অক্ষয় তৃতীয়া - ২ য় পর্ব

in Incredible India11 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। আজকে আমি অক্ষয় তৃতীয়ার দ্বিতীয় পর্ব আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি। গতকাল অক্ষয় তৃতীয়ার পোস্ট যেখানে শেষ করেছিলাম ,তারপর থেকেই লেখা শুরু করছি।।

1000441118.jpg

আমাদের বাড়ি থেকে আমাদের দোকান হাঁটা পথে এক দেড় মিনিট । তবে অতগুলো জিনিস একসাথে নিয়ে যাওয়া যাবে না তাই কারখানা থেকে একটা ট্রলি নিয়ে আসা হয়েছিল। ওগুলো করেই দাদারা সব নিয়ে গেল। ব্রাহ্মণের জিনিসপত্র সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে হয় ,সমস্ত কিছু সেখানে বসে আমি সাজাচ্ছিলাম।।

কিছুটা আলপনা দিলাম, কিন্তু প্রতিবছর যেমন দোকানের দরজায় আলপনা দিই দুটো দোকান জুড়ে ।সেটা দিতে পারিনি। তবে সে কাজ ঈশান করে দিয়েছে খানিকটা। আমি এসব সাজাতে গোছাতে একটু এক্সপার্ট হয়ে গেছি। এত এত পূজো হলে যা হয় আর কি। প্রথমেই জলচৌকি পেতে সুন্দর করে একটা কাপড় পেতে দিলাম ।তার ওপর লক্ষ্মী গণেশ তিন জোড়া বেশ গোল করে সাজিয়ে দিলাম।।

সকলের গলায় মালা পরিয়ে দিলাম আর মা বেঁধে রেখেছিল ২১ টা করে দূর্বা ,সবার হাতে হাতে সেটা দিয়ে দিলাম।। সামনে জল চৌকির নিচে খড়িমাটি দিয়ে অল্প করে আলপনা দিয়ে মাটি বসিয়ে ঘট সাজালাম। ঘটে সুন্দর করে স্বস্তিক চিহ্ন দিয়ে তার ওপর ডাব বসালাম ।কিছুটা গুছিয়ে রাখলাম বলা যেতে পারে। যেখানে যেখানে যে পাত্র গুলো প্রয়োজন ব্রাহ্মণের ,সেই জায়গাগুলোতে সেই পাত্র গুলোই রেখে দিলাম। ডানদিক করে ব্রাহ্মণের জন্য যে সিদে দিতে হয় ,সেটাও দিয়ে দিলাম। দোকানের নতুন খাতা আর পেন রেখে দিলাম।। ডান দিক করেই পুষ্প পত্র থাকে ,সেটাও রেখে দিলাম।

1000441334.jpg

তারপর বাঁদিকে সমস্ত ফলের থালা ,মিষ্টির থালা সাজিয়ে গুছিয়ে রাখলাম ।ধূপদানিতে ধুপ , ধুনুচিতে নারকেলের খোসা দিয়ে সমস্ত কিছু রেডি করে রাখলাম ।প্রদীপে সরষের তেল দিয়ে পলতে দিয়ে রেডি করে রাখলাম। এসব করতে করতেই ব্রাহ্মণ চলে এলো, তারপর তো তিনি নিজেই বসে বাকি কাজগুলো গুছিয়ে নিলেন।।

এসব করার পর যখন ব্রাহ্মণ পূজো শুরু করল তখন ফ্যানটা বন্ধ করতে হলো ,প্রদীপটা জ্বলছে বলে ।আর একটু পর থেকেই আমার শরীরটার মধ্যে কেমন অস্বস্তি হতে লাগলো। এই জন্য পুজোর ওখান থেকে উঠে আমি আমাদের বড় দোকানটাতে এসে বসলাম। শরীরটা একদমই পেরে উঠছে না ওই মুহূর্তে।

পা কামড়াচ্ছিল তো গতকাল থেকেই, তখনও কামড়াচ্ছে ।এ কারণে পুজোর জায়গায় আর তারপরে যেতে পারিনি। না খেয়ে থাকলেও অঞ্জলি দিতে পারিনি। চুপ করে এই দোকানে বসে ছিলাম। পাশাপাশি দোকান। ঈশান এসে একবার আমার পা টা কে ওর কোলের কাছে নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে পা টিপে দিল।

1000441339.jpg

তারপর পুজো হয়ে যাওয়ার পরে আবার ফ্যানের হাওয়ায় বসে বসে যে দোকানে পুজো হচ্ছিল ,সেখানে বসে সকলের জন্য প্রসাদ বাড়তে লাগলাম। মোটামুটি অনেক জায়গায় প্রসাদ দিতে হবে, তাই পুজো হওয়ার পর প্রথমেই এই কাজেই হাত দিলাম।আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। পরের পোস্ট এ বাকি কথা শেয়ার করব।

Sort:  
Loading...



Curated by: @ahsansharif