বেরোনোর আগে কিছু কাজ
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। গতকাল লাগেজ প্যাকিং অব্দি পোস্ট শেষ হয়েছে। আজকে এবার যেদিন জার্নি স্টার্ট হলো ,সেই দিনের কথা দিয়ে শুরু করছি। দিনটা ছিল শনিবার।
সকালবেলা উঠেই স্নান সেরে রেডি হয়ে আমার প্রথম কাজ ছিল চুল কাটতে যাওয়া। আসলে হেয়ারকাট কয়েকমাস হলো করা হয়নি। লাস্ট নভেম্বরে করেছি এবং ছ মাস হয়ে গেল। চুলের আগাগুলো এমনিতে একটু ফেটে যায়, এ কারণেই হেয়ার কাট টা করা, যাতে একটু দেখতে ভালো লাগে চুলটা, না হলে চুল ছারলে কেমন একটা বাজে লাগবে।
সকালবেলা উঠেই সোজা চলে গিয়েছিলাম হাবিবস এ। ওদের সকাল দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে ওপেন হয়ে যায়। ১০-১৫ মিনিট বসতে হল ,তারপর ওরা হেয়ার কাট করে দিল। সাধারণত আমার চুলে সব সময় আমি লেয়ার কাট করি ,একটু বাউন্সি রাখার চেষ্টা করা হয়। এ কারণে ওরা লেয়ারকাটের সাথে আরো একটা স্টাইল মিশিয়ে তারপরে চুলটা ঠিকঠাক করে দেয়।
ওখান থেকে বেরোতে বেরোতে আমার প্রচুর দেরি হয়ে গেছে ।কারণ ওদের সার্ভিস অনেকটা সময় নিয়ে হয়। আমাদের দুপুর একটা নাগাত গাড়ি ছাড়ার কথা, তো আমি ওখান থেকে বেরিয়েছি সাড়ে বারোটায়। তারপরে আমার আরো দুটো কাজ ছিল। আমাকে জুতো কিনতে হয়েছে একটা, আমার পড়ার মতো জুতো ছিল, তাও আমার হঠাৎ করে মনে হওয়াতে আমি একটু অজন্তা তে ঢুকেছিলাম, অজন্তাতে ঢুকে একটা জুতো আমার পছন্দ হয়েছে। স্যান্ডেল টাইপ এবং সেটা আমি কিনে নিই ওই সময়। ১০৪৮ টাকা দাম নিয়েছিল।
ওখান থেকে সাথে সাথে চলে যাই সান্যাল মার্কেটে ।সেখানে কিনে ফেলি একটা সানস্ক্রিন। বাড়িতে অলরেডি আমার একটা ফেস সানস্ক্রিন রয়েছে, আমি বডি সানস্ক্রিন খুঁজছিলাম, তবে আমার কোনটাই পছন্দ না হতে ,আমি যে কোম্পানির প্রোডাক্ট এর স্কিন কেয়ারের জন্য ব্যবহার করি, সেই কোম্পানির আর একটা নাইসিনামাইড যুক্ত ওয়াটারপ্রুফ রাইস ওয়াটার সানস্ক্রিন কিনে ফেলি।
তারপর ওখান থেকে সাথে সাথে বাড়িতে চলে আসি। আমি একেবারে রেডি হয়েই বেরিয়েছিলাম , তাই বাড়িতে এসে শুধু খাওয়া দাওয়া করেছি।
খাওয়া দাওয়া করার পর বাবা টোটো ডাকলো এবং সমস্ত লাগেজ টোটোর মধ্যে তুলে আমরা যেখান থেকে গাড়িতে উঠবো, সেখানে চলে গেলাম অর্থাৎ ওই দাদার বাড়ির সামনে। আমাদের লাগেজ বলতে মায়ের একটা ব্যাগ হয়েছিল ,আমার আর ঈশানের জন্য একটা ট্রলি ছিল ,আর বাবার একটা ছোট ব্যাগ ছিল।
বাবা প্রথমেই বলেছিল আমি যে জামা কাপড় পড়ে যাব ,সেই জামা কাপড় পড়েই ফেরার দিন ফিরব। মাঝে হয়তো দুটো জামা কাপড় এক্সট্রা নিচ্ছি ।এছাড়া আমার কিছু নেওয়ার নেই। তো কিছু বলার নেই। ছেলেদের হয়তো এরকমই হয় ।এত জামা কাপড় নেয়ার থাকে না। বাট আমরা মাত্র চারজন চারদিনের জন্য ঘুরতে গিয়ে যে কত জামা কাপড় নিয়েছি, আমি আর মা বিশেষ করে, তা আমি বলে বোঝাতে পারবো না।
যাইহোক আজ এখানেই শেষ করছি। সকলে ভালো থাকুন।




