ত। তবে এই শপিং কিন্তু আগের বছরের। আপনাদের সাথে শেয়ার করব বলে কত ছবি তুলে রাখি ,কিন্তু সময় করে পোস্ট করা হয় না । এ কারণে শেয়ারও করা হয় না, আজকে যেটা শেয়ার করতে চলেছি, সেটা গত বছর আগস্ট মাসের।

1000437699.jpg

তারমানে বুঝতেই পারছেন কতদিন আগেকার ,আজকে গ্যালারি ঘাটতে ঘাটতে ছবিগুলো দেখে মনে হল শেয়ার করে ফেলি । শপিং করতে যেমন ভাল লাগে আমার, তেমন কে কি কিনছে, সেটা দেখতেও কিন্তু আমি বেশ পছন্দ করি, ধরুন আমি যা কিনি, মৌসুমী বৌদিকে দেখাই ,আবার বৌদি যা যা পুজোর আগে কিংবা যেকোনো অকেশানে কিনে থাকে, সেইগুলো আমাকে দেখাতে আসে।

দেখতে বেশ ভালই লাগে। আসলে দেখার থেকেও বড় কথা ,কোথায় কেমন ভালো জিনিস পাওয়া যায়, কোথায় কোয়ালিটির জিনিস পাওয়া যায় এবং দামটাও সেরকম থাকে ,সেটা জেনে বুঝে কেনাকাটা, এটাই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য।

1000437701.jpg

আপনাদের সাথেও তাই আজকে কেনাকাটার একটা অংশ শেয়ার করছি। কেনাকাটা যখন মায়ের সাথে করতে বের হই, তখন প্রায় দু তিন ঘন্টা লেগে যায় ।কারণ মা বাড়ি থেকে বার হয় না বেশি। এ কারণে যখন বার হয়, সেই সময় অনেক কাজ নিয়ে বের হয়,অর্থাৎ একটুতে কাজ হবে না ,বেশ অনেকটা সময় লাগবে। মায়ের সাথে বেরিয়ে সেদিন অনেক কেনাকাটা করেছিলাম ,তার মধ্যে কিছু অংশ আজকে শেয়ার করছি।

1000437700.jpg

মায়ের সাথে প্রথম এ চলে গিয়েছিলাম ঢাকেশ্বরী বস্ত্রালয়। আমাদের কৃষ্ণনগরের মধ্যে একটা অন্যতম বিখ্যাত একটা কাপড়ের দোকান। অনেক ছোটবেলা থেকেই এই দোকান এ আমি কেনাকাটা করছি। আমার বাবা এবং এই দোকানের মালিক ভীষণ পরিচিত ,এ কারণে কেনাকাটার ওপর একটু হলেও ওরা ডিসকাউন্ট করে।

সেদিন ওদের দোকানে যাওয়ার প্রথম কারণ ছিল আমার মা বিবাহ বার্ষিকীতে একটি শাড়ি গিফট পেয়েছিল বেশ অনেক দামের ।কিন্তু মায়ের সেই শাড়িটি মোটেই পছন্দ হয়নি। যিনি দিয়েছিলেন তার মুখের ওপর কিছু বলাও সম্ভব নয় ।এ কারণে সেদিনকার মতন জিনিসটা রেখে দিয়েছিল, কিন্তু যিনি দিয়েছিলেন তিনি আমার বাবার বন্ধুর বউ অর্থাৎ আমার এক জেঠিন । বারবার মাকে বলেছিলেন যদি তোমার মন পছন্দ না হয় তাহলে অবশ্যই তুমি চেঞ্জ করো ,সেই মতো বিল ধরিয়ে দিয়েছিলেন।

আমার মা চেঞ্জ করার ঠিক সাহস পাচ্ছিল না ।আসলে এই বিষয়টা একটা রেস্পেক্ট এর জায়গা থেকেও আসে ।কিন্তু আমি জোর করলাম ,যখন এত দাম দিয়ে কিনেছে অবশ্যই তুমি পড়বে বলেই কিনেছে । তাই আমার মনে হয় তুমি তোমার পছন্দমত এটার বদলে অন্য কিছু অবশ্যই কিনে নিতে পারো। এই বলে মাকে সেদিনকে নিয়ে গেছিলাম প্রথমে ওই দোকানে। আমার যতদূর মনে পড়ছে পুরোপুরি ৪ হাজার টাকার শাড়ি ছিল ,যেটা চেঞ্জ করতে নিয়ে গিয়েছিলাম।

1000437661.jpg

তার বদলে আমার মা অনেক শাড়ি দেখলো। তারপর মা ঠিক পছন্দ করলো সবুজ আর লাল শাড়ি। আমি এই মানুষটাকে নিয়ে পারি না ।প্রত্যেকবার শাড়ি কিনতে গিয়ে খালি লাল আর সবুজ শাড়িতে কি এত ভালো বোঝে, ভগবান জানে, প্রত্যেকবার মায়ের পছন্দ হয় সবুজ আর লাল শাড়ি ।আলমারি ভর্তি সবুজ আর লাল শাড়িতে ।আলমারিটা পুরো ঢেকে গেছে ।

1000437658.jpg

আমি এত সুন্দর সুন্দর শাড়ি বেছে দিলাম ,তাও সেগুলো পছন্দ হলো না। অবশেষে ওই টাকার মধ্যে দুটো শাড়ি নিল। যতই কমন কালার হোক না কেন ,শাড়িগুলো বেশ ভালো লাগলো। আজকে এখানেই শেষ করছি। পরবর্তী পোস্টে পরের পার্ট টুকু শেয়ার করব।

Sort:  
Loading...



Curated by: @pandora2010

Coin Marketplace

STEEM 0.06
TRX 0.32
JST 0.077
BTC 74776.16
ETH 2387.21
USDT 1.00
SBD 0.49